ভুল প্রশ্নপত্রে এসএসসি পরীক্ষা, বিপাকে শিক্ষার্থী  

পিরোজপুরের ভাণ্ডারিয়ায় এসএসসি বাংলা দ্বিতীয় পত্র পরীক্ষায় এক পরীক্ষার্থীকে ভুলবশত ২০২৫ সালের প্রশ্নপত্র দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) উপজেলার ইকড়ি মাধ্যমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে এ ঘটনা ঘটে।  অভিযোগকারী শিক্ষার্থী লামিয়া আক্তার উপজেলার কেশবলাল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী। ভুল প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা দেওয়ায় ওই শিক্ষার্থী চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন এবং ফলাফল নিয়েও অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। লামিয়া আক্তার জানান, এমসিকিউ পরীক্ষা শুরু হওয়ার সময় প্রশ্নপত্রের সংকট দেখা দেয়। ফলে নির্ধারিত সময়ের প্রায় ৫ মিনিট পর তাকে একটি প্রশ্নপত্র দেওয়া হয়। এতে ৩০ মিনিটের নির্ধারিত সময়ের একটি উল্লেখযোগ্য অংশ নষ্ট হয়ে যায়। এরপর তিনি দ্রুত প্রশ্নের উত্তর দিয়ে পরীক্ষা সম্পন্ন করেন। পরীক্ষা শেষে কেন্দ্র থেকে বের হয়ে সহপাঠীদের সঙ্গে আলোচনার সময় লামিয়া জানতে পারেন, সবার কাছেই প্রশ্নপত্রটি অত্যন্ত কঠিন মনে হয়েছে। কিন্তু তিনি নিজের পরীক্ষা ভালো হয়েছে বলে জানালে সন্দেহের সৃষ্টি হয়। পরে সহপাঠীদের প্রশ্নপত্রের সঙ্গে নিজের প্রশ্ন মিলিয়ে দেখতে গিয়ে তিনি বিস্মিত হন। তখন তিনি বুঝতে পারেন তাকে ২০২৫ সালের প্রশ্নপত্র দেওয়া

ভুল প্রশ্নপত্রে এসএসসি পরীক্ষা, বিপাকে শিক্ষার্থী  

পিরোজপুরের ভাণ্ডারিয়ায় এসএসসি বাংলা দ্বিতীয় পত্র পরীক্ষায় এক পরীক্ষার্থীকে ভুলবশত ২০২৫ সালের প্রশ্নপত্র দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।

বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) উপজেলার ইকড়ি মাধ্যমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে এ ঘটনা ঘটে। 

অভিযোগকারী শিক্ষার্থী লামিয়া আক্তার উপজেলার কেশবলাল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী। ভুল প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা দেওয়ায় ওই শিক্ষার্থী চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন এবং ফলাফল নিয়েও অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।

লামিয়া আক্তার জানান, এমসিকিউ পরীক্ষা শুরু হওয়ার সময় প্রশ্নপত্রের সংকট দেখা দেয়। ফলে নির্ধারিত সময়ের প্রায় ৫ মিনিট পর তাকে একটি প্রশ্নপত্র দেওয়া হয়। এতে ৩০ মিনিটের নির্ধারিত সময়ের একটি উল্লেখযোগ্য অংশ নষ্ট হয়ে যায়। এরপর তিনি দ্রুত প্রশ্নের উত্তর দিয়ে পরীক্ষা সম্পন্ন করেন।

পরীক্ষা শেষে কেন্দ্র থেকে বের হয়ে সহপাঠীদের সঙ্গে আলোচনার সময় লামিয়া জানতে পারেন, সবার কাছেই প্রশ্নপত্রটি অত্যন্ত কঠিন মনে হয়েছে। কিন্তু তিনি নিজের পরীক্ষা ভালো হয়েছে বলে জানালে সন্দেহের সৃষ্টি হয়। পরে সহপাঠীদের প্রশ্নপত্রের সঙ্গে নিজের প্রশ্ন মিলিয়ে দেখতে গিয়ে তিনি বিস্মিত হন। তখন তিনি বুঝতে পারেন তাকে ২০২৫ সালের প্রশ্নপত্র দেওয়া হয়েছে।

এ বিষয়ে কেন্দ্র সচিব আমিরুল ইসলাম বলেন, এমন ঘটনা ঘটার কোনো সুযোগ নেই। কেন্দ্রের পক্ষ থেকে নির্ধারিত নিয়ম মেনেই যথাযথভাবে প্রশ্নপত্র বিতরণ করা হয়েছে। পরীক্ষার সার্বিক কার্যক্রমও সুষ্ঠু ও নিয়মতান্ত্রিকভাবে পরিচালনা করা হয়েছে।

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, বিষয়টি এখনো তার জানা নেই। অভিযোগের বিষয়ে খোঁজখবর নিয়ে প্রয়োজনীয় যাচাই-বাছাই করা হবে। ঘটনা সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহের পর পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও তিনি জানান।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. হাসিবুল হাসান বলেন, বিষয়টি এইমাত্র আপনার কাছে জানতে পেরেছি। অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ে দ্রুত তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
 

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow