‘ভুয়া ডা. পদবি’ ব্যবহারের অভিযোগে জামায়াত প্রার্থীকে শোকজ

নির্বাচনী প্রচারণায় ভুয়া ‘ডা.’ পদবি ব্যবহারের অভিযোগে ফেনী-৩ আসনের (সোনাগাজী–দাগনভুঁঞা) জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মোহাম্মদ ফখরুদ্দিন মানিককে কারণ দর্শানোর (শোকজ) নোটিশ দেওয়া হয়েছে। তবে এ অভিযোগকে সম্মানহানির অপচেষ্টা বলে দাবি করেছেন জামায়াত প্রার্থী। তাঁর ভাষ্য, হোমিওপ্যাথিক গ্রাজুয়েশন কোর্স সম্পন্নকারীরা আইন অনুযায়ী নামের আগে ‘ডাক্তার (ডা.)’ পদবি ব্যবহার করতে পারেন। শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) নির্বাচনি অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটির দায়িত্বপ্রাপ্ত যুগ্ম জেলা জজ (ল্যান্ড সার্ভে ট্রাইব্যুনাল) সাজ্জাতুন নেছা এ নোটিশ জারি করেন। নোটিশে বলা হয়, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী মোহাম্মদ ফখরুদ্দিন ওরফে মানিক লিফলেট, ব্যানার ও ফেস্টুনে নিজের নামের আগে ‘ডা.’ পদবি ব্যবহার করছেন। অথচ তার দাখিল করা নির্বাচনি হলফনামায় এ পদবির কোনো উল্লেখ নেই, যা নির্বাচনি আচরণবিধির সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। পাশাপাশি এমবিবিএস বা বিডিএস ডিগ্রিধারী না হয়েও ‘ডা.’ পদবি ব্যবহার করা গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২-এর ৭৭(৩)(খ) ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। নোটিশে মোহাম্মদ ফখরুদ্দিন মানিককে ৮ ফেব্রুয়ারি বেলা সাড়ে ১১টায় নির্ব

‘ভুয়া ডা. পদবি’ ব্যবহারের অভিযোগে জামায়াত প্রার্থীকে শোকজ

নির্বাচনী প্রচারণায় ভুয়া ‘ডা.’ পদবি ব্যবহারের অভিযোগে ফেনী-৩ আসনের (সোনাগাজী–দাগনভুঁঞা) জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মোহাম্মদ ফখরুদ্দিন মানিককে কারণ দর্শানোর (শোকজ) নোটিশ দেওয়া হয়েছে।

তবে এ অভিযোগকে সম্মানহানির অপচেষ্টা বলে দাবি করেছেন জামায়াত প্রার্থী। তাঁর ভাষ্য, হোমিওপ্যাথিক গ্রাজুয়েশন কোর্স সম্পন্নকারীরা আইন অনুযায়ী নামের আগে ‘ডাক্তার (ডা.)’ পদবি ব্যবহার করতে পারেন।

শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) নির্বাচনি অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটির দায়িত্বপ্রাপ্ত যুগ্ম জেলা জজ (ল্যান্ড সার্ভে ট্রাইব্যুনাল) সাজ্জাতুন নেছা এ নোটিশ জারি করেন।

নোটিশে বলা হয়, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী মোহাম্মদ ফখরুদ্দিন ওরফে মানিক লিফলেট, ব্যানার ও ফেস্টুনে নিজের নামের আগে ‘ডা.’ পদবি ব্যবহার করছেন। অথচ তার দাখিল করা নির্বাচনি হলফনামায় এ পদবির কোনো উল্লেখ নেই, যা নির্বাচনি আচরণবিধির সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। পাশাপাশি এমবিবিএস বা বিডিএস ডিগ্রিধারী না হয়েও ‘ডা.’ পদবি ব্যবহার করা গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২-এর ৭৭(৩)(খ) ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

নোটিশে মোহাম্মদ ফখরুদ্দিন মানিককে ৮ ফেব্রুয়ারি বেলা সাড়ে ১১টায় নির্বাচনী অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটির কাছে উপস্থিত হয়ে লিখিতভাবে কারণ দর্শানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এ ব্যাপারে জানতে জামায়াতের প্রার্থী মোহাম্মদ ফখরুদ্দিনের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও সাড়া মেলেনি।

তবে ফেসবুক স্ট্যাটাসে জামায়াতের এ প্রার্থী দাবি করেন, বিষয়টি নিয়ে মিথ্যা অপপ্রচার এবং সম্মানহানি অপচেষ্টা।

তার দাবি, বি.এইচ.এম.এস (ব্যাচেলর অব হোমিওপ্যাথিক মেডিসিন অ্যান্ড সার্জারি) একটি পাঁচ বছর মেয়াদি কোর্স, যার সঙ্গে এক বছরের ইন্টার্নশিপ অন্তর্ভুক্ত। হোমিওপ্যাথিক গ্রাজুয়েশন কোর্স সম্পন্ন করার পর নামের আগে ‘ডাক্তার (ডা.)’ পদবি ব্যবহার আইন দ্বারা স্বীকৃত।

তিনি আরও বলেন, হোমিওপ্যাথিক গ্রাজুয়েশন ডিগ্রি প্রদান করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিসিন অনুষদ, যার অধীভুক্ত বাংলাদেশের একমাত্র সরকারি হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজ (এমবিবিএস ও বিডিএস কোর্সের মতোই অনুষদভুক্ত)।

স্ট্যাটাসে উল্লেখ করা হয়, ‘ডা.’ পদবি বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথিক শিক্ষা ও চিকিৎসা কাউন্সিল আইন, ২০২৩ অনুযায়ী স্বীকৃত। আইনটি বিগত সংসদে পাস হয়ে গেজেট আকারে প্রকাশিত হয়েছে। এ বিষয়ে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে দায়ের করা মামলাগুলোর কার্যক্রমও স্থগিত রয়েছে।

এ ছাড়া তিনি দাবি করেন, হলফনামায় তার শিক্ষাগত সনদ ও রেজিস্ট্রেশন নম্বর দাখিল করা হয়েছে, যেখানে পেশা হিসেবে ‘চিকিৎসক’ উল্লেখ রয়েছে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow