ভূমি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে সেচ্ছাচারিতার অভিযোগ
ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা উপজেলার টগরবন্দ ইউনিয়ন ভূমি অফিসের সহকারী ভূমি কর্মকর্তা মো. মনোয়ার হোসেনের বিরুদ্ধে নিয়মিত অফিস ফাঁকির অভিযোগ উঠেছে। সরকারি নিয়মের তোয়াক্কা না করে নিজের খেয়াল খুশিমতো অফিসে আসা যাওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে।
মঙ্গলবার (১০ মার্চ) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে সরেজমিনে টগরবন্দ ইউনিয়ন ভূমি অফিসে গিয়ে দেখা যায়, অফিস খোলা থাকলেও কর্মকর্তা মো. মনোয়ার হোসেন উপস্থিত নেই। অফিসের কয়েকটি কক্ষ খোলা থাকলেও কর্মকর্তার চেয়ার টেবিল ফাঁকা পড়ে রয়েছে। ওই সময় অফিস সহায়ক বকতিয়ার শেখ ছাড়া অন্যকোনো কর্মকর্তা কর্মচারীর উপস্থিতি দেখা যায়নি। ১১টা ১৫ মিনিটের সময় তাকে অফিসে আসতে দেখা যায়।
সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী পবিত্র রমজান মাসে সরকারি দপ্তরে সকাল ৯টা থেকে বিকেল সাড়ে ৩টা পর্যন্ত অফিস করার কথা। তবে বাস্তবে সেই নিয়ম মানা হচ্ছে না বলে স্থানীয়দের অভিযোগ।
স্থানীয়দের অভিযোগ, ‘২৫ সালের ২৪ ডিসেম্বর যোগদানের পর থেকেই প্রায় প্রতিদিন সকাল ১১টার পর অফিসে আসেন তিনি। অনেক সময় উপজেলা বা জেলা অফিসে যাওয়ার অজুহাতে দিনের বেশিরভাগ সময়ই কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকেন। এতে জমিসংক্রান্ত সেবা নিতে এসে ভোগান্তিতে পড়ছেন সাধারণ মানু
ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা উপজেলার টগরবন্দ ইউনিয়ন ভূমি অফিসের সহকারী ভূমি কর্মকর্তা মো. মনোয়ার হোসেনের বিরুদ্ধে নিয়মিত অফিস ফাঁকির অভিযোগ উঠেছে। সরকারি নিয়মের তোয়াক্কা না করে নিজের খেয়াল খুশিমতো অফিসে আসা যাওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে।
মঙ্গলবার (১০ মার্চ) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে সরেজমিনে টগরবন্দ ইউনিয়ন ভূমি অফিসে গিয়ে দেখা যায়, অফিস খোলা থাকলেও কর্মকর্তা মো. মনোয়ার হোসেন উপস্থিত নেই। অফিসের কয়েকটি কক্ষ খোলা থাকলেও কর্মকর্তার চেয়ার টেবিল ফাঁকা পড়ে রয়েছে। ওই সময় অফিস সহায়ক বকতিয়ার শেখ ছাড়া অন্যকোনো কর্মকর্তা কর্মচারীর উপস্থিতি দেখা যায়নি। ১১টা ১৫ মিনিটের সময় তাকে অফিসে আসতে দেখা যায়।
সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী পবিত্র রমজান মাসে সরকারি দপ্তরে সকাল ৯টা থেকে বিকেল সাড়ে ৩টা পর্যন্ত অফিস করার কথা। তবে বাস্তবে সেই নিয়ম মানা হচ্ছে না বলে স্থানীয়দের অভিযোগ।
স্থানীয়দের অভিযোগ, ‘২৫ সালের ২৪ ডিসেম্বর যোগদানের পর থেকেই প্রায় প্রতিদিন সকাল ১১টার পর অফিসে আসেন তিনি। অনেক সময় উপজেলা বা জেলা অফিসে যাওয়ার অজুহাতে দিনের বেশিরভাগ সময়ই কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকেন। এতে জমিসংক্রান্ত সেবা নিতে এসে ভোগান্তিতে পড়ছেন সাধারণ মানুষ।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে ইউনিয়ন সহকারী ভূমি কর্মকর্তা মো. মনোয়ার হোসেন সংবাদ প্রকাশ না করার জন্য অনুরোধ করেন।
তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, আমাকে এখান থেকে বদলি করার ব্যবস্থা করেন।
আলফাডাঙ্গা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) একেএম রায়হানুর রহমান বলেন, সব কর্মকর্তা, কর্মচারীকে নির্ধারিত সময় অনুযায়ী অফিস করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।