ভূরুঙ্গামারীতে মাটি খুঁড়তে গিয়ে পরিত্যক্ত  হ্যান্ড গ্রেনেড উদ্ধার 

কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে মাটি খননের সময় একটি মরিচাধরা অবিস্ফোরিত হ্যান্ড গ্রেনেড (মর্টারশেল) সাদৃশ্য বস্তু উদ্ধার করা হয়েছে। মর্টার শেলটি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ অথবা স্বাধীনতা যুদ্ধকালীন সময়ের বলে স্থানীয়দের ধারণা। জানা গেছে, উপজেলার সদর ইউনিয়নের গোপালপুর গ্রামের বাসিন্দা মো. আব্দুল মান্নান মিয়ার জমিতে বুধবার (১ এপ্রিল) বিকেলে খাল খননের কাজ চলাকালে শ্রমিকরা মাটির নিচে একটি ধাতব বস্তু দেখতে পান। পরে সেটি হ্যান্ড গ্রেনেড (মর্টারশেল) সাদৃশ্য মনে হলে তারা দ্রুত জমির মালিকের কাছে জমা দেন। বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে নিয়ে জমির মালিক ভূরুঙ্গামারী থানা পুলিশকে অবহিত করলে, ওসি আজিম উদ্দিনের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে বস্তুটি উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে। উদ্ধারকৃত বস্তুটির মাথায় ‘PGF’ লেখা রয়েছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, এটি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ অথবা ১৯৭১ সালের মহান স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় নিক্ষিপ্ত কোনো গ্রেনেড বা মর্টারশেল, যা বিস্ফোরিত না হয়ে দীর্ঘদিন মাটির নিচে চাপা পড়ে ছিল। ভূরুঙ্গামারী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আজিম উদ্দিন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, উদ্ধারকৃত বস্তুটি থানার হেফাজ

ভূরুঙ্গামারীতে মাটি খুঁড়তে গিয়ে পরিত্যক্ত  হ্যান্ড গ্রেনেড উদ্ধার 

কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে মাটি খননের সময় একটি মরিচাধরা অবিস্ফোরিত হ্যান্ড গ্রেনেড (মর্টারশেল) সাদৃশ্য বস্তু উদ্ধার করা হয়েছে। মর্টার শেলটি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ অথবা স্বাধীনতা যুদ্ধকালীন সময়ের বলে স্থানীয়দের ধারণা।

জানা গেছে, উপজেলার সদর ইউনিয়নের গোপালপুর গ্রামের বাসিন্দা মো. আব্দুল মান্নান মিয়ার জমিতে বুধবার (১ এপ্রিল) বিকেলে খাল খননের কাজ চলাকালে শ্রমিকরা মাটির নিচে একটি ধাতব বস্তু দেখতে পান। পরে সেটি হ্যান্ড গ্রেনেড (মর্টারশেল) সাদৃশ্য মনে হলে তারা দ্রুত জমির মালিকের কাছে জমা দেন।

বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে নিয়ে জমির মালিক ভূরুঙ্গামারী থানা পুলিশকে অবহিত করলে, ওসি আজিম উদ্দিনের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে বস্তুটি উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে। উদ্ধারকৃত বস্তুটির মাথায় ‘PGF’ লেখা রয়েছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, এটি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ অথবা ১৯৭১ সালের মহান স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় নিক্ষিপ্ত কোনো গ্রেনেড বা মর্টারশেল, যা বিস্ফোরিত না হয়ে দীর্ঘদিন মাটির নিচে চাপা পড়ে ছিল।

ভূরুঙ্গামারী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আজিম উদ্দিন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, উদ্ধারকৃত বস্তুটি থানার হেফাজতে রাখা হয়েছে। এ বিষয়ে সেনাবাহিনী ও র‍্যাবের বোমা নিষ্ক্রিয়করণ বিশেষজ্ঞ দলকে অবহিত করা হয়েছে। তাদের মাধ্যমে পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

বৃহস্পতিবার ( ২ এপ্রিল ) বিকেল ৪টায় এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত বোমা নিষ্ক্রিয়করণ বিশেষজ্ঞ দল ভূরুঙ্গামারী থানায় আসেনি বলে নিশ্চিত করেছেন ওসি আজিম উদ্দিন।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow