ভৈরবে দুই বংশের চার ঘণ্টার সংঘর্ষে আহত ৫০

কিশোরগঞ্জের ভৈরবে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দু’পক্ষের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ হয়েছে। টানা ৪ ঘণ্টাব্যাপী চলা এই সংঘর্ষে উভয় পক্ষের অন্তত ৫০ জন আহত হয়েছেন। এছাড়া বেশ কয়েকটি বাড়িঘর ভাঙচুর করা হয়। পরে সংঘর্ষের খবর পেয়ে সেনাবাহিনী ও র‍্যাব সদস্যদের সহায়তায় পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) রাত সাড়ে ৯টায় উপজেলার কালিকাপ্রসাদ ইউনিয়নের কাউয়ার বাড়ির সঙ্গে তারার বাড়ির এই সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষে আহতরা ভৈরব উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সসহ বিভিন্ন প্রাইভেট হাসপাতালে চিকিৎসা নেন। এদের মধ্যে গুরুতর আহত মেহেদি হাসান, রায়হান খান ও আনাস মিয়াকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার কালিকাপ্রসাদ ইউনিয়নের কাউয়ার বাড়ি ও তারার বাড়ির মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল। গত এক সপ্তাহ ধরে উভয় পক্ষের কিশোরদের মধ্যে কয়েক দফা বাগবিতণ্ডা ও হাতাহাতি হয়। মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) রাতে স্থানীয় একটি মাজারের ওরসের মেলায় জুয়া খেলাকে কেন্দ্র করে দু’পক্ষের লোকজন পুনরায় বাগবিতণ্ডা ও মারামারিতে জড়ায়। পরে এই নিয়ে দু’পক্ষের লোকজন রাতে

ভৈরবে দুই বংশের চার ঘণ্টার সংঘর্ষে আহত ৫০

কিশোরগঞ্জের ভৈরবে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দু’পক্ষের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ হয়েছে। টানা ৪ ঘণ্টাব্যাপী চলা এই সংঘর্ষে উভয় পক্ষের অন্তত ৫০ জন আহত হয়েছেন। এছাড়া বেশ কয়েকটি বাড়িঘর ভাঙচুর করা হয়। পরে সংঘর্ষের খবর পেয়ে সেনাবাহিনী ও র‍্যাব সদস্যদের সহায়তায় পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) রাত সাড়ে ৯টায় উপজেলার কালিকাপ্রসাদ ইউনিয়নের কাউয়ার বাড়ির সঙ্গে তারার বাড়ির এই সংঘর্ষ হয়।

সংঘর্ষে আহতরা ভৈরব উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সসহ বিভিন্ন প্রাইভেট হাসপাতালে চিকিৎসা নেন। এদের মধ্যে গুরুতর আহত মেহেদি হাসান, রায়হান খান ও আনাস মিয়াকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার কালিকাপ্রসাদ ইউনিয়নের কাউয়ার বাড়ি ও তারার বাড়ির মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল। গত এক সপ্তাহ ধরে উভয় পক্ষের কিশোরদের মধ্যে কয়েক দফা বাগবিতণ্ডা ও হাতাহাতি হয়। মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) রাতে স্থানীয় একটি মাজারের ওরসের মেলায় জুয়া খেলাকে কেন্দ্র করে দু’পক্ষের লোকজন পুনরায় বাগবিতণ্ডা ও মারামারিতে জড়ায়। পরে এই নিয়ে দু’পক্ষের লোকজন রাতে সংঘর্ষে জড়ালে মুহূর্তেই তা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়।

ভৈরবে দুই বংশের চার ঘণ্টার সংঘর্ষে আহত ৫০

সংঘর্ষ শুরু হলে কাউয়ার বাড়ির পক্ষে খাঁন বাড়ি ও তাফালির বাড়ির লোকজন এবং তারার বাড়ির পক্ষে মুন্সি বাড়ি, মোল্লা বাড়ি ও হাজী ফুল মিয়ার বাড়িসহ একাধিক বংশের মানুষ দেশীয় অস্ত্র নিয়ে মাঠে নামে। এতে সংঘর্ষটি পুরো এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে এবং ব্যাপক আতঙ্ক সৃষ্টি হয়। রাত ৯টা থেকে শুরু হওয়া এই সংঘর্ষ চলে রাত ১২টা পর্যন্ত। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ভৈরব থানা পুলিশ, সেনাবাহিনী ও র‍্যাব সদস্যরা যৌথ অভিযান চালায়। এসময় ঘটনাস্থল থেকে ৬ জন কে আটক করা হয়।

ভৈরব উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক ডা. শাহরিয়ার আহমেদ বলেন, সংঘর্ষে আহত অনেক রোগী হাসপাতালে এসেছেন। আমরা সাধ্যমতো চিকিৎসা দিয়েছি। তবে তিনজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাদের দ্রুত ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করা হয়েছে।

এ বিষয়ে ভৈরব থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) আবু তালেব বলেন, খবর পাওয়ার পরপরই আমরা ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনি। বর্তমানে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। এই ঘটনায় জড়িত ৬ জনকে আটক করা হয়েছে। পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

রাজীবুল হাসান/এফএ/এএসএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow