ভোগান্তি এড়াতে আগেই শহর ছাড়ছে মানুষ

পবিত্র ঈদুল ফিতরের বাকি আর অল্প কয়েকদিন। ঈদের ছুটি শুরু হলে বাড়তি চাপ হবে এমন ভয়েই আগেই নারায়ণগঞ্জ ছাড়ছেন মানুষ। মূলত ভোগান্তি এড়াতে এমন তড়িঘড়ি বলে জানালেন কয়েকজন যাত্রী। শুক্রবার (১৩ মার্চ) সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের সাইনবোর্ড, মৌচাক, শিমরাইল মোড় ও কাঁচপুর এলাকার বাস কাউন্টারগুলো ঘুরে এ তথ্য জানা যায়। এসময় আগের তুলনায় কাউন্টারগুলোতে যাত্রী ও যানবাহনের বাড়তি চাপ দেখা গেছে। সরেজমিনে দেখা যায়, মহাসড়কের বাস কাউন্টারে যাত্রীরা ভিড় করছেন। বিশেষ করে পুরুষের তুলনায় নারী, বৃদ্ধ ও শিশু যাত্রী বেশি দেখা গেছে। মূলত যানজট আর ভোগান্তি এড়াতে পুরুষ সদস্যরা নারী ও শিশুদের আগেই বাড়ি পাঠাচ্ছেন। এদিকে পুলিশ বলছে, ঈদকে কেন্দ্র করে এবার যাত্রীদের কোনো ভোগান্তি হবে না। যাত্রীদের যাতায়াত নির্বিঘ্ন করতে মহাসড়কে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে এবং কোথাও দুর্ঘটনা ঘটলে সঙ্গে সঙ্গে ক্ষতিগ্রস্ত যানবাহন সরিয়ে নেওয়ার জন্য সব প্রস্তুতিও রাখা হয়েছে। সাইনবোর্ড বাস কাউন্টারের সামনে বাসের জন্য অপেক্ষা করছেন রাজু আহমেদ নামের এক যাত্রী। তিনি বলেন, প্রতিবার ঈদের ছুটি শুরু হলে যাত্রী চাপ অনেক বেশি হয়।

ভোগান্তি এড়াতে আগেই শহর ছাড়ছে মানুষ

পবিত্র ঈদুল ফিতরের বাকি আর অল্প কয়েকদিন। ঈদের ছুটি শুরু হলে বাড়তি চাপ হবে এমন ভয়েই আগেই নারায়ণগঞ্জ ছাড়ছেন মানুষ। মূলত ভোগান্তি এড়াতে এমন তড়িঘড়ি বলে জানালেন কয়েকজন যাত্রী।

শুক্রবার (১৩ মার্চ) সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের সাইনবোর্ড, মৌচাক, শিমরাইল মোড় ও কাঁচপুর এলাকার বাস কাউন্টারগুলো ঘুরে এ তথ্য জানা যায়। এসময় আগের তুলনায় কাউন্টারগুলোতে যাত্রী ও যানবাহনের বাড়তি চাপ দেখা গেছে।

সরেজমিনে দেখা যায়, মহাসড়কের বাস কাউন্টারে যাত্রীরা ভিড় করছেন। বিশেষ করে পুরুষের তুলনায় নারী, বৃদ্ধ ও শিশু যাত্রী বেশি দেখা গেছে। মূলত যানজট আর ভোগান্তি এড়াতে পুরুষ সদস্যরা নারী ও শিশুদের আগেই বাড়ি পাঠাচ্ছেন।

ভোগান্তি এড়াতে আগেই শহর ছাড়ছে মানুষ

এদিকে পুলিশ বলছে, ঈদকে কেন্দ্র করে এবার যাত্রীদের কোনো ভোগান্তি হবে না। যাত্রীদের যাতায়াত নির্বিঘ্ন করতে মহাসড়কে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে এবং কোথাও দুর্ঘটনা ঘটলে সঙ্গে সঙ্গে ক্ষতিগ্রস্ত যানবাহন সরিয়ে নেওয়ার জন্য সব প্রস্তুতিও রাখা হয়েছে।

সাইনবোর্ড বাস কাউন্টারের সামনে বাসের জন্য অপেক্ষা করছেন রাজু আহমেদ নামের এক যাত্রী।

তিনি বলেন, প্রতিবার ঈদের ছুটি শুরু হলে যাত্রী চাপ অনেক বেশি হয়। তখন গাড়ি পেতে ঝামেলা এবং যানজটের ভোগান্তি তো থাকেই। তাই ছুটি কার্যকরের আগেই ভোগান্তি এড়াতে পরিবার পাঠিয়ে দিচ্ছি। ছুটি শুরু হলে ধীরেসুস্থে যাব।

মেহেদী হাসান সোহাগ নামের এক ব্যাংক কর্মকর্তার বলেন, ছুটি শুরু হবে আরও তিনদিন পর। তখন দেখা যাবে সকলের ছুটি শুরু হয়ে যাবে, সড়কেও ভিড় বাড়বে। সেজন্য আজ স্ত্রী-সন্তানদের পাঠিয়ে দিচ্ছি। ছুটি শুরু হলে কোনো এক ফাঁকে যাব।

কথা হয় কাপড় ব্যবসায়ী ফরিদ মিয়ার সঙ্গে। চাঁদপুরের বাসিন্দা এ ব্যক্তি সিদ্ধিরগঞ্জে ব্যবসা করেন।

তিনি বলেন, সব সময় বাড়িতে যাই ঈদের দিন সকালে। কারণ, চাঁদরাতে গভীর রাত পর্যন্ত দোকান খোলা রাখতে হয়। তাই যানজট এড়াতে পরিবারকে আগেই পাঠিয়ে দিই। এবার বাচ্চাদের স্কুল বন্ধ হয়ে গেছে অনেক দিন হয়েছে। তাই এখন পরিবারের সব সদস্যকে বাড়িতে পাঠিয়ে দিচ্ছি।

ভোগান্তি এড়াতে আগেই শহর ছাড়ছে মানুষ

কয়েজন বাসচালক বলেন, মানুষজন গ্রামে যাওয়া শুরু করেছে। গতকাল থেকে যাত্রীর চাপ রয়েছে। তবে কোথাও কোনো যানজট নেই।

শিমরাইল হাইওয়ে পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ জুলহাস উদ্দিন বলেন, ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন করতে এরই মধ্যে তৎপরতা শুরু করেছি। পুলিশের টহল বাড়ানো হয়েছে। প্রতিটি মোড়ে মোড়ে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। নারায়ণগঞ্জ অংশে মানুষকে যানজটের ভোগান্তিতে পড়তে হবে না।

কাঁচপুর হাইওয়ে পুলিশ থানার ইনচার্জ শ্রী কৃষ্ণপদ জাগো নিউজকে জানান, ঈদকে কেন্দ্র করে ৮২ পুলিশ সদস্য মহাসড়কে মোতায়েন থাকছে। আশাকরি যানজটের ভোগান্তি হবে না।

মো. আকাশ/এএইচ/এএসএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow