ভোজ্য তেলে ফের অস্থিরতা, বাজারে তীব্র সংকট

দেশের ভোজ্য তেলের বাজারে আবারও অস্থিরতা দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে সয়াবিন তেলের সরবরাহ গত দুই মাস ধরে স্বাভাবিক না থাকায় বাজারে তীব্র সংকট তৈরি হয়েছে, যা বর্তমানে আরও প্রকট আকার ধারণ করেছে। সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধে কার্যকর পদক্ষেপ না নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে বিভিন্ন মহলে। ক্রেতাদের অভিযোগ, বড় বড় কোম্পানিগুলো ইচ্ছাকৃতভাবে কৃত্রিম সংকট তৈরি করছে, যাতে দাম বাড়ানো যায়। তারা এ অবস্থায় সরকারের কঠোর হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন। অন্যদিকে বিক্রেতারা বলছেন, রমজান থেকেই বাজারে সয়াবিন তেলের সরবরাহ কম। ডিলারদের কাছ থেকে চাহিদামতো তেল পাওয়া যাচ্ছে না। অনেক ক্ষেত্রে তেল নিতে গেলে কোম্পানির অন্যান্য পণ্য কেনার শর্ত দেওয়া হচ্ছে। এছাড়া মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে দাম বাড়ার আশঙ্কায় অনেকে প্রয়োজনের চেয়ে বেশি তেল কিনে মজুত করায় সংকট আরও বেড়েছে। রাজধানী ঢাকা-র কাওরান বাজার, মোহাম্মদপুর,  যাত্রাবাড়ী, শনির আখড়া, শেওড়াপাড়া ও সেগুনবাগিচা ঘুরে দেখা গেছে—বড় বাজারের কিছু দোকানে তেল মিললেও পাড়া-মহল্লার দোকানে প্রায় নেই। কোথাও কোথাও খোলা সয়াবিন তেল প্রতি লিটার ২০০ থেকে ২২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, যা নির্ধারিত মূল্য

ভোজ্য তেলে ফের অস্থিরতা, বাজারে তীব্র সংকট

দেশের ভোজ্য তেলের বাজারে আবারও অস্থিরতা দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে সয়াবিন তেলের সরবরাহ গত দুই মাস ধরে স্বাভাবিক না থাকায় বাজারে তীব্র সংকট তৈরি হয়েছে, যা বর্তমানে আরও প্রকট আকার ধারণ করেছে। সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধে কার্যকর পদক্ষেপ না নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে বিভিন্ন মহলে।

ক্রেতাদের অভিযোগ, বড় বড় কোম্পানিগুলো ইচ্ছাকৃতভাবে কৃত্রিম সংকট তৈরি করছে, যাতে দাম বাড়ানো যায়। তারা এ অবস্থায় সরকারের কঠোর হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন।

অন্যদিকে বিক্রেতারা বলছেন, রমজান থেকেই বাজারে সয়াবিন তেলের সরবরাহ কম। ডিলারদের কাছ থেকে চাহিদামতো তেল পাওয়া যাচ্ছে না। অনেক ক্ষেত্রে তেল নিতে গেলে কোম্পানির অন্যান্য পণ্য কেনার শর্ত দেওয়া হচ্ছে। এছাড়া মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে দাম বাড়ার আশঙ্কায় অনেকে প্রয়োজনের চেয়ে বেশি তেল কিনে মজুত করায় সংকট আরও বেড়েছে।

রাজধানী ঢাকা-র কাওরান বাজার, মোহাম্মদপুর,  যাত্রাবাড়ী, শনির আখড়া, শেওড়াপাড়া ও সেগুনবাগিচা ঘুরে দেখা গেছে—বড় বাজারের কিছু দোকানে তেল মিললেও পাড়া-মহল্লার দোকানে প্রায় নেই। কোথাও কোথাও খোলা সয়াবিন তেল প্রতি লিটার ২০০ থেকে ২২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, যা নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি।

বর্তমানে বোতলজাত সয়াবিন তেলের সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য (এমআরপি) লিটারপ্রতি ১৯৫ টাকা হলেও সংকটের সুযোগে অনেক দোকানে বেশি দামে বিক্রি করা হচ্ছে। একই সঙ্গে পাম তেলের দামও লিটারপ্রতি ১৯০ থেকে ২০০ টাকায় উঠেছে।

বিক্রেতাদের ভাষ্য অনুযায়ী, ডিলাররা অনেক সময় শর্ত দিয়ে সীমিত পরিমাণ তেল সরবরাহ করছে। ফলে দোকানিরা বাড়তি খরচে তেল কিনে বেশি দামে বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছেন। এতে ভোগান্তিতে পড়ছেন সাধারণ ভোক্তারা।

এদিকে ভোক্তারা আশঙ্কা করছেন, সামনে সংকট আরও বাড়তে পারে। তাদের দাবি, কৃত্রিম সংকট রোধ এবং বাজার স্বাভাবিক রাখতে সরকারের পক্ষ থেকে কঠোর নজরদারি জরুরি।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow