‘ভোট দিতে যাচ্ছি, ঈদের মতো লাগছে’
ময়মনসিংহের বশিরউদ্দিন, ঢাকা থেকে ভোট দিতে গ্রামের বাড়ি যাচ্ছেন। মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) সকালে ভোট দেওয়ার উদ্দেশ্যে গ্রামের পথে রওয়ানা হন তিনি। সকাল সকাল যান মহাখালী আন্ত:জেলা বাস টার্মিনালে। তিনি বলেন, টানা চার দিনের ছুটি পেয়েছি। ঈদ আনন্দের মতো লাগছে। মিরপুরের একটি পোশাক কারখানায় প্রায় এক যুগ ধরে কাজ করেন বশিরউদ্দিন। বশিরউদ্দিনের ভাষ্য, সাধারণত ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহার সময় টানা কয়েক দিনের ছুটি পান পোশাক শ্রমিকরা। তখন সবাই আনন্দ নিয়ে গ্রামে ছুটে যান। এখন নির্বাচন উপলক্ষে আজ মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) থেকে টানা চার দিনের ছুটি পেয়েছেন। এতে ঈদ আনন্দের মতো লাগছে তার। তিনি আরও বলেন, ২০১৮ ও ২০২৪ সালের নির্বাচনে ভোট দিতে গ্রামে গিয়েছিলাম। কিন্তু কেন্দ্রে গিয়ে দেখি, আমার ভোট কে যেন দিয়ে দিয়েছে। তখন ভয়ে প্রতিবাদও করার সাহস পাইনি। এবার গণঅভ্যুত্থানের পর সময় পরিবর্তন হয়েছে। মানুষ নিজ পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিতে চায়। আশা করি এবার ভোটের পরিবেশ ভালো থাকবে। তার মতো আরও বহু মানুষ ভোট দিতে গ্রামে যাচ্ছেন। তাদের সবার মুখে একই কথা, দীর্ঘ কয়েকবছর পর এবার জাতীয় নির্বাচন জমে উঠেছে। ভোট দিতে দল বেধে
মিরপুরের একটি পোশাক কারখানায় প্রায় এক যুগ ধরে কাজ করেন বশিরউদ্দিন। বশিরউদ্দিনের ভাষ্য, সাধারণত ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহার সময় টানা কয়েক দিনের ছুটি পান পোশাক শ্রমিকরা। তখন সবাই আনন্দ নিয়ে গ্রামে ছুটে যান। এখন নির্বাচন উপলক্ষে আজ মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) থেকে টানা চার দিনের ছুটি পেয়েছেন। এতে ঈদ আনন্দের মতো লাগছে তার। তিনি আরও বলেন, ২০১৮ ও ২০২৪ সালের নির্বাচনে ভোট দিতে গ্রামে গিয়েছিলাম। কিন্তু কেন্দ্রে গিয়ে দেখি, আমার ভোট কে যেন দিয়ে দিয়েছে। তখন ভয়ে প্রতিবাদও করার সাহস পাইনি। এবার গণঅভ্যুত্থানের পর সময় পরিবর্তন হয়েছে। মানুষ নিজ পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিতে চায়। আশা করি এবার ভোটের পরিবেশ ভালো থাকবে।
তার মতো আরও বহু মানুষ ভোট দিতে গ্রামে যাচ্ছেন। তাদের সবার মুখে একই কথা, দীর্ঘ কয়েকবছর পর এবার জাতীয় নির্বাচন জমে উঠেছে। ভোট দিতে দল বেধে গ্রামে ছুটছেন তারা। এই আনন্দ ঈদের উৎসবের মতো লাগছে। এখন সুষ্ঠুভাবে নিজের ভোট, নিজেরাই দিতে চান তারা।
মহাখালী বাস টার্মিনালের পরিবহন মালিক-শ্রমিকরা জানান, মহাখালী বাস টার্মিনাল থেকে দিনে পাঁচ শতাধিক বাস বগুড়া, নওগাঁ, রাজশাহী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, সিরাজগঞ্জ, রংপুর, দিনাজপুর, বৃহত্তর ময়মনসিংহ তথা নেত্রকোনা, শেরপুর, জামালপুর, টাঙ্গাইল জেলায় চলাচল করে। এছাড়া ওই টার্মিনাল থেকে সিলেটেও বাস চলাচল করে।
সরেজমিনে দেখা যায়, মহাখালী বাস টার্মিনালে যাত্রী পরিবহনে তিন শতাধিক দূরপাল্লার বাস সারিবদ্ধভাবে পার্কিং করা রয়েছে। টার্মিনালের সামনে রাখা বাসগুলোতে একেক করে যাত্রী উঠছেন। যাত্রীদের অনেকেই পরিবার নিয়ে গ্রামে যাচ্ছেন। আবার অনেকে একাই যাচ্ছেন।
বিলাশ পরিবহনের একটি বাসে উঠেন মোস্তাক আহমেদ। তার গন্তব্য শেরপুরে। আলাপকালে মোস্তাক আহমেদ বলেন, পছন্দের দলকে ভোট দিতে গ্রামে যাচ্ছি। ঈদের মতো আনন্দ লাগছে।
নির্বাচন ও গণভোটের কারণে আগামীকাল বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) থেকে টানা চারদিনের ছুটি পেয়েছেন সরকারি চাকরিজীবীরা। বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে যারা চাকরি করেন তারাও তিন দিনের (১৩ ফেব্রুয়ারি, শুক্রবার) ছুটি পেয়েছেন। এ কারণে আজ মঙ্গলবার থেকে উত্তরাঞ্চলগামী বাসের টিকিট সংকট রয়েছে। কোনো বাসেই আসন ফাঁকা নেই।
তবে মহাখালী বাস টার্মিনালের চিত্র অনেকটা ভিন্ন। এখানে লম্বা সিরিয়ালে দাঁড়িয়ে যাত্রীরা টিকিট পাচ্ছেন। তবে যাত্রী চাপ অনেক বেশি।
ইউনাইটেড পরিবহনের কাউন্টারের বিক্রয় কর্মী হাসান মিয়া বলেন, তাদের এসি, ননএসি সার্ভিস রয়েছে। সিরিয়াল দিয়ে টিকিট কাটছেন যাত্রীরা। কারো টিকিট পেতে সমস্যা হচ্ছে না।
জানতে চাইলে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির দপ্তর সম্পাদক কাজী জোবায়ের মাসুদ জাগো নিউজকে বলেন, নির্বাচনি ছুটির কারণে মহাখালীসহ ঢাকার বাস টার্মিনালগুলোতে সকাল থেকে যাত্রী চাপ রয়েছে। দুপুরের পর এ চাপ আরও কয়েকগুণ বাড়তে পারে। তিনি বলেন, নির্বাচন উপলক্ষে সারা দেশে প্রায় আড়াই হাজার বাস রিকুইজিশন করেছে পুলিশ।দূরপাল্লার গন্তব্যগুলোতে যেতে বাসের কিছুটা সংকট রয়েছে। তারপরও যাত্রীদের নিরাপদে গন্তব্যে পৌঁছাতে পরিবহন মালিক-শ্রমিকরা চেষ্টা করছেন।
এমএমএ/এসএনআর
What's Your Reaction?