ভোলায় সাপের কামড়ে জেলের মৃত্যু

ভোলার দৌলতখানে মেঘনা নদীতে বিষধর সাপের কামড়ে আহত বাবলু (৩০) নামে এক জেলে টানা ৯ দিন মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই করে অবশেষে মারা গেছেন। অর্থাভাবে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা করাতে না পেরে তাকে বাড়ি ফিরিয়ে আনার পর শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। নিহত বাবলু উপজেলার সৈয়দপুর ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের মৃত আহমদ আলীর ছেলে। তিনি দুই সন্তানের জনক ছিলেন। পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রায় ৯ দিন আগে মেঘনা নদীতে মাছ ধরে বাড়ি ফেরার পথে একটি বিষধর সাপ বাবলুকে কামড় দেয়। পরে স্থানীয়রা দ্রুত তাকে দৌলতখান উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ভোলা সদর হাসপাতালে পাঠান। ভোলা সদর হাসপাতালে অবস্থার অবনতি হলে তাকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। সেখান থেকেও উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। বাবলুর স্ত্রী সুরমা বেগম জানান, চিকিৎসকরা তাকে জানিয়েছেন, সাপের বিষে বাবলুর একটি পা ও কিডনি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সুস্থ হয়ে ওঠার জন্য দীর্ঘমেয়াদি চিকিৎসা, নিয়মিত পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও ওষুধের প্রয়োজন ছিল। এসব মিলিয়

ভোলায় সাপের কামড়ে জেলের মৃত্যু

ভোলার দৌলতখানে মেঘনা নদীতে বিষধর সাপের কামড়ে আহত বাবলু (৩০) নামে এক জেলে টানা ৯ দিন মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই করে অবশেষে মারা গেছেন। অর্থাভাবে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা করাতে না পেরে তাকে বাড়ি ফিরিয়ে আনার পর শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি।

নিহত বাবলু উপজেলার সৈয়দপুর ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের মৃত আহমদ আলীর ছেলে। তিনি দুই সন্তানের জনক ছিলেন।

পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রায় ৯ দিন আগে মেঘনা নদীতে মাছ ধরে বাড়ি ফেরার পথে একটি বিষধর সাপ বাবলুকে কামড় দেয়। পরে স্থানীয়রা দ্রুত তাকে দৌলতখান উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ভোলা সদর হাসপাতালে পাঠান।

ভোলা সদর হাসপাতালে অবস্থার অবনতি হলে তাকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। সেখান থেকেও উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়।

বাবলুর স্ত্রী সুরমা বেগম জানান, চিকিৎসকরা তাকে জানিয়েছেন, সাপের বিষে বাবলুর একটি পা ও কিডনি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সুস্থ হয়ে ওঠার জন্য দীর্ঘমেয়াদি চিকিৎসা, নিয়মিত পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও ওষুধের প্রয়োজন ছিল। এসব মিলিয়ে প্রায় ৩ লাখ টাকা ব্যয় হতে পারে বলে চিকিৎসকেরা জানান। পাশাপাশি রক্তশূন্যতা দেখা দেওয়ায় চিকিৎসার খরচ আরও বেড়ে যায়।

অর্থাভাবে চিকিৎসা চালিয়ে যাওয়া সম্ভব না হওয়ায় দুই দিন আগে তাকে বাড়িতে নিয়ে আসেন স্বজনরা। অবশেষে রোববার সন্ধ্যায় নিজ বাড়িতেই তার মৃত্যু হয়।

বাবলুর মৃত্যুতে পরিবারে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। স্থানীয়দের দাবি, আর্থিক সহায়তা সময়মতো পাওয়া গেলে হয়তো তার চিকিৎসা আরও দীর্ঘ সময় চালিয়ে নেওয়া সম্ভব হতো।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow