ভোলার চরাঞ্চলে কালবৈশাখীর তাণ্ডব, বসতঘর-দোকান লন্ডভন্ড

ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার বিচ্ছিন্ন ইউনিয়ন ঢালচরে হঠাৎ কালবৈশাখী ঝড়ের তাণ্ডবে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। শুক্রবার (১ মে) গভীর রাত আনুমানিক ১টার দিকে শুরু হওয়া এই ঝড়ে ইউনিয়নের পূর্ব ঢালচর এলাকার অন্তত ৩৫টি মাছের আড়ত, দোকান ও বসতঘর আংশিক বা পুরোপুরি বিধ্বস্ত হয়ে লন্ডভন্ড হয়ে গেছে। ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ী ও বাসিন্দারা জানিয়েছেন, প্রচণ্ড বাতাস ও বৃষ্টিতে এলাকার মো. বাসার হাওলাদার, জাহাঙ্গীর পাটওয়ারী, নূরন্নবীসহ অনেকের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও ঘরের টিনের চালা উড়ে গেছে। ঘূর্ণিঝড়ের সময় সবাই দ্রুত নিরাপদ আশ্রয়ে চলে যাওয়ায় কোনো প্রাণহানির ঘটনা ঘটেনি। তবে ঘরবাড়ি ও মালামাল নষ্ট হয়ে যাওয়ায় প্রায় ১৫ থেকে ২০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেছেন স্থানীয়রা। তারা জানান, ঢালচরের এই বাসিন্দাদের অধিকাংশই মৎস্য শিকার ও ব্যবসার ওপর নির্ভরশীল। ইলিশের মৌসুমকে সামনে রেখে এনজিও বা ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়ে তারা ঘরবাড়ি ও আড়ত মেরামত করেছিলেন, কিন্তু এই প্রাকৃতিক দুর্যোগ তাদের নিঃস্ব করে দিয়েছে। ক্ষতিগ্রস্তরা এখন জরুরি ভিত্তিতে সরকারি সহযোগিতার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে চরফ্যাশন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রুমানা আফরোজ জানিয়েছেন,

ভোলার চরাঞ্চলে কালবৈশাখীর তাণ্ডব, বসতঘর-দোকান লন্ডভন্ড

ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার বিচ্ছিন্ন ইউনিয়ন ঢালচরে হঠাৎ কালবৈশাখী ঝড়ের তাণ্ডবে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

শুক্রবার (১ মে) গভীর রাত আনুমানিক ১টার দিকে শুরু হওয়া এই ঝড়ে ইউনিয়নের পূর্ব ঢালচর এলাকার অন্তত ৩৫টি মাছের আড়ত, দোকান ও বসতঘর আংশিক বা পুরোপুরি বিধ্বস্ত হয়ে লন্ডভন্ড হয়ে গেছে।

ভোলার চরাঞ্চলে কালবৈশাখীর তাণ্ডব, বসতঘর-দোকান লন্ডভন্ড

ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ী ও বাসিন্দারা জানিয়েছেন, প্রচণ্ড বাতাস ও বৃষ্টিতে এলাকার মো. বাসার হাওলাদার, জাহাঙ্গীর পাটওয়ারী, নূরন্নবীসহ অনেকের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও ঘরের টিনের চালা উড়ে গেছে। ঘূর্ণিঝড়ের সময় সবাই দ্রুত নিরাপদ আশ্রয়ে চলে যাওয়ায় কোনো প্রাণহানির ঘটনা ঘটেনি। তবে ঘরবাড়ি ও মালামাল নষ্ট হয়ে যাওয়ায় প্রায় ১৫ থেকে ২০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেছেন স্থানীয়রা।

তারা জানান, ঢালচরের এই বাসিন্দাদের অধিকাংশই মৎস্য শিকার ও ব্যবসার ওপর নির্ভরশীল। ইলিশের মৌসুমকে সামনে রেখে এনজিও বা ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়ে তারা ঘরবাড়ি ও আড়ত মেরামত করেছিলেন, কিন্তু এই প্রাকৃতিক দুর্যোগ তাদের নিঃস্ব করে দিয়েছে। ক্ষতিগ্রস্তরা এখন জরুরি ভিত্তিতে সরকারি সহযোগিতার দাবি জানিয়েছেন।

ভোলার চরাঞ্চলে কালবৈশাখীর তাণ্ডব, বসতঘর-দোকান লন্ডভন্ড

এ বিষয়ে চরফ্যাশন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রুমানা আফরোজ জানিয়েছেন, ক্ষয়ক্ষতির বিষয়টি খোঁজ নিয়ে দ্রুত একটি তালিকা তৈরি করা হবে এবং প্রয়োজনীয় সহায়তার জন্য জেলা প্রশাসকের কাছে পাঠানো হবে।

জুয়েল সাহা বিকাশ/কেএইচকে/এএসএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow