ভ্রাম্যমাণ আদালতের কার্যকারিতা বাড়াতে উচ্চপর্যায়ের কমিটি
ভ্রাম্যমাণ আদালতের কার্যকারিতা বৃদ্ধি এবং এ সংক্রান্ত আইনগত, নীতিগত ও প্রাতিষ্ঠানিক প্রতিবন্ধকতা দূর করতে সুপারিশ দিতে সাত সদস্যের একটি উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন করেছে সরকার। রোববার (১২ জুলাই) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। সাত সদস্যের কমিটিতে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী, মন্ত্রিপরিষদ সচিব, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সচিব, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিব, অর্থ বিভাগের সচিব এবং লেজিসলেটিভ ও সংসদবিষয়ক বিভাগের সচিব কমিটির সদস্য থাকবেন। কমিটিকে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, বিভাগ, দপ্তর ও সংস্থার আওতায় পরিচালিত ভ্রাম্যমাণ আদালত সংক্রান্ত আইনগত, নীতিগত ও প্রাতিষ্ঠানিক প্রতিবন্ধকতা চিহ্নিত করে সেগুলো উত্তরণে স্বল্পমেয়াদি, মধ্যমেয়াদি ও দীর্ঘমেয়াদি সুপারিশ প্রণয়নের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে মোবাইল কোর্ট পরিচালনার সহায়ক ব্যবস্থা, প্রয়োজনীয় উপকরণ এবং আনুষঙ্গিক সহায়তা নিশ্চিত করার বিষয়েও সুপারিশ করবে কমিটি। প্রয়োজন অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়, বিভাগ, দপ্তর, সংস্থা বা অন্য প্রতিষ্ঠানের
ভ্রাম্যমাণ আদালতের কার্যকারিতা বৃদ্ধি এবং এ সংক্রান্ত আইনগত, নীতিগত ও প্রাতিষ্ঠানিক প্রতিবন্ধকতা দূর করতে সুপারিশ দিতে সাত সদস্যের একটি উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন করেছে সরকার। রোববার (১২ জুলাই) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।
সাত সদস্যের কমিটিতে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী, মন্ত্রিপরিষদ সচিব, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সচিব, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিব, অর্থ বিভাগের সচিব এবং লেজিসলেটিভ ও সংসদবিষয়ক বিভাগের সচিব কমিটির সদস্য থাকবেন।
কমিটিকে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, বিভাগ, দপ্তর ও সংস্থার আওতায় পরিচালিত ভ্রাম্যমাণ আদালত সংক্রান্ত আইনগত, নীতিগত ও প্রাতিষ্ঠানিক প্রতিবন্ধকতা চিহ্নিত করে সেগুলো উত্তরণে স্বল্পমেয়াদি, মধ্যমেয়াদি ও দীর্ঘমেয়াদি সুপারিশ প্রণয়নের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
একই সঙ্গে মোবাইল কোর্ট পরিচালনার সহায়ক ব্যবস্থা, প্রয়োজনীয় উপকরণ এবং আনুষঙ্গিক সহায়তা নিশ্চিত করার বিষয়েও সুপারিশ করবে কমিটি।
প্রয়োজন অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়, বিভাগ, দপ্তর, সংস্থা বা অন্য প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি কিংবা বিশেষজ্ঞদের সভায় আমন্ত্রণ জানাতে পারবে কমিটি। প্রয়োজন অনুসারে সভা আহ্বান করা হবে এবং মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের জেলা ও মাঠ প্রশাসন অনুবিভাগ কমিটিকে সাচিবিক সহায়তা দেবে।
আরএমএম/এমকেআর
What's Your Reaction?