মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনার মধ্যেই তেল উৎপাদন বাড়ানোর ঘোষণা ওপেক প্লাসের
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার পর গোটা মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে ইরানের পাল্টা আক্রমণের প্রেক্ষাপটে প্রত্যাশার চেয়ে বেশি তেল উৎপাদন কোটা বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে পেট্রোলিয়াম রপ্তানিকারক দেশগুলোর সংস্থা ওপেক ও এর সহযোগী ১০টি তেল উৎপাদনকারী দেশের জোট ওপেক প্লাস। জোটের স্বেচ্ছাসেবী উৎপাদক গোষ্ঠী ভি৮, যার মধ্যে রয়েছে প্রধান তেল উৎপাদক সৌদি আরব ও রাশিয়া, পাশাপাশি ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার সবচেয়ে বেশি চাপ সামলানো কয়েকটি উপসাগরীয় দেশও দৈনিক ২ লাখ ৬ হাজার ব্যারেল তেল উৎপাদন ‘সমন্বয়’ করতে সম্মত হয়েছে। জোট জানায়, এই সমন্বয় আগামী এপ্রিল থেকেই কার্যকর হবে। তাদের বিবৃতিতে সরাসরি ইরান সংঘাতের কথা উল্লেখ না থাকলেও ‘স্থিতিশীল বৈশ্বিক অর্থনৈতিক পূর্বাভাস’ ও ‘বর্তমানের শক্তিশালী বাজার ভিত্তিকে’ উৎপাদন বৃদ্ধির কারণ হিসেবে দেখানো হয়েছে। গত সপ্তাহের বৈঠকের আগে বিশেষজ্ঞরা ধারণা করেছিলেন দৈনিক ১ লাখ ৩৭ হাজার ব্যারেল পর্যন্ত বাড়তে পারে উৎপাদন। এদিকে, রিস্ট্যাড এনার্জির বিশ্লেষক হোর্হে লিয়ন সতর্ক করে বলেছেন, এই সম্মত বৃদ্ধি সম্ভবত যথেষ্ট নাও হতে পারে। বিশেষ করে, সোমবার (২ মার্চ) বাজার খোলার পর ইরান সংঘাত তেলের দামে বড় ধর
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার পর গোটা মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে ইরানের পাল্টা আক্রমণের প্রেক্ষাপটে প্রত্যাশার চেয়ে বেশি তেল উৎপাদন কোটা বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে পেট্রোলিয়াম রপ্তানিকারক দেশগুলোর সংস্থা ওপেক ও এর সহযোগী ১০টি তেল উৎপাদনকারী দেশের জোট ওপেক প্লাস।
জোটের স্বেচ্ছাসেবী উৎপাদক গোষ্ঠী ভি৮, যার মধ্যে রয়েছে প্রধান তেল উৎপাদক সৌদি আরব ও রাশিয়া, পাশাপাশি ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার সবচেয়ে বেশি চাপ সামলানো কয়েকটি উপসাগরীয় দেশও দৈনিক ২ লাখ ৬ হাজার ব্যারেল তেল উৎপাদন ‘সমন্বয়’ করতে সম্মত হয়েছে।
জোট জানায়, এই সমন্বয় আগামী এপ্রিল থেকেই কার্যকর হবে। তাদের বিবৃতিতে সরাসরি ইরান সংঘাতের কথা উল্লেখ না থাকলেও ‘স্থিতিশীল বৈশ্বিক অর্থনৈতিক পূর্বাভাস’ ও ‘বর্তমানের শক্তিশালী বাজার ভিত্তিকে’ উৎপাদন বৃদ্ধির কারণ হিসেবে দেখানো হয়েছে।
গত সপ্তাহের বৈঠকের আগে বিশেষজ্ঞরা ধারণা করেছিলেন দৈনিক ১ লাখ ৩৭ হাজার ব্যারেল পর্যন্ত বাড়তে পারে উৎপাদন।
এদিকে, রিস্ট্যাড এনার্জির বিশ্লেষক হোর্হে লিয়ন সতর্ক করে বলেছেন, এই সম্মত বৃদ্ধি সম্ভবত যথেষ্ট নাও হতে পারে। বিশেষ করে, সোমবার (২ মার্চ) বাজার খোলার পর ইরান সংঘাত তেলের দামে বড় ধরনের উর্ধ্বগতি সৃষ্টি করতে পারে।
তিনি ইঙ্গিত দেন, ইরান চাইলে হরমুজ প্রণালিকে লক্ষ্যবস্তু করতে পারে, যা বিশ্বের সমুদ্রপথে পরিবহন হওয়া মোট তেল সরবরাহের প্রায় এক-চতুর্থাংশের প্রধান রুট।
সূত্র: আল-জাজিরা
এসএএইচ
What's Your Reaction?