‘মধ্যপ্রাচ্যে কফিন এখন মার্কিন সেনাদের সামরিক সরঞ্জামের অংশ’

ইরানের খাতাম আল-আনবিয়া কেন্দ্রীয় সদর দপ্তরের প্রধান মেজর জেনারেল আলি আবদুল্লাহি বলেছেন, মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থানরত মার্কিন বাহিনী ও তাদের মিত্ররা এখন বুঝে গেছে যে তাদের সামরিক সরঞ্জামের অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে উঠেছে কফিন। একই সঙ্গে তিনি প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আলি খামেনির ‘আঘাত করে পালিয়ে যাওয়ার যুগ শেষ’ সেই ঐতিহাসিক ঘোষণারও পুনর্ব্যক্ত করেন। খবর আইআরএনএর। শুক্রবার (৩১ জুলাই) দেওয়া এক বার্তায় মেজর জেনারেল আবদুল্লাহি বলেন, আমেরিকানরা এবং তাদের ভাড়াটে বাহিনী আজ গভীরভাবে উপলব্ধি করেছে যে এই অঞ্চলে তাদের সামরিক সরঞ্জামের অংশই হলো কফিন। তিনি ইসলামি বিপ্লবের প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির বক্তব্য স্মরণ করে বলেন, সেই প্রবীণ পথপ্রদর্শক ও প্রয়াত নেতা ঘোষণা করেছিলেন, আঘাত করে কোনো মূল্য না দিয়ে পালিয়ে যাওয়ার সময় শেষ হয়ে গেছে। ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর সমন্বয়কারী সর্বোচ্চ অপারেশনাল কমান্ড ইউনিটের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করা আবদুল্লাহি বরাবরই যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েল এবং তাদের আঞ্চলিক মিত্রদের যেকোনো ভুল হিসাব-নিকাশ থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানিয়ে আসছেন। ইরানের সামরিক কর্মকর্তারা বারবার দাবি করেছে

‘মধ্যপ্রাচ্যে কফিন এখন মার্কিন সেনাদের সামরিক সরঞ্জামের অংশ’

ইরানের খাতাম আল-আনবিয়া কেন্দ্রীয় সদর দপ্তরের প্রধান মেজর জেনারেল আলি আবদুল্লাহি বলেছেন, মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থানরত মার্কিন বাহিনী ও তাদের মিত্ররা এখন বুঝে গেছে যে তাদের সামরিক সরঞ্জামের অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে উঠেছে কফিন। একই সঙ্গে তিনি প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আলি খামেনির ‘আঘাত করে পালিয়ে যাওয়ার যুগ শেষ’ সেই ঐতিহাসিক ঘোষণারও পুনর্ব্যক্ত করেন। খবর আইআরএনএর।

শুক্রবার (৩১ জুলাই) দেওয়া এক বার্তায় মেজর জেনারেল আবদুল্লাহি বলেন, আমেরিকানরা এবং তাদের ভাড়াটে বাহিনী আজ গভীরভাবে উপলব্ধি করেছে যে এই অঞ্চলে তাদের সামরিক সরঞ্জামের অংশই হলো কফিন।

তিনি ইসলামি বিপ্লবের প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির বক্তব্য স্মরণ করে বলেন, সেই প্রবীণ পথপ্রদর্শক ও প্রয়াত নেতা ঘোষণা করেছিলেন, আঘাত করে কোনো মূল্য না দিয়ে পালিয়ে যাওয়ার সময় শেষ হয়ে গেছে।

ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর সমন্বয়কারী সর্বোচ্চ অপারেশনাল কমান্ড ইউনিটের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করা আবদুল্লাহি বরাবরই যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েল এবং তাদের আঞ্চলিক মিত্রদের যেকোনো ভুল হিসাব-নিকাশ থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানিয়ে আসছেন।

ইরানের সামরিক কর্মকর্তারা বারবার দাবি করেছেন, এ অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্র ও তাদের মিত্রদের সামরিক উপস্থিতি আগ্রাসীদের জন্য ব্যয় ও ঝুঁকি আরও বাড়িয়ে দিচ্ছে। তাদের মতে, ইরানি জনগণ এবং প্রতিরোধ অক্ষের দৃঢ় প্রতিরোধই সেই বাস্তবতাকে আরও স্পষ্ট করে তুলেছে।

সূত্র : আইআরএনএ

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow