মধ্যপ্রাচ্যে সংকটের কারণে মজুত থেকে তেল ছাড়বে জাপান

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের কারণে জ্বালানি সরবরাহে বিঘ্ন ঘটায় বাজার স্থিতিশীল রাখতে মজুত থেকে তেল ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে জাপান। সোমবার (১৬ মার্চ) থেকে এই তেল বাজারে ছাড়া শুরু হবে বলে জানিয়েছে দেশটির সরকার। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে ইরানের সংঘাতের প্রভাব পড়েছে গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথ হরমুজ প্রণালিতে। এই পথ দিয়ে জাপানের বড় অংশের জ্বালানি আসে। ফলে যুদ্ধের কারণে সরবরাহ ব্যাহত হওয়ায় দেশটিতে পেট্রোলের দাম বাড়তে শুরু করেছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে জাপান প্রায় ৮ কোটি ব্যারেল তেল মজুত থেকে ছাড়ার পরিকল্পনা করেছে, যা দেশটির প্রায় ৪৫ দিনের চাহিদার সমান। সরকার তেল পরিশোধনকারী কোম্পানিগুলোকে এই তেল ব্যবহার করে অভ্যন্তরীণ সরবরাহ নিশ্চিত করার নির্দেশ দিয়েছে। জাপানের অর্থনীতি, বাণিজ্য ও শিল্প মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এতে দেশের মোট তেল মজুত প্রায় ১৭ শতাংশ কমে যাবে। এই উদ্যোগটি আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের অংশ হিসেবেও হতে পারে। আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থা যুদ্ধজনিত সরবরাহ সংকট মোকাবিলায় বিশ্বব্যাপী প্রায় ৪০ কোটি ব্যারেল তেল ছাড়ার পরিকল্পনা করছে। বিশ্লেষকদের মতে, এই তেল ছাড়ার সিদ্ধান্ত স্বল্পমেয়াদে সরবরাহ ও দাম স্থিতিশীল রা

মধ্যপ্রাচ্যে সংকটের কারণে মজুত থেকে তেল ছাড়বে জাপান

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের কারণে জ্বালানি সরবরাহে বিঘ্ন ঘটায় বাজার স্থিতিশীল রাখতে মজুত থেকে তেল ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে জাপান। সোমবার (১৬ মার্চ) থেকে এই তেল বাজারে ছাড়া শুরু হবে বলে জানিয়েছে দেশটির সরকার।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে ইরানের সংঘাতের প্রভাব পড়েছে গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথ হরমুজ প্রণালিতে। এই পথ দিয়ে জাপানের বড় অংশের জ্বালানি আসে। ফলে যুদ্ধের কারণে সরবরাহ ব্যাহত হওয়ায় দেশটিতে পেট্রোলের দাম বাড়তে শুরু করেছে।

পরিস্থিতি সামাল দিতে জাপান প্রায় ৮ কোটি ব্যারেল তেল মজুত থেকে ছাড়ার পরিকল্পনা করেছে, যা দেশটির প্রায় ৪৫ দিনের চাহিদার সমান। সরকার তেল পরিশোধনকারী কোম্পানিগুলোকে এই তেল ব্যবহার করে অভ্যন্তরীণ সরবরাহ নিশ্চিত করার নির্দেশ দিয়েছে।

জাপানের অর্থনীতি, বাণিজ্য ও শিল্প মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এতে দেশের মোট তেল মজুত প্রায় ১৭ শতাংশ কমে যাবে।

এই উদ্যোগটি আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের অংশ হিসেবেও হতে পারে। আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থা যুদ্ধজনিত সরবরাহ সংকট মোকাবিলায় বিশ্বব্যাপী প্রায় ৪০ কোটি ব্যারেল তেল ছাড়ার পরিকল্পনা করছে।

বিশ্লেষকদের মতে, এই তেল ছাড়ার সিদ্ধান্ত স্বল্পমেয়াদে সরবরাহ ও দাম স্থিতিশীল রাখতে সাহায্য করবে। তবে হরমুজ প্রণালি দীর্ঘ সময় বন্ধ বা অচল থাকলে তা পুরোপুরি সংকট মোকাবিলা করতে পারবে না।

১৯৭০-এর দশকের তেল সংকটের পর ১৯৭৮ সালে জাপান জাতীয় তেল মজুত ব্যবস্থা চালু করে। বর্তমানে দেশটির মজুত তেল দিয়ে প্রায় ২৫৪ দিনের চাহিদা পূরণ করা সম্ভব।

সূত্র: রয়টার্স

এমএসএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow