মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত, উদ্বিগ্ন প্রবাসী বাংলাদেশিরা

ইরানের সঙ্গে ইজরায়েল এবং যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সামরিক উত্তেজনা ও পাল্টাপাল্টি হামলার ঘটনায় উদ্বেগ ও আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন উপসাগরীয় দেশগুলোতে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশিরা। আকাশপথে ক্ষেপণাস্ত্র চলাচল, সামরিক ঘাঁটিতে হামলা এবং নিরাপত্তা সতর্কতা জারির কারণে উদ্বিগ্ন প্রবাসীরা। কাতারে অবস্থানরত প্রবাসী ইয়াসিন হামিদ মোবাইলফোনে জাগো নিউজকে বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটিতে হামলার পর জোরে বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। মনে হচ্ছিল ভূমিকম্প হচ্ছে। ভয় লাগছে অনেক। কাতারের সানাইয়া এলাকায় কর্মরত বাংলাদেশি শ্রমিক হারুনুর রশিদ জাগো নিউজকে বলেন, স্থানীয় সময় বেলা ১১টার দিকে হামলা শুরু হয়। আমাদের সানাইয়া থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ঘাঁটি এক ঘণ্টা দূরে। মরুভূমি, সাগরের কাছে ঘাঁটি, তাই হয়ত আমাদের ক্ষয়ক্ষতির আশংকা নেই। তবুও ভয় লাগছে। মিসাইল যখন যায় আমরা দেখতে পাই। বাইরে বের হলেই বোঝা যায় যুদ্ধের অস্ত্র কীভাবে আকাশে যাচ্ছে। তিনি আরও বলেন, সবার মধ্যে এক ধরনের শঙ্কা কাজ করছে। কোনো মিসাইল ভেঙে বা অকেজো হয়ে শহরের মধ্যে পড়ে গেলে প্রাণহানির আশঙ্কা রয়েছে। অন্যদিকে আরব আমিরাতে থাকা প্রবাসী আরিফ জানান, ফ্লাইট ও এয়ারপোর্ট অনেক জায়

মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত, উদ্বিগ্ন প্রবাসী বাংলাদেশিরা

ইরানের সঙ্গে ইজরায়েল এবং যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সামরিক উত্তেজনা ও পাল্টাপাল্টি হামলার ঘটনায় উদ্বেগ ও আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন উপসাগরীয় দেশগুলোতে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশিরা। আকাশপথে ক্ষেপণাস্ত্র চলাচল, সামরিক ঘাঁটিতে হামলা এবং নিরাপত্তা সতর্কতা জারির কারণে উদ্বিগ্ন প্রবাসীরা।

কাতারে অবস্থানরত প্রবাসী ইয়াসিন হামিদ মোবাইলফোনে জাগো নিউজকে বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটিতে হামলার পর জোরে বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। মনে হচ্ছিল ভূমিকম্প হচ্ছে। ভয় লাগছে অনেক।

কাতারের সানাইয়া এলাকায় কর্মরত বাংলাদেশি শ্রমিক হারুনুর রশিদ জাগো নিউজকে বলেন, স্থানীয় সময় বেলা ১১টার দিকে হামলা শুরু হয়। আমাদের সানাইয়া থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ঘাঁটি এক ঘণ্টা দূরে। মরুভূমি, সাগরের কাছে ঘাঁটি, তাই হয়ত আমাদের ক্ষয়ক্ষতির আশংকা নেই। তবুও ভয় লাগছে। মিসাইল যখন যায় আমরা দেখতে পাই। বাইরে বের হলেই বোঝা যায় যুদ্ধের অস্ত্র কীভাবে আকাশে যাচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, সবার মধ্যে এক ধরনের শঙ্কা কাজ করছে। কোনো মিসাইল ভেঙে বা অকেজো হয়ে শহরের মধ্যে পড়ে গেলে প্রাণহানির আশঙ্কা রয়েছে।

অন্যদিকে আরব আমিরাতে থাকা প্রবাসী আরিফ জানান, ফ্লাইট ও এয়ারপোর্ট অনেক জায়গায় বন্ধ বা সীমিত করা হয়েছে। রাস্তায় মানুষ খুবই কম। আমরা যারা শ্রমিক আছি, ডিউটিতে আসা–যাওয়া ছাড়া অন্য কোথাও যাচ্ছি না।

এদিকে নিরাপদে থাকতে প্রবাসী বাংলাদেশির বিভিন্ন নির্দেশনা দিচ্ছেন মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর বাংলাদেশি হাইকমিশন। এছাড়া বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়েছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

আরএএস/এনএইচআর

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow