মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর সঙ্গে মিল রেখে গাইবান্ধায় ঈদ উদযাপন

চাঁদ দেখার ভিন্নতার কারণে দেশের প্রচলিত সময়সূচির বাইরে গিয়ে সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর সঙ্গে মিল রেখে গাইবান্ধার পলাশবাড়ীর একটি গ্রামে সীমিত পরিসরে পবিত্র ঈদুল ফিতরের নামাজ আদায় করেছেন সহিহ হাদিস অনুসারী মুসল্লিরা। শুক্রবার (২০ মার্চ) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে জেলার সহিহ হাদিস অনুসারী মুসল্লিরা উপজেলার মনোহরপুর ইউনিয়নের তালুক ঘোড়াবান্দা গ্রামে একটি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের ছাদে ঈদের নামাজ আদায় করেন। ঈদের জামাতে ইমামতি ও খুৎবা পাঠ করেন আমিনুল ইসলাম। নামাজে জেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে আগত শিশুসহ প্রায় ৩০ থেকে ৪০ জন মুসল্লি অংশ নেন। এর আগে সকাল থেকেই সদর উপজেলা, পলাশবাড়ী ও সাদুল্লাপুর উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে মুসল্লিরা তালুক ঘোড়াবান্দা মধ্যপাড়ায় জড়ো হতে থাকেন। নামাজে অংশ নেওয়া তালুক ঘোড়াবান্দা গ্রামের সাহারুল ইসলাম ও সোলায়মান জানান, সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে ঈদের নামাজ আদায় করতে তারা এখানে এসেছেন। তারা বলেন, “আমরা দীর্ঘদিন ধরেই এভাবে ঈদ উদযাপন করে আসছি।” একই গ্রামের বাসিন্দা মোস্তফা বলেন, “আমাদের গ্রামের ৮-১০টি পরিবার মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর সঙ্গে মিল রেখে ঈদ উদযাপন করে আসছে।” গাইবান্ধা সদর উপজ

মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর সঙ্গে মিল রেখে গাইবান্ধায় ঈদ উদযাপন

চাঁদ দেখার ভিন্নতার কারণে দেশের প্রচলিত সময়সূচির বাইরে গিয়ে সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর সঙ্গে মিল রেখে গাইবান্ধার পলাশবাড়ীর একটি গ্রামে সীমিত পরিসরে পবিত্র ঈদুল ফিতরের নামাজ আদায় করেছেন সহিহ হাদিস অনুসারী মুসল্লিরা।

শুক্রবার (২০ মার্চ) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে জেলার সহিহ হাদিস অনুসারী মুসল্লিরা উপজেলার মনোহরপুর ইউনিয়নের তালুক ঘোড়াবান্দা গ্রামে একটি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের ছাদে ঈদের নামাজ আদায় করেন।

ঈদের জামাতে ইমামতি ও খুৎবা পাঠ করেন আমিনুল ইসলাম। নামাজে জেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে আগত শিশুসহ প্রায় ৩০ থেকে ৪০ জন মুসল্লি অংশ নেন।

এর আগে সকাল থেকেই সদর উপজেলা, পলাশবাড়ী ও সাদুল্লাপুর উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে মুসল্লিরা তালুক ঘোড়াবান্দা মধ্যপাড়ায় জড়ো হতে থাকেন।

নামাজে অংশ নেওয়া তালুক ঘোড়াবান্দা গ্রামের সাহারুল ইসলাম ও সোলায়মান জানান, সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে ঈদের নামাজ আদায় করতে তারা এখানে এসেছেন। তারা বলেন, “আমরা দীর্ঘদিন ধরেই এভাবে ঈদ উদযাপন করে আসছি।”

একই গ্রামের বাসিন্দা মোস্তফা বলেন, “আমাদের গ্রামের ৮-১০টি পরিবার মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর সঙ্গে মিল রেখে ঈদ উদযাপন করে আসছে।”

গাইবান্ধা সদর উপজেলার হাসপাতাল বালুয়া এলাকার সেলিম জানান, “প্রায় ১০ বছর ধরে আমরা পরিবারসহ সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে ঈদের নামাজ আদায় করে আসছি।”

একই উপজেলার বড় দুর্গাপুর গ্রামের আব্বাস আলী বলেন, “আমি ও আমার বাবাসহ পরিবারের সদস্যরা এখানে ঈদের নামাজ আদায় করেছি। প্রায় সাত বছর ধরে আমরা এভাবে ঈদ পালন করছি।”

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow