মন্ত্রণালয়ে এসে ফুলেল শুভেচ্ছা গ্রহণ করলেন না আহমেদ আযম খান

নিয়োগ পাওয়ার পর মন্ত্রণালয়ে প্রথম দিন এসে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দেওয়া ফুলের শুভেচ্ছা গ্রহণ করেননি মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আযম খান। রোববার (১৫ মার্চ) রাজধানীর পরিবহন পুল ভবনে প্রথম অফিসে আসলে মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা নবনিযুক্ত মন্ত্রীকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানাতে চাইলে তিনি তা গ্রহণ না করে বিনয়ের সঙ্গে সবাইকে ধন্যবাদ জানান। মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ (বীর বিক্রম) স্পিকার হিসেবে নিয়োগ পাওয়ার পর গত ১২ মার্চ নতুন মন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন টাঙ্গাইল-৮ আসনের সংসদ সদস্য আহমেদ আযম খান। এরপর তাকে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ফুলেল শুভেচ্ছা গ্রহণ না করা প্রসঙ্গে মন্ত্রী (আহমেদ আযম খান) বলেন, প্রধানমন্ত্রী চান না যে আনুষ্ঠানিকতার অংশ হিসেবে ফুল বিনিময়ের মাধ্যমে অপ্রয়োজনীয় অর্থ ব্যয় হোক। বিভিন্ন সমীক্ষায় দেখা গেছে, দেশে শুধুমাত্র আনুষ্ঠানিকতা পালনের ক্ষেত্রেই

মন্ত্রণালয়ে এসে ফুলেল শুভেচ্ছা গ্রহণ করলেন না আহমেদ আযম খান

নিয়োগ পাওয়ার পর মন্ত্রণালয়ে প্রথম দিন এসে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দেওয়া ফুলের শুভেচ্ছা গ্রহণ করেননি মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আযম খান। রোববার (১৫ মার্চ) রাজধানীর পরিবহন পুল ভবনে প্রথম অফিসে আসলে মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা নবনিযুক্ত মন্ত্রীকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানাতে চাইলে তিনি তা গ্রহণ না করে বিনয়ের সঙ্গে সবাইকে ধন্যবাদ জানান।

মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ (বীর বিক্রম) স্পিকার হিসেবে নিয়োগ পাওয়ার পর গত ১২ মার্চ নতুন মন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন টাঙ্গাইল-৮ আসনের সংসদ সদস্য আহমেদ আযম খান। এরপর তাকে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।

মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ফুলেল শুভেচ্ছা গ্রহণ না করা প্রসঙ্গে মন্ত্রী (আহমেদ আযম খান) বলেন, প্রধানমন্ত্রী চান না যে আনুষ্ঠানিকতার অংশ হিসেবে ফুল বিনিময়ের মাধ্যমে অপ্রয়োজনীয় অর্থ ব্যয় হোক। বিভিন্ন সমীক্ষায় দেখা গেছে, দেশে শুধুমাত্র আনুষ্ঠানিকতা পালনের ক্ষেত্রেই বছরে প্রায় ১৮ কোটি টাকা ফুলের পেছনে ব্যয় হয়, যা তিনি অপ্রয়োজনীয় ও বিলাসী ব্যয় হিসেবে উল্লেখ করেন। তাই এমন ব্যয় এড়িয়ে সাশ্রয়ী ও কার্যকর দৃষ্টান্ত স্থাপনের প্রয়োজনীয়তার ওপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন।

এরপর তিনি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের উদ্দেশ্যে মতবিনিময় করেন। মন্ত্রী এ সময় বলেন, মুক্তিযুদ্ধ বাংলাদেশের হাজার বছরের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় এবং গৌরবময় অর্জন। তিনি মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে সমুন্নত রেখে মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রম পরিচালনার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন।

তিনি বলেন, মুক্তিযুদ্ধ শুধু একটি ঐতিহাসিক ঘটনা নয়, এটি জাতির আত্মপরিচয় ও গৌরবের প্রতীক। তাই মুক্তিযুদ্ধের আদর্শ ও মূল্যবোধকে ধারণ করেই মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রম পরিচালিত হবে। অভিজ্ঞ কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সহযোগিতা নিয়ে মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করতে চান বলেও জানান মন্ত্রী।

মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব ইসরাত চৌধুরীসহ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা সভায় উপস্থিত ছিলেন। এ সময় কর্মকর্তারা মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রম বাস্তবায়নে সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস দেন এবং মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে সমুন্নত রাখতে একযোগে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

আরএমএম/এমএমকে

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow