মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের কর্মকর্তা বরখাস্ত
দীর্ঘদিন অনুমতি ছাড়া কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকার অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় এক প্রশাসনিক কর্মকর্তাকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮ অনুযায়ী তার বিরুদ্ধে ‘পলায়ন’-এর অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় এ শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। রোববার (১৯ জুলাই) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সাধারণ সেবা-১ অধিশাখার প্রশাসনিক কর্মকর্তা মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ ২০২৫ সালের ৬ আগস্ট থেকে কর্তৃপক্ষের পূর্বানুমতি ছাড়া কর্মস্থলে অনুপস্থিত ছিলেন। বিষয়টি জানার পর ২০২৫ সালের ৩০ অক্টোবর তাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়। তবে তার ব্যাখ্যা সন্তোষজনক না হওয়ায় সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮-এর ৩(গ) বিধি অনুযায়ী ‘পলায়ন’-এর অভিযোগে বিভাগীয় মামলা রুজু করা হয়। পরে ২০২৫ সালের ১৮ ডিসেম্বর তার কাছে অভিযোগপত্র ও অভিযোগের বিবরণ পাঠানো হয়। তিনি চলতি বছরের ৬ জানুয়ারি লিখিত জবাব দাখিল করেন। সেই জবাবও সন্তোষজনক না হওয়ায় গত ১৩ জানুয়ারি একজন তদন্ত কর্মকর্তা নিয়োগ করা হয়।
দীর্ঘদিন অনুমতি ছাড়া কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকার অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় এক প্রশাসনিক কর্মকর্তাকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮ অনুযায়ী তার বিরুদ্ধে ‘পলায়ন’-এর অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় এ শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
রোববার (১৯ জুলাই) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সাধারণ সেবা-১ অধিশাখার প্রশাসনিক কর্মকর্তা মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ ২০২৫ সালের ৬ আগস্ট থেকে কর্তৃপক্ষের পূর্বানুমতি ছাড়া কর্মস্থলে অনুপস্থিত ছিলেন। বিষয়টি জানার পর ২০২৫ সালের ৩০ অক্টোবর তাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়। তবে তার ব্যাখ্যা সন্তোষজনক না হওয়ায় সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮-এর ৩(গ) বিধি অনুযায়ী ‘পলায়ন’-এর অভিযোগে বিভাগীয় মামলা রুজু করা হয়।
পরে ২০২৫ সালের ১৮ ডিসেম্বর তার কাছে অভিযোগপত্র ও অভিযোগের বিবরণ পাঠানো হয়। তিনি চলতি বছরের ৬ জানুয়ারি লিখিত জবাব দাখিল করেন। সেই জবাবও সন্তোষজনক না হওয়ায় গত ১৩ জানুয়ারি একজন তদন্ত কর্মকর্তা নিয়োগ করা হয়। তদন্ত শেষে ১০ ফেব্রুয়ারি দাখিল করা প্রতিবেদনে তার বিরুদ্ধে আনা ‘পলায়ন’-এর অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়।
এরপর ২ মার্চ তাকে দ্বিতীয়বার কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়। তিনি ১৬ মার্চ ওই নোটিশের জবাব দিলেও সেটিও গ্রহণযোগ্য বিবেচিত হয়নি। এর পরিপ্রেক্ষিতে সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮-এর ৪(৩)(ঘ) বিধি অনুযায়ী তাকে চাকরি থেকে বরখাস্তের প্রাথমিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়, প্রস্তাবিত শাস্তির বিষয়ে বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের পরামর্শ চাওয়া হলে কমিশন গত ৯ জুলাই পাঠানো মতামতে চাকরি থেকে বরখাস্তের পক্ষে সুপারিশ করে।
সব প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পর সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮-এর ৩(গ) বিধি অনুযায়ী ‘পলায়ন’-এর অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় একই বিধিমালার ৪(৩)(খ) বিধি অনুসারে মোহাম্মদ আব্দুল্লাহকে ২০২৫ সালের ৬ আগস্ট থেকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়েছে বলে প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়েছে।
What's Your Reaction?