বরগুনায় জোয়ারের পানি বেড়ে ডুবে গেছে ফেরিঘাটের গ্যাংওয়ে

উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন উত্তর ওড়িশা-পশ্চিমবঙ্গ উপকূলীয় এলাকায় অবস্থানরত লঘুচাপটি আরও ঘনীভূত হয়ে সুস্পষ্ট লঘুচাপে পরিণত হয়েছে। এর প্রভাবে উত্তাল রয়েছে সমুদ্র। গত ২সপ্তাহ ধরে পায়রাসহ দেশের সব সমুদ্র বন্দরে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত বহাল রেখেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। লঘুচাপ ও বৈরী আবহাওয়ার প্রভাবে উপকূলীয় জেলা বরগুনার পায়রা, বিষখালী ও বলেশ্বর নদীর পানি স্বাভাবিক জোয়ারের চেয়ে দুই থেকে তিন ফুট বৃদ্ধি পেয়েছে। পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় বরগুনার গুরুত্বপূর্ণ বড়ইতলা ও পুরকাটা ফেরিঘাটের গ্যাংওয়ে সড়ক সম্পূর্ণ ডুবে গেছে। তলিয়ে যাওয়া রাস্তা দিয়ে চলাচল করতে গিয়ে প্রতিনিয়ত বিকল হচ্ছে যানবাহন। ফলে প্রতিদিন হাজারো পথচারীকে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। ফেরিতে নিয়মিত যাতায়াত করা যাত্রীরা জানান, এই ফেরিঘাট থেকে প্রতি বছর সরকার কোটি কোটি টাকার রাজস্ব নেয়, অথচ জোয়ারের পানিতে যাতায়াতের রাস্তা ডুবে গেলেও কর্তৃপক্ষের কোনো ভ্রূক্ষেপ নেই। তাদের দাবি, দ্রুত এই রাস্তাটি আরও উঁচু করে নির্মাণ করে যেন মানুষের দুর্ভোগ লাঘব করা হয়। যাত্রীরা আরও জানান, জোয়ারের সময় এই সড়কটি দিয়ে চলাচল করা একেবারে অসম্ভব হয়ে পড়ে। পুর

বরগুনায় জোয়ারের পানি বেড়ে ডুবে গেছে ফেরিঘাটের গ্যাংওয়ে

উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন উত্তর ওড়িশা-পশ্চিমবঙ্গ উপকূলীয় এলাকায় অবস্থানরত লঘুচাপটি আরও ঘনীভূত হয়ে সুস্পষ্ট লঘুচাপে পরিণত হয়েছে। এর প্রভাবে উত্তাল রয়েছে সমুদ্র। গত ২সপ্তাহ ধরে পায়রাসহ দেশের সব সমুদ্র বন্দরে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত বহাল রেখেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

লঘুচাপ ও বৈরী আবহাওয়ার প্রভাবে উপকূলীয় জেলা বরগুনার পায়রা, বিষখালী ও বলেশ্বর নদীর পানি স্বাভাবিক জোয়ারের চেয়ে দুই থেকে তিন ফুট বৃদ্ধি পেয়েছে। পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় বরগুনার গুরুত্বপূর্ণ বড়ইতলা ও পুরকাটা ফেরিঘাটের গ্যাংওয়ে সড়ক সম্পূর্ণ ডুবে গেছে। তলিয়ে যাওয়া রাস্তা দিয়ে চলাচল করতে গিয়ে প্রতিনিয়ত বিকল হচ্ছে যানবাহন। ফলে প্রতিদিন হাজারো পথচারীকে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।

ফেরিতে নিয়মিত যাতায়াত করা যাত্রীরা জানান, এই ফেরিঘাট থেকে প্রতি বছর সরকার কোটি কোটি টাকার রাজস্ব নেয়, অথচ জোয়ারের পানিতে যাতায়াতের রাস্তা ডুবে গেলেও কর্তৃপক্ষের কোনো ভ্রূক্ষেপ নেই। তাদের দাবি, দ্রুত এই রাস্তাটি আরও উঁচু করে নির্মাণ করে যেন মানুষের দুর্ভোগ লাঘব করা হয়।

যাত্রীরা আরও জানান, জোয়ারের সময় এই সড়কটি দিয়ে চলাচল করা একেবারে অসম্ভব হয়ে পড়ে। পুরুষরা কোনোমতে কষ্ট করে পার হতে পারলেও, বেকায়দায় পড়তে হয় নারী ও শিশুদের।যাত্রীদের চলাচলের সীমাহীন কষ্ট দূর করতে জেলা প্রশাসনের প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন ভুক্তভোগীরা।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow