মমতার কেন ‘দুটি’ জন্মদিন?
ভারতের আলোচিত নেত্রী মমতা ব্যানার্জির জন্মদিন নিয়ে মজার একটি গল্প আছে। মমতা নিজেও এই তথ্য দিয়েছেন আত্মজীবনীমূলক ‘মাই আনফরগেটেবল মেমোরিজ’ (My Unforgettable Memories) বইয়ে।
মমতা লিখেছেন, তার প্রকৃতপক্ষে দুটি জন্মদিন। এর পেছনের কারণ ব্যাখ্যা করতে গিয়ে তিনি জানান, যখন তিনি স্কুল ফাইনাল পরীক্ষা দিচ্ছিলেন, তখন তার বয়স ১৫ বছরেরও কম ছিল। পরীক্ষায় বসার ন্যূনতম বয়স না থাকায় ‘অযোগ্য ঘোষিত’ হওয়ার ঝুঁকি তৈরি হয়েছিল। এই পরিস্থিতি এড়াতে তার বাবা নথিপত্রে একটি ‘কাল্পনিক বয়স ও জন্মতারিখ’ ব্যবহার করেছিলেন।
এর ফলে মমতার নথিবদ্ধ বয়সের সঙ্গে অতিরিক্ত পাঁচ বছর যুক্ত হয়ে যায়।
এই বাড়তি বয়সের একটি বড় রাজনৈতিক প্রভাবও লক্ষ্য করা যায়। এ বিষয়ে মমতা লিখেছেন, যদি তার বয়সে এই পাঁচ বছর যোগ করা না হতো, তবে ১৯৮৪ সালে যাদবপুর থেকে লোকসভা নির্বাচনে লড়ার সময় তার ‘আসল বয়স’ হতো মাত্র ২৪ বছর।
সে ক্ষেত্রে তিনি নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার জন্য প্রয়োজনীয় বয়সসীমা অর্জন করতে পারতেন না।
মমতা তার বইতে দাবি করেছেন, ১৫ বছর বয়সে যখন তার বাবা এই বয়সের পরিবর্তন করেছিলেন, তখন বিষয়টি সম্পর্কে তার কোনো ধারণা ছিল না।
পরবর্তীতে এই
ভারতের আলোচিত নেত্রী মমতা ব্যানার্জির জন্মদিন নিয়ে মজার একটি গল্প আছে। মমতা নিজেও এই তথ্য দিয়েছেন আত্মজীবনীমূলক ‘মাই আনফরগেটেবল মেমোরিজ’ (My Unforgettable Memories) বইয়ে।
মমতা লিখেছেন, তার প্রকৃতপক্ষে দুটি জন্মদিন। এর পেছনের কারণ ব্যাখ্যা করতে গিয়ে তিনি জানান, যখন তিনি স্কুল ফাইনাল পরীক্ষা দিচ্ছিলেন, তখন তার বয়স ১৫ বছরেরও কম ছিল। পরীক্ষায় বসার ন্যূনতম বয়স না থাকায় ‘অযোগ্য ঘোষিত’ হওয়ার ঝুঁকি তৈরি হয়েছিল। এই পরিস্থিতি এড়াতে তার বাবা নথিপত্রে একটি ‘কাল্পনিক বয়স ও জন্মতারিখ’ ব্যবহার করেছিলেন।
এর ফলে মমতার নথিবদ্ধ বয়সের সঙ্গে অতিরিক্ত পাঁচ বছর যুক্ত হয়ে যায়।
এই বাড়তি বয়সের একটি বড় রাজনৈতিক প্রভাবও লক্ষ্য করা যায়। এ বিষয়ে মমতা লিখেছেন, যদি তার বয়সে এই পাঁচ বছর যোগ করা না হতো, তবে ১৯৮৪ সালে যাদবপুর থেকে লোকসভা নির্বাচনে লড়ার সময় তার ‘আসল বয়স’ হতো মাত্র ২৪ বছর।
সে ক্ষেত্রে তিনি নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার জন্য প্রয়োজনীয় বয়সসীমা অর্জন করতে পারতেন না।
মমতা তার বইতে দাবি করেছেন, ১৫ বছর বয়সে যখন তার বাবা এই বয়সের পরিবর্তন করেছিলেন, তখন বিষয়টি সম্পর্কে তার কোনো ধারণা ছিল না।
পরবর্তীতে এই ‘সত্য প্রকাশ’ করার জন্য তিনি কোনো সমালোচনার মুখে পড়বেন না বলেও আশা প্রকাশ করেন।
তার মতে, লেখালেখি হলো তার নিজের বিবেকের কথা লিপিবদ্ধ করার একটি মাধ্যম।
পশ্চিমবঙ্গে মমতা যুগের পর যুগ ধরে জনপ্রিয়তার শীর্ষে অবস্থান করেছেন। তবে এই বিধানসভা নির্বাচনে তার দল হেরে যাচ্ছে বলে দাবি করছে ভারতীয় গণমাধ্যম। কর্মীদের দুর্নীতি এবং স্থানীয় রাজনীতির বেহাল দশার কারণে এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে বলেও বিভিন্ন বিশ্লেষণে বলা হচ্ছে।