মরক্কো না কানাডা, আজ নিজের কোন দেশের সঙ্গে নোরা
ফুটবল বিশ্বকাপ এলেই বলিউড অভিনেত্রী ও নৃত্যশিল্পী নোরা ফাতেহিকে ঘিরে একটি প্রশ্ন নতুন করে আলোচনায় আসে। মরক্কো নাকি কানাডা, কোন দলের সমর্থক তিনি? কারণ তার পরিচয়ের সঙ্গে এই দুই দেশই জড়িয়ে আছে। নোরা ফাতেহির জন্ম ও বেড়ে ওঠা কানাডার টরন্টো শহরে। তিনি কানাডার নাগরিক। তবে তার পারিবারিক শিকড় উত্তর আফ্রিকার দেশ মরক্কোয়। তার পরিবার মরক্কো থেকে কানাডায় অভিবাসী হয়েছিল। ফলে জন্ম কানাডায় হলেও সাংস্কৃতিকভাবে মরক্কোর সঙ্গে তার গভীর সম্পর্ক রয়েছে। বিভিন্ন সাক্ষাৎকারে নোরা নিজেই জানিয়েছেন, নিজের মরক্কান পরিচয় নিয়ে তিনি গর্বিত। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও প্রায়ই মরক্কোর সংস্কৃতি, ঐতিহ্য ও পোশাকের প্রতি ভালোবাসা প্রকাশ করতে দেখা যায় তাকে। ২০২২ সালের ফুটবল বিশ্বকাপে মরক্কোর ঐতিহাসিক সাফল্যের সময়ও প্রকাশ্যে দলটির পাশে দাঁড়িয়েছিলেন নোরা। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মরক্কোর জাতীয় পতাকা হাতে ছবি প্রকাশের পাশাপাশি দলটির সাফল্য উদযাপন করে শুভেচ্ছাবার্তাও দিয়েছিলেন তিনি। অন্যদিকে, কানাডাও তার পরিচয়ের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। দেশটিতেই তার জন্ম, শৈশব, লেখাপড়া ও বেড়ে ওঠা। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নিজের পরিচয় দিতে গিয়ে নোরা প্রায়ই নিজেক
ফুটবল বিশ্বকাপ এলেই বলিউড অভিনেত্রী ও নৃত্যশিল্পী নোরা ফাতেহিকে ঘিরে একটি প্রশ্ন নতুন করে আলোচনায় আসে। মরক্কো নাকি কানাডা, কোন দলের সমর্থক তিনি? কারণ তার পরিচয়ের সঙ্গে এই দুই দেশই জড়িয়ে আছে।
নোরা ফাতেহির জন্ম ও বেড়ে ওঠা কানাডার টরন্টো শহরে। তিনি কানাডার নাগরিক। তবে তার পারিবারিক শিকড় উত্তর আফ্রিকার দেশ মরক্কোয়। তার পরিবার মরক্কো থেকে কানাডায় অভিবাসী হয়েছিল। ফলে জন্ম কানাডায় হলেও সাংস্কৃতিকভাবে মরক্কোর সঙ্গে তার গভীর সম্পর্ক রয়েছে।
বিভিন্ন সাক্ষাৎকারে নোরা নিজেই জানিয়েছেন, নিজের মরক্কান পরিচয় নিয়ে তিনি গর্বিত। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও প্রায়ই মরক্কোর সংস্কৃতি, ঐতিহ্য ও পোশাকের প্রতি ভালোবাসা প্রকাশ করতে দেখা যায় তাকে।
২০২২ সালের ফুটবল বিশ্বকাপে মরক্কোর ঐতিহাসিক সাফল্যের সময়ও প্রকাশ্যে দলটির পাশে দাঁড়িয়েছিলেন নোরা। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মরক্কোর জাতীয় পতাকা হাতে ছবি প্রকাশের পাশাপাশি দলটির সাফল্য উদযাপন করে শুভেচ্ছাবার্তাও দিয়েছিলেন তিনি।
অন্যদিকে, কানাডাও তার পরিচয়ের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। দেশটিতেই তার জন্ম, শৈশব, লেখাপড়া ও বেড়ে ওঠা। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নিজের পরিচয় দিতে গিয়ে নোরা প্রায়ই নিজেকে ‘মরোক্কান-কানাডিয়ান’ বলে উল্লেখ করেন। অর্থাৎ দুই দেশের সঙ্গেই তার আত্মিক সম্পর্ক রয়েছে।
তবে ফুটবলের ক্ষেত্রে নোরার অবস্থান বেশ স্পষ্ট। অতীতের বিভিন্ন মন্তব্য ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার কর্মকাণ্ড থেকে দেখা যায়, জাতীয় দলের খেলায় তিনি সাধারণত মরক্কোকেই সমর্থন করেন। এর পেছনে সবচেয়ে বড় কারণ তার পারিবারিক শিকড় ও সাংস্কৃতিক পরিচয়।
অবশ্য কোনো একদিন যদি বিশ্বকাপের মঞ্চে মরক্কো ও কানাডা মুখোমুখি হয়, তাহলে সেটি নোরার জন্য নিঃসন্দেহে আবেগঘন এক লড়াই হবে। একদিকে জন্মভূমি, অন্যদিকে পূর্বপুরুষের দেশ। তবু অতীতের নজির বলছে, হৃদয়ের টান শেষ পর্যন্ত মরক্কোর দিকেই একটু বেশি।
নোরা ফাতেহির গল্প মনে করিয়ে দেয়, আধুনিক বিশ্বে অনেক মানুষের পরিচয় একাধিক দেশের সঙ্গে জড়িয়ে থাকে। তাই তার সমর্থনের বিষয়টি শুধু ফুটবলের প্রশ্ন নয়, বরং শিকড়, পরিচয় ও সংস্কৃতির প্রতিও গভীর আবেগের বহিঃপ্রকাশ।
এমএমএফ/আরএমডি
What's Your Reaction?