মরুভূমি হবে নীল জলরাশি! সাহারার বুকে সাগর তৈরির বিস্ময়কর চেষ্টা

উত্তর আফ্রিকাজুড়ে বিস্তৃত বিশাল বালুকা রাশি, পাথুরে উচ্চভূমি ও পৃথিবীর অন্যতম শুষ্কতম আবহাওয়া নিয়ে সাহারা মরুভূমিকে দীর্ঘকাল ধরে মানব নিয়ন্ত্রণের বাইরের এক চরম প্রাকৃতিক ল্যান্ডস্কেপ হিসেবে বিবেচনা করা হয়। তবুও ঊনবিংশ শতাব্দীর শেষদিকে একদল দূরদর্শী প্রকৌশলী ও অভিযাত্রী বিশ্বাস করতে শুরু করেছিলেন যে, এই দুর্গম মরুভূমিকেও চাইলে সম্পূর্ণরূপে রূপান্তর করা সম্ভব। কেবল সেচ ব্যবস্থার মাধ্যমে পানি আনার পরিবর্তে, তারা সাহারার বুকে আস্ত একটি কৃত্রিম সমুদ্র উন্মুক্ত করে দেওয়ার অভাবনীয় স্বপ্ন দেখেছিলেন। এই অদ্ভুত প্রস্তাবের মূল ভিত্তি ছিল যে, নিচু এলাকাগুলোতে সমুদ্রের লোনা পানি প্রবেশ করিয়ে প্লাবিত করা গেলে তা আশেপাশের চরম শুষ্ক জলবায়ুকে কোমল ও আর্দ্র করে তুলবে। সেই সঙ্গে আর্দ্রতার পরিমাণ ‍বৃদ্ধি পেয়ে পর্যাপ্ত বৃষ্টিপাত ঘটাবে এবং পাশের শুষ্ক ভূমিকে কৃষিকাজের জন্য উর্বর ও উৎপাদনশীল করে তুলবে। তৎকালীন সময়ে এই পরিকল্পনাটি কাগজে-কলমে নকশার পর্যায় অতিক্রম করে বাস্তবে রূপ না পেলেও, কয়েক দশক ধরে প্রকৌশল ও রাজনৈতিক প্রভাবশালী মহলগুলোতে বেশ গুরুত্বের সঙ্গে আলোচিত হয়েছিল। এটি মূলত ইতিহাসের এমন একটি রূপান

মরুভূমি হবে নীল জলরাশি! সাহারার বুকে সাগর তৈরির বিস্ময়কর চেষ্টা

উত্তর আফ্রিকাজুড়ে বিস্তৃত বিশাল বালুকা রাশি, পাথুরে উচ্চভূমি ও পৃথিবীর অন্যতম শুষ্কতম আবহাওয়া নিয়ে সাহারা মরুভূমিকে দীর্ঘকাল ধরে মানব নিয়ন্ত্রণের বাইরের এক চরম প্রাকৃতিক ল্যান্ডস্কেপ হিসেবে বিবেচনা করা হয়। তবুও ঊনবিংশ শতাব্দীর শেষদিকে একদল দূরদর্শী প্রকৌশলী ও অভিযাত্রী বিশ্বাস করতে শুরু করেছিলেন যে, এই দুর্গম মরুভূমিকেও চাইলে সম্পূর্ণরূপে রূপান্তর করা সম্ভব। কেবল সেচ ব্যবস্থার মাধ্যমে পানি আনার পরিবর্তে, তারা সাহারার বুকে আস্ত একটি কৃত্রিম সমুদ্র উন্মুক্ত করে দেওয়ার অভাবনীয় স্বপ্ন দেখেছিলেন।

এই অদ্ভুত প্রস্তাবের মূল ভিত্তি ছিল যে, নিচু এলাকাগুলোতে সমুদ্রের লোনা পানি প্রবেশ করিয়ে প্লাবিত করা গেলে তা আশেপাশের চরম শুষ্ক জলবায়ুকে কোমল ও আর্দ্র করে তুলবে। সেই সঙ্গে আর্দ্রতার পরিমাণ ‍বৃদ্ধি পেয়ে পর্যাপ্ত বৃষ্টিপাত ঘটাবে এবং পাশের শুষ্ক ভূমিকে কৃষিকাজের জন্য উর্বর ও উৎপাদনশীল করে তুলবে।

তৎকালীন সময়ে এই পরিকল্পনাটি কাগজে-কলমে নকশার পর্যায় অতিক্রম করে বাস্তবে রূপ না পেলেও, কয়েক দশক ধরে প্রকৌশল ও রাজনৈতিক প্রভাবশালী মহলগুলোতে বেশ গুরুত্বের সঙ্গে আলোচিত হয়েছিল। এটি মূলত ইতিহাসের এমন একটি রূপান্তরমূলক সময়কে প্রতিফলিত করে, যখন বিশাল প্রাকৃতিক পরিবেশকে প্রকৌশলবিদ্যার মাধ্যমে মানুষের বসবাসের উপযোগী করে নতুন রূপ দেওয়া সম্ভব বলে দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করা হতো।

পরিকল্পনার সমর্থকরা যুক্তি উপস্থাপন করেছিলেন যে, মরুভূমির বুকে এমন একটি বিশাল অভ্যন্তরীণ সমুদ্র তৈরি করা গেলে তা আঞ্চলিক অর্থনীতিতে নতুন গতি আনবে, অভ্যন্তরীণ বাণিজ্য ত্বরান্বিত করবে ও নৌপরিবহন ব্যবস্থার অভূতপূর্ব উন্নতি ঘটাবে। যদিও পরবর্তীসময়ে বৈজ্ঞানিক মূল্যায়ন ও গবেষণায় এর প্রকৃত পরিবেশগত সুবিধা নিয়ে নানা প্রশ্ন ওঠে ও পরিবেশের জন্য চরম ঝুঁকির বিষয়টি সামনে আসে, তবুও এটি বিশ্ব ইতিহাসে বৃহৎ মাপের ‘জলবায়ু প্রকৌশল’ বা জিওইঞ্জিনিয়ারিং ভাবনার এক অনন্য উদাহরণ হিসেবে রয়ে গেছে।

আজকের দিনে ইতিহাসবিদ ও পরিবেশ বিজ্ঞানীরা এই প্রস্তাবটিকে প্রাচীন জিওইঞ্জিনিয়ারিংয়ের এক প্রাথমিক ঐতিহাসিক উদাহরণ হিসেবে নিবিড়ভাবে অধ্যয়ন করেন। এটি মানবজাতির যেমন অসাধারণ উদ্ভাবনী ক্ষমতার ইঙ্গিত দেয়, ঠিক তেমনি এর পেছনে লুকিয়ে থাকা অপ্রত্যাশিত ক্ষতিকর প্রতিক্রিয়াগুলোকেও তুলে ধরে। আধুনিক গবেষকরা এই প্রস্তাবকে একটি বাস্তবসম্মত সমাধানের চেয়ে বরং ইতিহাসের এক রোমাঞ্চকর কৌতূহল হিসেবেই মূল্যায়ন করেন। কারণ তাদের মতে, এত বড় একটি স্পর্শকাতর বাস্তুতন্ত্রের রূপ পরিবর্তন করলে তা সাহারার ভঙ্গুর মরু পরিবেশ, ভূগর্ভস্থ পানির প্রাকৃতিক ভারসাম্য এবং সামগ্রিক আঞ্চলিক আবহাওয়ার স্বাভাবিক ধরনকে চরমভাবে বিপর্যস্ত করতে পারত। প্রযুক্তিগত উচ্চাকাঙ্ক্ষার সঙ্গে পরিবেশগত দায়বদ্ধতার সঠিক ভারসাম্য রক্ষার এক ঐতিহাসিক সতর্কতামূলক উদাহরণ হয়ে আজও টিকে আছে এই গল্পটি।

সাহারা সমুদ্র প্রকল্প: ভূমধ্যসাগরের পানি মরুভূমিতে আনার প্রাথমিক ছক

সাহারা সমুদ্র তৈরির মূল ধারণার কথা উঠলেই যার নাম সবার আগে উঠে আসে, তিনি হলেন ফ্রাঁসোয়া এলাই রুদের (François Élie Roudaire)। ১৮৭০-এর দশকে ফরাসি সেনাবাহিনীর এই কর্মকর্তা সাহারায় কৃত্রিম সমুদ্র তৈরির ধারণাটির জোর প্রচার চালান।

আন্তর্জাতিক ভৌগোলিক তথ্যভিত্তিক মাধ্যম ‘ওয়ার্ল্ডঅ্যাটলাস’র (WorldAtlas) প্রতিবেদন অনুযায়ী, ফরাসি কূটনীতিবিদ ও বিখ্যাত প্রকৌশলী ফার্দিনান্দ দ্য লেসেপস (Ferdinand de Lesseps)-এর সঙ্গে সমন্বয় করে দক্ষিণ তিউনিসিয়ার ‘চট এল ফেজেজ’ (Chott el Fejej) অববাহিকাকে কেন্দ্র করে এই প্রকল্পের একটি বিস্তারিত প্রস্তাব প্রস্তুত করেন রুদের।

তাদের মূল পরিকল্পনাটি ছিল ভূমধ্যসাগরীয় উপকূলের ‘গ্যাবেস উপসাগর’ (Gulf of Gabès) থেকে একটি বিশাল খাল বা ক্যানেল খনন করে পানি এনে উক্ত নিচু অববাহিকায় প্রবেশ করানো। তারা আশা করেছিলেন, এর ফলে যে অভ্যন্তরীণ সমুদ্রের জন্ম হবে, তা বাতাসে আর্দ্রতা বৃদ্ধি করে স্থানীয় আবহাওয়ায় ইতিবাচক পরিবর্তন আনবে। ফলে মরুভূমির চারপাশের অঞ্চলগুলো ধীরে ধীরে কৃষিকাজের উপযোগী হয়ে উঠবে।

সেই যুগে এই প্রকল্পের সম্ভাব্য ব্যয় ধরা হয়েছিল প্রায় ৩০ মিলিয়ন বা ৩০ কোটি ডলার, যা ছিল সময়ের বিবেচনায় অন্যতম ব্যয়বহুল ও উচ্চাকাঙ্ক্ষী প্রকৌশল ভাবনা। প্রকল্পের সমর্থকরা দাবি করেছিলেন, কৃত্রিম এই সাগর বাণিজ্যের বিস্তার ঘটাবে, পরিবহন ব্যবস্থার উন্নতি করবে, নতুন মৎস্য শিকারের সুযোগ তৈরি করবে ও মরুভূমির মারাত্মক তাপমাত্রা কমাতে সাহায্য করবে। যদিও সেসময়কার শীর্ষবিজ্ঞানীদের অনেকেই নিশ্চিত ছিলেন না যে, আদতে এত বড় ইতিবাচক পরিবেশগত পরিবর্তন আসবে কি না।

আটলান্টিক মহাসাগরের পানি দিয়ে ডোনাল্ড ম্যাকেঞ্জির পরিকল্পনা

যদিও রুদের নামটির সঙ্গেই ‘সাহারা সমুদ্র’ ধারণাটি গভীরভাবে জড়িয়ে যায়, তবে তিনিই প্রথম ব্যক্তি ছিলেন না যিনি সাহারার বুকে সাগর তৈরির স্বপ্ন দেখেছিলেন। ওয়ার্ল্ডঅ্যাটলাসের তথ্যসূত্রে জানা যায়, ফরাসিদের পরিকল্পনাটি দৃষ্টি আকর্ষণ করার ঠিক এক বছর আগে, অর্থাৎ ১৮৭৭ সালে, ব্রিটিশ প্রকৌশলী ডোনাল্ড ম্যাকেঞ্জি (Donald Mackenzie) প্রায় একই রকম একটি পরিকল্পনা আনুষ্ঠানিকভাবে রূপরেখা হিসেবে পেশ করেছিলেন।

ম্যাকেঞ্জির পরিকল্পনার মূল কেন্দ্রবিন্দু ছিল ‘এল জুফ অববাহিকা’ (El Djouf Basin), যা বর্তমান মৌরিতানিয়া ও মালি পর্যন্ত বিস্তৃত এক বিশাল নিচু এলাকা। তিনি প্রস্তাব করেছিলেন, মরক্কোর ক্যাপ জুবির (Cape Juby) নিকটবর্তী স্থান থেকে একটি চ্যানেল কেটে আটলান্টিক মহাসাগরের পানি মরুভূমির ভেতর এনে অববাহিকায় ফেলা হবে। তার নকশায় প্রায় ৬০ হাজার বর্গমাইল এলাকাজুড়ে একটি কৃত্রিম সমুদ্র সৃষ্টির ভাবনা ছিল, যা পরবর্তীসময়ে অন্য একটি দীর্ঘ খালের মাধ্যমে ঐতিহাসিক নাইজার নদীর সঙ্গে যুক্ত হওয়ার কথা ছিল। তৎকালীন সময়ের কিছু ভূবিজ্ঞানী বিশ্বাস করতেন যে, অতীত যুগে হয়তো এই নিচু অববাহিকাটি প্রাকৃতিকভাবেই আটলান্টিক মহাসাগরের সঙ্গে যুক্ত ছিল; যা ম্যাকেঞ্জির প্রস্তাবটিকে সেসময় বৈজ্ঞানিক সমর্থন জুগিয়েছিল।

নির্মাণের কাজ শুরু হওয়ার আগেই যে কারণে পরিত্যক্ত হয় এই মেগা প্রকল্প

তবে বিস্তারিত জরিপ ও পরিমাপের তথ্য সামনে আসার সঙ্গে সঙ্গে এই প্রকল্পের প্রতি প্রাথমিক উৎসাহ ক্রমশ ফিকে হতে শুরু করে। ওয়ার্ল্ডঅ্যাটলাস-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, সমালোচকরা কঠোর প্রশ্ন তোলেন যে কৃত্রিম অভ্যন্তরীণ সমুদ্র তৈরি হলেই কি গবেষকদের প্রত্যাশিত ইতিবাচক পরিবেশগত পরিবর্তন ঘটবে? তারা আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, কাঙ্ক্ষিত বৃষ্টিপাত বাড়ার বদলে বরং প্লাবিত অববাহিকাটি একটি বিশাল ও বিপজ্জনক জলাভূমিতে (Marsh) রূপ নিতে পারে, যা মশা-মাছি ও মারাত্মক সব মহামারির অনুকূল পরিবেশ তৈরি করবে।

অন্যদিকে, ফরাসি সরকার তিউনিসিয়ার অববাহিকা অঞ্চলে আরও গভীর তদন্ত করার জন্য বেশ কয়েকটি নিরপেক্ষ তদন্ত কমিশন পাঠায়। জরিপে দেখা যায়, প্রস্তাবিত প্লাবিত অঞ্চলের বেশ কিছু অংশ প্রকৃতপক্ষে সমুদ্রপৃষ্ঠের নিচে ছিলই না, যার ফলে সেখানে পানি আনা প্রকৌশলগতভাবে প্রাথমিক ধারণার চেয়ে বহু গুণ বেশি কঠিন ও জটিল ছিল। প্রত্যাশিত উপকার পাওয়ার ব্যাপারে শতভাগ নিশ্চয়তা না পাওয়ায়, সরকার এই প্রকল্পে কোনো ধরনের আর্থিক অনুদান বা ফান্ড দিতে অস্বীকৃতি জানায়। ফলস্বরূপ প্রকল্পটি থমকে যায়।

পরবর্তীসময়ে ১৯১০ সালের দিকে এই ধারণাটি সংক্ষেপে আবারও সজীব হয়ে ওঠে, যখন ফরাসি অধ্যাপক এতচেগোয়েন (Etchegoyen) একই লক্ষ্য অর্জনে আরও বড় ও গভীর খাল খননের একটি নতুন প্রস্তাব দেন। তিনি যুক্তি দিয়েছিলেন যে, এই অভ্যন্তরীণ সমুদ্র উত্তর আফ্রিকায় ফরাসি ঔপনিবেশিক উন্নয়ন ও আধিপত্য বিস্তারে সহায়তা করবে। তবে অতীতের মতো এবারও ফরাসি সরকার প্রকল্পটিতে হাত দেওয়া থেকে বিরত থাকে।

পরবর্তী যুগের মেগা-প্রকৌশল ভাবনায় সাহারা সমুদ্রের প্রভাব

বিংশ শতাব্দীর প্রথমার্ধে ভেস্তে গেলেও মরুভূমিতে সমুদ্র বানানোর ভাবনাটি পুরোপুরি হারিয়ে যায়নি। স্নায়যুদ্ধ বা কোল্ড ওয়ার-এর সময়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ‘অপারেশন প্লাউশেয়ার’ (Operation Plowshare)-এর অধীনে পারমাণবিক বিস্ফোরণের শান্তিপূর্ণ ব্যবহার নিয়ে গবেষণার অংশ হিসেবে কয়েকটি বিশাল স্কেলের প্রকৌশল পরিকল্পনা পরীক্ষা করে দেখেছিল।

ওয়ার্ল্ডঅ্যাটলাস জানায়, মার্কিন সেই গবেষণার একটি প্রস্তাবে মিশরের নিচু ‘কাততারা ডিপ্রেশন’ (Qattara Depression) অঞ্চলকে প্লাবিত করতে পারমাণবিক বিস্ফোরণ ঘটানোর পরিকল্পনা করা হয়েছিল, যেখানে অন্য একটি প্রস্তাবে তিউনিসিয়ার স্যাঁতসেঁতে নিচু অঞ্চলগুলোকে ভূমধ্যসাগরের পানি দিয়ে নতুন করে পূর্ণ করার ধারণা পুনর্মূল্যায়ন করা হয়েছিল। তবে এসব ভাবনাই কেবল তাত্ত্বিক খাতায় সীমাবদ্ধ ছিল ও পরে শান্তিপূর্ণ পারমাণবিক বিস্ফোরণ নিষিদ্ধ করে আন্তর্জাতিক চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ায় এ উদ্যোগগুলোর কাজ আর সামনে এগোয়নি।

সাহারা সমুদ্রের এই যুগান্তকারী ঐতিহাসিক স্বপ্নটি বিশ্বের অন্যান্য স্থানেও অনুরূপ প্রকল্পকে অনুপ্রাণিত করেছিল। ওয়ার্ল্ডঅ্যাটলাস জানায়, একসময় অস্ট্রেলিয়ার বিজ্ঞানীরা তাদের মহাদেশের অভ্যন্তরীণ ‘লেক আইরি’ (Lake Eyre)-কে একটি সুদীর্ঘ খালের মাধ্যমে মহাসাগরের সঙ্গে যুক্ত করার বিষয়ে গভীর আলোচনা করেছিলেন। অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ার ‘সালটন সি’ (Salton Sea) ১৯০৫ সালে দুর্ঘটনাবশত এমনই এক মেগা ডাইভারশনের মাধ্যমে তৈরি হয়েছিল; যেখানে কলোরাডো নদী থেকে সেচ খালের মাধ্যমে পানি নির্গত হয়ে একটি শুষ্ক নিচু এলাকাকে প্লাবিত করে রাজ্যের সর্ববৃহৎ হ্রদে পরিণত করে।

সূত্র: ওয়ার্ল্ডঅ্যাটলাস, হিস্ট্রি জার্নাল ও রয়টার্স

এসএএইচ

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow