মসলার কৌটার আঠালোভাব দূর করার ঘরোয়া উপায়

রান্নাঘর সুন্দর করে সাজাতে অনেকেই শৌখিন কৌটা ব্যবহার করেন। লবণ, হলুদ, মরিচ গুঁড়া কিংবা অন্যান্য মসলা রাখতে এসব কৌটায় যেমন দেখতে সুন্দর, তেমনি ব্যবহারেও সুবিধাজনক। কিন্তু নিয়মিত ব্যবহারের পর এগুলো পরিষ্কার রাখা বেশ ঝামেলার হয়ে দাঁড়ায়। দিনের শেষে দেখা যায়, কৌটার গায়ে জমে থাকা তেলচিটে আঠালো ভাব কিছুতেই যেতে চায় না। যতই সাবান দিয়ে ঘষুন না কেন, হাত দিলে অস্বস্তিকর চটচটে অনুভূতি থেকেই যায়। রান্নাঘরে সবসময়ই তেল ও মসলার ব্যবহার হয়। বিশেষ করে মসলার কৌটোগুলো চুলার কাছাকাছি থাকায় বাষ্পীভূত তেল ধুলাবালির সঙ্গে মিশে কৌটার গায়ে এক ধরনের শক্ত স্তর তৈরি করে। এই স্তর এতটাই জেদি যে সাধারণ লিকুইড সাবান তা সহজে তুলতে পারে না। ফলে বারবার ধোয়ার পরও কৌটা পরিষ্কার মনে হয় না। আসুন জেনে নেওয়া যাক কৌটার আঠালোভাব কীভাবে দূর করবেন- গরম পানির সহজ সমাধানএই সমস্যার সহজ সমাধান হতে পারে গরম পানি। প্রথমে কৌটাগুলো খালি করে ঈষদুষ্ণ পানিতে কিছুক্ষণ ডুবিয়ে রাখুন। এতে জমে থাকা তেলের স্তর ধীরে ধীরে নরম হয়ে আলগা হয়ে যাবে। তবে কাঠের কৌটা হলে এই পদ্ধতি ব্যবহার না করাই ভালো, কারণ পানিতে ভিজে কাঠ নষ্ট হতে পারে। সাবান ও গরম পানির

মসলার কৌটার আঠালোভাব দূর করার ঘরোয়া উপায়

রান্নাঘর সুন্দর করে সাজাতে অনেকেই শৌখিন কৌটা ব্যবহার করেন। লবণ, হলুদ, মরিচ গুঁড়া কিংবা অন্যান্য মসলা রাখতে এসব কৌটায় যেমন দেখতে সুন্দর, তেমনি ব্যবহারেও সুবিধাজনক। কিন্তু নিয়মিত ব্যবহারের পর এগুলো পরিষ্কার রাখা বেশ ঝামেলার হয়ে দাঁড়ায়।

দিনের শেষে দেখা যায়, কৌটার গায়ে জমে থাকা তেলচিটে আঠালো ভাব কিছুতেই যেতে চায় না। যতই সাবান দিয়ে ঘষুন না কেন, হাত দিলে অস্বস্তিকর চটচটে অনুভূতি থেকেই যায়।

রান্নাঘরে সবসময়ই তেল ও মসলার ব্যবহার হয়। বিশেষ করে মসলার কৌটোগুলো চুলার কাছাকাছি থাকায় বাষ্পীভূত তেল ধুলাবালির সঙ্গে মিশে কৌটার গায়ে এক ধরনের শক্ত স্তর তৈরি করে। এই স্তর এতটাই জেদি যে সাধারণ লিকুইড সাবান তা সহজে তুলতে পারে না। ফলে বারবার ধোয়ার পরও কৌটা পরিষ্কার মনে হয় না।

আসুন জেনে নেওয়া যাক কৌটার আঠালোভাব কীভাবে দূর করবেন-

jago0

গরম পানির সহজ সমাধান
এই সমস্যার সহজ সমাধান হতে পারে গরম পানি। প্রথমে কৌটাগুলো খালি করে ঈষদুষ্ণ পানিতে কিছুক্ষণ ডুবিয়ে রাখুন। এতে জমে থাকা তেলের স্তর ধীরে ধীরে নরম হয়ে আলগা হয়ে যাবে। তবে কাঠের কৌটা হলে এই পদ্ধতি ব্যবহার না করাই ভালো, কারণ পানিতে ভিজে কাঠ নষ্ট হতে পারে।

সাবান ও গরম পানির মিশ্রণ
আরও ভালো ফল পেতে গরম পানির সঙ্গে কয়েক ফোঁটা লিকুইড সাবান মিশিয়ে নিন। এই মিশ্রণে কৌটাগুলো ১৫ মিনিট ভিজিয়ে রেখে নরম স্পঞ্জ দিয়ে আলতো করে ঘষুন। এতে সহজেই জেদি দাগ উঠে যাবে। তবে প্লাস্টিকের কৌটো পরিষ্কার করার সময় খসখসে তারের জালি ব্যবহার না করাইভালো, এতে প্লাস্টিকের কৌটাতে দাগ পড়ে যেতে পারে।

ভিনিগারের ব্যবহার
রান্নাঘরের দুর্গন্ধ ও আঠালো ভাব দূর করতে ভিনিগার বেশ কার্যকর। এক কাপ পানিতে ২-৩ চামচ ভিনিগার মিশিয়ে কৌটার গায়ে লাগিয়ে ঘণ্টাখানেক রেখে দিন। এরপর ভিজে কাপড় দিয়ে মুছে নিলে কৌটো ঝকঝকে পরিষ্কার হয়ে যাবে।

পরিষ্কারের পর সঠিক যত্ন
কৌটা ধোয়ার পর ভালোভাবে শুকিয়ে নেওয়া খুবই জরুরি। ভেতরে সামান্য পানি থাকলেও মসলা দলা পাকিয়ে নষ্ট হয়ে যেতে পারে। তাই শুকনো কাপড় দিয়ে মুছে নেওয়ার পর কিছুক্ষণ রোদে রাখলে আরও ভালো ফল পাওয়া যায়। এতে জীবাণুও নষ্ট হবে এবং মসলাও থাকবে সতেজ।

নিয়মিত যত্ন নেওয়া
সপ্তাহে অন্তত একদিন নিয়ম করে কৌটো পরিষ্কার করলে রান্নাঘর থাকবে একদম পরিপাটি। সামান্য যত্নেই প্রিয় কৌটাগুলো দীর্ঘদিন নতুনের মতো ঝকঝকে থাকবে।

সূত্র: দ্য স্প্রু, দ্য কিচেন ও অন্যান্য

এসএকেওয়াই

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow