মাগুরায় তরুণীর চুল কেটে নির্যাতন

মাগুরার শালিখা উপজেলায় এক তরুণীকে অপবাদ দিয়ে চুল কেটে ও ঘরে আটকে রেখে নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে স্বামীর পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। বুধবার (২২ এপ্রিল) দুপুরে ওই তরুণী ঘর থেকে বের হলে বিষয়টি জানাজানি হয়।  জানা যায়, শালিখা থানার ২নং তালখড়ী ইউনিয়নের দিঘলগ্রাম পূর্বপাড়ার বাসিন্দা মিম (২০)-এর সঙ্গে প্রায় এক মাস আগে সাত্তর মন্ডলের বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই সাত্তর মন্ডল কর্মসূত্রে মাদারীপুরের একটি ইটভাটায় অবস্থান করছেন। মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) বিকাল ৫টার দিকে মিমের বিরুদ্ধে কথিত এক অজ্ঞাত ব্যক্তির সঙ্গে দেখা করার অপবাদ তুলেন শ্বশুর বাড়ির লোকজন। এ অপরাধের অভিযোগে তার শ্বশুর সামসুল মন্ডল (৫৫), ভাসুর উজ্জল গাফ্ফার (৩৫) এবং শাশুড়ি রোকেয়া (৫০) তাকে জোরপূর্বক বাড়িতে নিয়ে যান। পরে তারা মিমের মাথার চুল কেটে দেন এবং মারধর করে একটি ঘরে আটকে রাখেন। পরদিন বুধবার দুপুর ১টার দিকে সুযোগ পেয়ে মিম ঘর থেকে বের হয়ে বিষয়টি স্থানীয়দের জানায়। এ সময় স্থানীয়রা পুলিশে ও ওই নারীর স্বজনদেরকে খবর দেন। খবর পেয়ে আহত অবস্থায় মিমকে তার স্বজনরা উদ্ধার করে মাগুরা ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপ

মাগুরায় তরুণীর চুল কেটে নির্যাতন

মাগুরার শালিখা উপজেলায় এক তরুণীকে অপবাদ দিয়ে চুল কেটে ও ঘরে আটকে রেখে নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে স্বামীর পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

বুধবার (২২ এপ্রিল) দুপুরে ওই তরুণী ঘর থেকে বের হলে বিষয়টি জানাজানি হয়। 

জানা যায়, শালিখা থানার ২নং তালখড়ী ইউনিয়নের দিঘলগ্রাম পূর্বপাড়ার বাসিন্দা মিম (২০)-এর সঙ্গে প্রায় এক মাস আগে সাত্তর মন্ডলের বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই সাত্তর মন্ডল কর্মসূত্রে মাদারীপুরের একটি ইটভাটায় অবস্থান করছেন।

মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) বিকাল ৫টার দিকে মিমের বিরুদ্ধে কথিত এক অজ্ঞাত ব্যক্তির সঙ্গে দেখা করার অপবাদ তুলেন শ্বশুর বাড়ির লোকজন। এ অপরাধের অভিযোগে তার শ্বশুর সামসুল মন্ডল (৫৫), ভাসুর উজ্জল গাফ্ফার (৩৫) এবং শাশুড়ি রোকেয়া (৫০) তাকে জোরপূর্বক বাড়িতে নিয়ে যান। পরে তারা মিমের মাথার চুল কেটে দেন এবং মারধর করে একটি ঘরে আটকে রাখেন।

পরদিন বুধবার দুপুর ১টার দিকে সুযোগ পেয়ে মিম ঘর থেকে বের হয়ে বিষয়টি স্থানীয়দের জানায়। এ সময় স্থানীয়রা পুলিশে ও ওই নারীর স্বজনদেরকে খবর দেন।

খবর পেয়ে আহত অবস্থায় মিমকে তার স্বজনরা উদ্ধার করে মাগুরা ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালে ভর্তি করেন। বর্তমানে তিনি সেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

মিম জানান, মিথ্যা অপবাদ দিয়ে আমাকে নির্যাতন করা হয়েছে। আমি এর সঠিক বিচার চাই।

শালিখা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মোতালেব হোসেন জানান, এই ঘটনায় অভিযুক্ত শাশুড়ি রোকেয়া বেগমকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow