মাটিরাঙ্গা সীমান্তে বিজিবি-চোরাকারবারী গোলাগুলি, অস্ত্র-গুলি উদ্ধার
খাগড়াছড়ির মাটিরাঙ্গা উপজেলার যামিনীপাড়া সীমান্তে সশস্ত্র চোরাকারবারীদের সঙ্গে বিজিবির গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে। এ সময় ঘটনাস্থল থেকে ৪টি পিস্তল, ১৪ রাউন্ড গুলি ও অন্যান্য সামগ্রী উদ্ধার করেছে যামিনীপাড়া ব্যাটালিয়ন (২৩ বিজিবি)। এ ঘটনায় উভয় পক্ষের কেউ হতাহত হয়নি। সোমবার (২৭ জুলাই) গভীর রাতে উপজেলার তবলছড়ি ইউনিয়নের সিংহপাড়া গ্রামে ভারত সীমান্ত-সংলগ্ন এলাকায় এই বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে বিজিবি। মঙ্গলবার এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বিষয়টি গণমাধ্যমকে অবহিত করা হয়। যামিনীপাড়া ব্যাটালিয়নের (২৩ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. খালিদ ইবনে হোসেন (বিপিএম, পিএসসি) প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানান, গভীর রাতে সীমান্ত এলাকায় টহলরত একটি দল চোরাকারবারীদের উপস্থিতি টের পেয়ে ধাওয়া দেয়। পরে তল্লাশি চালিয়ে ঘটনাস্থল থেকে ২টি বিদেশি ও ২টি দেশীয় পিস্তল, ১৪ রাউন্ড গুলি এবং অন্যান্য সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়। তিনি আরও জানান, উদ্ধারকৃত অস্ত্র ও মালামাল নিয়ে টহলদল বিওপিতে ফেরার পথে সশস্ত্র চোরাকারবারীরা জব্দ করা মালামাল ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টায় বিজিবির ওপর আকস্মিক গুলিবর্ষণ শুরু করে। পরিস্থিতি
খাগড়াছড়ির মাটিরাঙ্গা উপজেলার যামিনীপাড়া সীমান্তে সশস্ত্র চোরাকারবারীদের সঙ্গে বিজিবির গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে। এ সময় ঘটনাস্থল থেকে ৪টি পিস্তল, ১৪ রাউন্ড গুলি ও অন্যান্য সামগ্রী উদ্ধার করেছে যামিনীপাড়া ব্যাটালিয়ন (২৩ বিজিবি)। এ ঘটনায় উভয় পক্ষের কেউ হতাহত হয়নি।
সোমবার (২৭ জুলাই) গভীর রাতে উপজেলার তবলছড়ি ইউনিয়নের সিংহপাড়া গ্রামে ভারত সীমান্ত-সংলগ্ন এলাকায় এই বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে বিজিবি।
মঙ্গলবার এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বিষয়টি গণমাধ্যমকে অবহিত করা হয়।
যামিনীপাড়া ব্যাটালিয়নের (২৩ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. খালিদ ইবনে হোসেন (বিপিএম, পিএসসি) প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানান, গভীর রাতে সীমান্ত এলাকায় টহলরত একটি দল চোরাকারবারীদের উপস্থিতি টের পেয়ে ধাওয়া দেয়। পরে তল্লাশি চালিয়ে ঘটনাস্থল থেকে ২টি বিদেশি ও ২টি দেশীয় পিস্তল, ১৪ রাউন্ড গুলি এবং অন্যান্য সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়।
তিনি আরও জানান, উদ্ধারকৃত অস্ত্র ও মালামাল নিয়ে টহলদল বিওপিতে ফেরার পথে সশস্ত্র চোরাকারবারীরা জব্দ করা মালামাল ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টায় বিজিবির ওপর আকস্মিক গুলিবর্ষণ শুরু করে। পরিস্থিতি বুঝে আত্মরক্ষার্থে বিজিবিও পাল্টা গুলি চালায়। প্রায় ৮ থেকে ১০ মিনিট থেমে থেমে চলা এই গোলাগুলির পর চোরাকারবারীরা পালিয়ে যায়। ঘটনায় কোনো পক্ষের কেউ আহত বা নিহত হননি।
যামিনীপাড়া ব্যাটালিয়নের (২৩ বিজিবি) অধিনায়ক জানান, যামিনীপাড়া ব্যাটালিয়নের দায়িত্বপূর্ণ সীমান্ত এলাকায় অবৈধ অনুপ্রবেশ, অস্ত্র-গোলাবারুদ ও মাদক চোরাচালানের সম্ভাব্য পথগুলো চিহ্নিত করে বিজিবি নিবিড় পর্যবেক্ষণ ও কঠোর নজরদারি অব্যাহত রেখেছে।
What's Your Reaction?