মাদক সেবনের অভিযোগে যুবলীগ নেতা আদনান গ্রেপ্তার

কুমিল্লার বুড়িচংয়ে মাদক সেবনের অভিযোগে উপজেলা যুবলীগের নেতা মো. আদনান হায়দারকে (৪৬) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বুধবার (১২ আগস্ট) দিবাগত রাত দেড়টার দিকে উপজেলার মিথিলাপুর খেয়াঘাটের পূর্ব পাশে অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয় বলে পুলিশের এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে। গ্রেপ্তার আদনান হায়দার বুড়িচং উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান আখলাক হায়দারের ছেলে। তিনি উপজেলার সিন্দুরিয়াপাড়া এলাকার বাসিন্দা। পুলিশের এজাহার সূত্রে জানা যায়, বুধবার দিবাগত রাত আনুমানিক ১টা ৩০ মিনিটের দিকে বুড়িচং থানার একটি টহল দল মিথিলাপুর খেয়াঘাটের পূর্ব পাশে অভিযান চালায়। এ সময় সেখানে এক ব্যক্তিকে মাদক সেবন করতে দেখে পুলিশ। পরে তাকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে তার পরিচয় জানা যায়। পুলিশের দাবি, আটকের পর মাদক সেবনের বৈধ লাইসেন্স বা পারমিট আছে কি না জানতে চাওয়া হলে আদনান হায়দার কোনো বৈধ কাগজপত্র দেখাতে পারেননি। পরে তাকে বুড়িচং উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে তার অ্যালকোহল সেবনের বিষয়ে মতামত দেন বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে। এ ঘটনায় ২০১৮ সালের মাদকদ্রব্য

মাদক সেবনের অভিযোগে যুবলীগ নেতা আদনান গ্রেপ্তার

কুমিল্লার বুড়িচংয়ে মাদক সেবনের অভিযোগে উপজেলা যুবলীগের নেতা মো. আদনান হায়দারকে (৪৬) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

বুধবার (১২ আগস্ট) দিবাগত রাত দেড়টার দিকে উপজেলার মিথিলাপুর খেয়াঘাটের পূর্ব পাশে অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয় বলে পুলিশের এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।

গ্রেপ্তার আদনান হায়দার বুড়িচং উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান আখলাক হায়দারের ছেলে। তিনি উপজেলার সিন্দুরিয়াপাড়া এলাকার বাসিন্দা।

পুলিশের এজাহার সূত্রে জানা যায়, বুধবার দিবাগত রাত আনুমানিক ১টা ৩০ মিনিটের দিকে বুড়িচং থানার একটি টহল দল মিথিলাপুর খেয়াঘাটের পূর্ব পাশে অভিযান চালায়। এ সময় সেখানে এক ব্যক্তিকে মাদক সেবন করতে দেখে পুলিশ। পরে তাকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে তার পরিচয় জানা যায়।

পুলিশের দাবি, আটকের পর মাদক সেবনের বৈধ লাইসেন্স বা পারমিট আছে কি না জানতে চাওয়া হলে আদনান হায়দার কোনো বৈধ কাগজপত্র দেখাতে পারেননি। পরে তাকে বুড়িচং উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে তার অ্যালকোহল সেবনের বিষয়ে মতামত দেন বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।

এ ঘটনায় ২০১৮ সালের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের ৩৬(১) ধারায় তার বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

এদিকে পুলিশের নথি যাচাই করে আদনান হায়দারের বিরুদ্ধে কুমিল্লার বিভিন্ন থানায় একাধিক মামলা থাকার তথ্য পাওয়া গেছে। এজাহারে উল্লেখ করা তথ্য অনুযায়ী, কুমিল্লা কোতোয়ালি মডেল থানায় বিশেষ ক্ষমতা আইন, দণ্ডবিধি ও বিস্ফোরক দ্রব্য আইনে মামলা রয়েছে। এছাড়া বুড়িচং থানায় ২০২২ সালে অস্ত্র ও বিস্ফোরক দ্রব্য আইনে একাধিক মামলা এবং কুমিল্লা সদর দক্ষিণ থানায় ২০২৪ সালে দণ্ডবিধি ও বিস্ফোরক দ্রব্য আইনে আরও দুটি মামলা রয়েছে।

বুড়িচং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি লুৎফুর রহমান জানিয়েছে,এ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন এবং গ্রেপ্তার ব্যক্তির বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। একই সঙ্গে তার বিরুদ্ধে থাকা পূর্বের মামলাগুলোর তথ্যও যাচাই করা হচ্ছে। আদালতে প্রেরণে প্রস্তুতি চলছে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow