মাদকসেবীকে আজান দিয়ে তওবা করাল পুলিশ

সাভারে এক মাদকাসক্ত যুবককে আটক করে আজান দেওয়ানোর পর তওবা করিয়ে ছেড়ে দিয়েছে পুলিশ। ঘটনাটি ইতোমধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে। বুধবার (৬ মে) বিকেলে বিরুলিয়া ইউনিয়নের কাকাব গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। জানা যায়, বুধবার বিকেলে মাদক সেবনের সময় রবিন নামের এক যুবককে আটক করে বিরুলিয়া ইউনিয়ন পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা। এ সময় তার মা সখিনা বেগম পুলিশের কাছে আকুতি জানিয়ে ছেলেকে শেষবারের মতো সুযোগ দেওয়ার অনুরোধ করেন। এ সময় মা সখিনা বেগম জানান, প্রায় এক মাস আগে মাদক মামলায় কারাভোগ শেষে জামিনে মুক্তি পায় রবিন। মুক্তির পরও সে পুনরায় মাদকে আসক্ত হয়ে পড়ে এবং প্রায়ই তাকে নির্যাতন করে। পরিস্থিতি বিবেচনায় পুলিশ রবিনকে আজান দিতে বলে।  পরে রবিন আজান দেন এবং সবার সামনে তওবা করে ভবিষ্যতে মাদক পরিহারসহ নিয়মিত নামাজ আদায়ের অঙ্গীকার করেন। এ সময় তিনি মায়ের কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করলে উপস্থিত স্থানীয় লোকজনের সম্মতিতে তাকে মায়ের জিম্মায় ছেড়ে দেওয়া হয়। ঘটনার সময় স্থানীয় ইউপি সদস্য শাহীন মিয়াসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন। বিরুলিয়া ইউনিয়ন পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ আল আমিন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন,

মাদকসেবীকে আজান দিয়ে তওবা করাল পুলিশ
সাভারে এক মাদকাসক্ত যুবককে আটক করে আজান দেওয়ানোর পর তওবা করিয়ে ছেড়ে দিয়েছে পুলিশ। ঘটনাটি ইতোমধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে। বুধবার (৬ মে) বিকেলে বিরুলিয়া ইউনিয়নের কাকাব গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। জানা যায়, বুধবার বিকেলে মাদক সেবনের সময় রবিন নামের এক যুবককে আটক করে বিরুলিয়া ইউনিয়ন পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা। এ সময় তার মা সখিনা বেগম পুলিশের কাছে আকুতি জানিয়ে ছেলেকে শেষবারের মতো সুযোগ দেওয়ার অনুরোধ করেন। এ সময় মা সখিনা বেগম জানান, প্রায় এক মাস আগে মাদক মামলায় কারাভোগ শেষে জামিনে মুক্তি পায় রবিন। মুক্তির পরও সে পুনরায় মাদকে আসক্ত হয়ে পড়ে এবং প্রায়ই তাকে নির্যাতন করে। পরিস্থিতি বিবেচনায় পুলিশ রবিনকে আজান দিতে বলে।  পরে রবিন আজান দেন এবং সবার সামনে তওবা করে ভবিষ্যতে মাদক পরিহারসহ নিয়মিত নামাজ আদায়ের অঙ্গীকার করেন। এ সময় তিনি মায়ের কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করলে উপস্থিত স্থানীয় লোকজনের সম্মতিতে তাকে মায়ের জিম্মায় ছেড়ে দেওয়া হয়। ঘটনার সময় স্থানীয় ইউপি সদস্য শাহীন মিয়াসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন। বিরুলিয়া ইউনিয়ন পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ আল আমিন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, রবিন দীর্ঘদিন ধরে মাদকাসক্ত এবং তার মাকে নির্যাতন করে আসছিল। মানবিক দিক বিবেচনায় তাকে সতর্ক করে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এদিকে, মাদকাসক্তকে আজান দেওয়ানো ও তওবা করানোর ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ায় ঘটনাটি নিয়ে নানা আলোচনা-সমালোচনা চলছে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow