মাদকের টাকা পাচার করতে গিয়ে বৃদ্ধা মায়ের জেল

দক্ষিণ কোরিয়ায় ছেলের মাদক ব্যবসার টাকা পাচার করার অভিযোগে ৯০ বছর বয়সী এক নারীকে এক বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। মঙ্গলবার (১৩ এপ্রিল) সংবাদমাধ্যম বিবিসির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়। স্থানীয় গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়, ওই নারী ২০২০ সাল থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত মোট নয় দফায় অর্থপাচার করেন। এসময়ে তিনি প্রায় ৩৮ কোটি ৬০ লাখ ওন (প্রায় ২ লাখ ৬০ হাজার মার্কিন ডলার) লেনদেন করেন। পরে তার ছেলের নির্দেশে ওই টাকা একটি ব্যাংক অ্যাকাউন্টে রাখেন। ইনচন আদালতের শুনানিতে এসব তথ্য উঠে আসে। ওই নারীর ছেলে সং ২০২০ সাল থেকে কম্বোডিয়ায় কারাবন্দি রয়েছেন। দেশটিতে মেথামফেটামিন নামক মাদক পাচারের অভিযোগে গ্রেপ্তার হওয়ার পর থেকেই সে কারাভোগ করছেন।   আদালতে জানানো হয়, ওই নারী তার ছেলের গ্রেপ্তারের বিষয়টি জানতেন। তিনি ২০১৯ সালে ৫ বার কম্বোডিয়ায় যান। এ কারণে ধারণা করা হচ্ছে যে, ওই নারী তার ছেলের অবৈধ টাকার কথা জেনেই পাচার করতেন।  ইনচন জেলা আদালতের বিচারক উই ইউন-সুক বলেন, তার এ কর্মকাণ্ড তার ছেলের অবৈধ টাকার উৎস খুঁজে বের করা আরও কঠিন করে তুলেছে। এছাড়াও, এর ফলে দেশে মাদক ছড়িয়ে পড়েছে যা অপরাধটিকে আরও গুরুতর করে তুলেছে।

মাদকের টাকা পাচার করতে গিয়ে বৃদ্ধা মায়ের জেল

দক্ষিণ কোরিয়ায় ছেলের মাদক ব্যবসার টাকা পাচার করার অভিযোগে ৯০ বছর বয়সী এক নারীকে এক বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। মঙ্গলবার (১৩ এপ্রিল) সংবাদমাধ্যম বিবিসির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

স্থানীয় গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়, ওই নারী ২০২০ সাল থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত মোট নয় দফায় অর্থপাচার করেন। এসময়ে তিনি প্রায় ৩৮ কোটি ৬০ লাখ ওন (প্রায় ২ লাখ ৬০ হাজার মার্কিন ডলার) লেনদেন করেন। পরে তার ছেলের নির্দেশে ওই টাকা একটি ব্যাংক অ্যাকাউন্টে রাখেন। ইনচন আদালতের শুনানিতে এসব তথ্য উঠে আসে।

ওই নারীর ছেলে সং ২০২০ সাল থেকে কম্বোডিয়ায় কারাবন্দি রয়েছেন। দেশটিতে মেথামফেটামিন নামক মাদক পাচারের অভিযোগে গ্রেপ্তার হওয়ার পর থেকেই সে কারাভোগ করছেন।  

আদালতে জানানো হয়, ওই নারী তার ছেলের গ্রেপ্তারের বিষয়টি জানতেন। তিনি ২০১৯ সালে ৫ বার কম্বোডিয়ায় যান। এ কারণে ধারণা করা হচ্ছে যে, ওই নারী তার ছেলের অবৈধ টাকার কথা জেনেই পাচার করতেন। 

ইনচন জেলা আদালতের বিচারক উই ইউন-সুক বলেন, তার এ কর্মকাণ্ড তার ছেলের অবৈধ টাকার উৎস খুঁজে বের করা আরও কঠিন করে তুলেছে। এছাড়াও, এর ফলে দেশে মাদক ছড়িয়ে পড়েছে যা অপরাধটিকে আরও গুরুতর করে তুলেছে।

তবে শাস্তি নির্ধারণে ওই নারীর বয়স এবং আগে মাদক-সংক্রান্ত কোনো অপরাধ না থাকার বিষয়টি বিবেচনা করেছেন আদালত। দক্ষিণ কোরিয়ার আদালত সংকে কম্বোডিয়া থেকে দেশে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করছে বলে জানা যায়। 

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, সং এর মেয়েও টাকা পাচারের সঙ্গে জড়িত ছিল। তার বিরুদ্ধে ৬০ কোটি ওন অবৈধভাবে লেনদেনের অভিযোগ উঠেছে। তবে যথাযথ প্রমাণের অভাবে আদালত তাকে অর্থ পাচারের অভিযোগ থেকে মুক্তি দেয়।  

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow