মাদরাসা থেকে পাস করেও সহিহ কোরআন পড়তে পারে না শিক্ষার্থীরা

দেশের মাদরাসাগুলো থেকে পড়ালেখা শেষ করা শিক্ষার্থীরা সহিহভাবে কোরআন পড়তে পারেন না। এজন্য তাদের স্কুল-কলেজে ধর্মীয় শিক্ষক পদে নিয়োগ দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না বলে মন্তব্য করেছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি বলেন, ইসলামিক এডুকেশনকে ধর্মীয় শিক্ষা হিসেবে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়। দেশের গ্রামপর্যায়ের স্কুল-কলেজে ধর্ম শিক্ষকের প্রয়োজন। কিন্তু মাদরাসা থেকে পাস করাদের যে আমরা নিয়োগ দেব, তারা তো সহিহভাবে কোরআন পড়তে পারেন না। তারা মাদরাসায় পড়েন, কিন্তু তাজবিদ সাবজেক্টটা নিতে চান না। এজন্য কোরআনও শুদ্ধ হয় না। মঙ্গলবার (৩০ জুন) সকালে রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয় আয়োজিত ‘শ্রেষ্ঠ প্রতিষ্ঠান ও অনন্য শিক্ষার্থীদের অ্যাওয়ার্ড প্রদান অনুষ্ঠানে’ প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। হতাশা প্রকাশ করে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, দেশের হাইস্কুলগুলোতে বর্তমানে ৯ হাজার ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া প্রয়োজন। কিন্তু শিক্ষার্থীদের শুদ্ধভাবে কোরআন পড়তে না পারায় যোগ্য শিক্ষক পাওয়া যাচ্ছে না। আমরা একজনও দিতে পারি না। যদি সহিহভাবে কোরআন না পড়ে, তাহলে আমি ক

মাদরাসা থেকে পাস করেও সহিহ কোরআন পড়তে পারে না শিক্ষার্থীরা

দেশের মাদরাসাগুলো থেকে পড়ালেখা শেষ করা শিক্ষার্থীরা সহিহভাবে কোরআন পড়তে পারেন না। এজন্য তাদের স্কুল-কলেজে ধর্মীয় শিক্ষক পদে নিয়োগ দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না বলে মন্তব্য করেছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

তিনি বলেন, ইসলামিক এডুকেশনকে ধর্মীয় শিক্ষা হিসেবে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়। দেশের গ্রামপর্যায়ের স্কুল-কলেজে ধর্ম শিক্ষকের প্রয়োজন। কিন্তু মাদরাসা থেকে পাস করাদের যে আমরা নিয়োগ দেব, তারা তো সহিহভাবে কোরআন পড়তে পারেন না। তারা মাদরাসায় পড়েন, কিন্তু তাজবিদ সাবজেক্টটা নিতে চান না। এজন্য কোরআনও শুদ্ধ হয় না।

মঙ্গলবার (৩০ জুন) সকালে রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয় আয়োজিত ‘শ্রেষ্ঠ প্রতিষ্ঠান ও অনন্য শিক্ষার্থীদের অ্যাওয়ার্ড প্রদান অনুষ্ঠানে’ প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

হতাশা প্রকাশ করে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, দেশের হাইস্কুলগুলোতে বর্তমানে ৯ হাজার ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া প্রয়োজন। কিন্তু শিক্ষার্থীদের শুদ্ধভাবে কোরআন পড়তে না পারায় যোগ্য শিক্ষক পাওয়া যাচ্ছে না। আমরা একজনও দিতে পারি না। যদি সহিহভাবে কোরআন না পড়ে, তাহলে আমি কীভাবে শিক্ষক নিয়োগ দেব?

jagonews24

ড. এহছানুল হক মিলন বলেন, যোগ্য প্রার্থী পাওয়া গেলে মাদরাসা থেকে বড় পরিসরে শিক্ষক নিয়োগের সুযোগ রয়েছে। আমরা এক লাখ শিক্ষক নিয়োগের ব্যবস্থা করতে পারি। প্রত্যেকটা কলেজ, স্কুল, মাদরাসায় এ নিয়োগ দেওয়া সম্ভব। শুধু আমাদের সরকারি প্রাইমারি স্কুলই আছে ৬৫ হাজার। সেখানে একজন করে নিলেও ৬৫ হাজার শিক্ষক নিতে হবে। সেজন্য মাদরাসা থেকে পাস করাদের অন্তত সহিহ-শুদ্ধভাবে কোরআনটা পড়তে শিখতে হবে।

ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আবু জাফর খানের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি ছিলেন শিক্ষা সচিব আবদুল খালেক, মাউশির মহাপরিচালক অধ্যাপক ড. খান মইনুদ্দিন আল মাহমুদ সোহেল প্রমুখ।

এএএইচ/এমআইএইচএস

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow