মাদারীপুরে ফল ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যা
মাদারীপুরের রাজৈরে মেয়ের শ্বশুর বাড়িতে জমিজমা বিরোধের সালিশ করতে গিয়ে প্রতিপক্ষের হাতে খুন হয়েছেন জাকির শেখ নামের এক ফল ব্যবসায়ী। একই সঙ্গে তার স্ত্রী ও মেয়েকেও কুপিয়ে গুরুতর আহত করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) সকাল ১০টার দিকে আমগ্রাম ইউনিয়নের আমগ্রাম মধ্যপাড়া এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও নিহতের পরিবার সূত্রে জানা গেছে, জমিজমা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে রাজৈরের আমগ্রাম এলাকায় জাকির শেখের মেয়ের জামাই রাসেল কাজীর সাথে প্রতিবেশী মজিদ খানের বিরোধ চলছিল। এ বিরোধ মীমাংসা জন্য মঙ্গলবার সকালে ওই বাড়িতে সালিশের জন্য যান জাকির শেখ (৫৫)।
সালিশ চলাকালীন সময় বাগ্বিতণ্ডার একপর্যায়ে উত্তেজিত হয়ে প্রতিপক্ষ মজিদ খান ও তার ভাইয়েরা ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে জাকির শেখ, তার স্ত্রী রেবা বেগম ও মেয়ে তাজনূর বেগমকে রক্তাক্ত জখম করে। স্বজনরা উদ্ধার করে মুমূর্ষু অবস্থায় তাদের রাজৈর হাসপাতালে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক জাকির শেখকে মৃত্যু ঘোষণা করেন। আহত অপর দুজনকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
নিহত জাকির শেখ উপজেলার মজুমদারকান্দি গ্রামের নুর ইসলাম শেখের পুত্র। তিনি রাজৈরে বাসস্ট্যান্ডে ফলের ব্যবসা করতেন।
মাদারীপুরের রাজৈরে মেয়ের শ্বশুর বাড়িতে জমিজমা বিরোধের সালিশ করতে গিয়ে প্রতিপক্ষের হাতে খুন হয়েছেন জাকির শেখ নামের এক ফল ব্যবসায়ী। একই সঙ্গে তার স্ত্রী ও মেয়েকেও কুপিয়ে গুরুতর আহত করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) সকাল ১০টার দিকে আমগ্রাম ইউনিয়নের আমগ্রাম মধ্যপাড়া এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও নিহতের পরিবার সূত্রে জানা গেছে, জমিজমা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে রাজৈরের আমগ্রাম এলাকায় জাকির শেখের মেয়ের জামাই রাসেল কাজীর সাথে প্রতিবেশী মজিদ খানের বিরোধ চলছিল। এ বিরোধ মীমাংসা জন্য মঙ্গলবার সকালে ওই বাড়িতে সালিশের জন্য যান জাকির শেখ (৫৫)।
সালিশ চলাকালীন সময় বাগ্বিতণ্ডার একপর্যায়ে উত্তেজিত হয়ে প্রতিপক্ষ মজিদ খান ও তার ভাইয়েরা ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে জাকির শেখ, তার স্ত্রী রেবা বেগম ও মেয়ে তাজনূর বেগমকে রক্তাক্ত জখম করে। স্বজনরা উদ্ধার করে মুমূর্ষু অবস্থায় তাদের রাজৈর হাসপাতালে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক জাকির শেখকে মৃত্যু ঘোষণা করেন। আহত অপর দুজনকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
নিহত জাকির শেখ উপজেলার মজুমদারকান্দি গ্রামের নুর ইসলাম শেখের পুত্র। তিনি রাজৈরে বাসস্ট্যান্ডে ফলের ব্যবসা করতেন।
হত্যাকাণ্ডের খবর ছড়িয়ে পড়লে উত্তেজিত গ্রামবাসী প্রতিপক্ষ মজিদ খান ও তার ভাইদের ৪টি ঘর আগুনে পুড়িয়ে দিয়েছেন। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
রাজৈর থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) কুতুবউদ্দিন বলেন, বর্তমানে এলাকার পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে। ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।