মাদ্রাসা থেকে পালাতে গিয়ে ভেন্টিলেটরে আটকে গেল ছাত্র

চাঁদপুরের মতলব দক্ষিণে মাদ্রাসার তিনতলার ওয়াশরুমের ভেন্টিলেটর দিয়ে পালাতে গিয়ে আটকে পড়ে এক শিশু শিক্ষার্থী। পরে ফায়ার সার্ভিসের তৎপরতায় প্রায় ১৫ মিনিটের চেষ্টায় তাকে জীবিত উদ্ধার করা হয়। বুধবার (৬ মে) দুপুরে মতলব পৌর এলাকার মারকাযুত তাকওয়া আল ইসলামিয়া মাদ্রাসা ভবনে এ ঘটনা ঘটে। উদ্ধার হওয়া মো. ওমর ফারুক (১০) মতলব দক্ষিণ উপজেলার চাপাতিয়া গ্রামের মজিবুর রহমান প্রধানের ছেলে। সে মাদ্রাসাটির নুরানি বিভাগের ২য় শ্রেণির শিক্ষার্থী। ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয় সূত্র জানায়, দুপুরে মাদ্রাসার অধিকাংশ শিক্ষার্থী ঘুমিয়ে থাকলেও ওমর ফারুক ওয়াশরুমে গিয়ে ভেন্টিলেটর দিয়ে বাইরে বের হওয়ার চেষ্টা করে। এ সময় সে জানালার রেলিংয়ের মধ্যে আটকে পড়ে। বিষয়টি দেখে স্থানীয় এক ব্যক্তি দ্রুত ফায়ার সার্ভিসে খবর দেন। খবর পেয়ে মতলব দক্ষিণ ফায়ার সার্ভিসের একটি উদ্ধারকারী দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় আটকে থাকা শিশুটিকে উদ্ধার অভিযান শুরু করে। প্রায় ১৫ মিনিটের চেষ্টায় বিশেষ কৌশলে তাকে নিচে নামিয়ে আনা হয়। তাৎক্ষণিক উদ্ধার কার্যক্রমের ফলে বড় ধরনের দুর্ঘটনা এড়ানো সম্ভব হয়েছে। শিশুটির মা ফারহানা আক্তার বলেন, বিকেল সাড়ে ৫

মাদ্রাসা থেকে পালাতে গিয়ে ভেন্টিলেটরে আটকে গেল ছাত্র
চাঁদপুরের মতলব দক্ষিণে মাদ্রাসার তিনতলার ওয়াশরুমের ভেন্টিলেটর দিয়ে পালাতে গিয়ে আটকে পড়ে এক শিশু শিক্ষার্থী। পরে ফায়ার সার্ভিসের তৎপরতায় প্রায় ১৫ মিনিটের চেষ্টায় তাকে জীবিত উদ্ধার করা হয়। বুধবার (৬ মে) দুপুরে মতলব পৌর এলাকার মারকাযুত তাকওয়া আল ইসলামিয়া মাদ্রাসা ভবনে এ ঘটনা ঘটে। উদ্ধার হওয়া মো. ওমর ফারুক (১০) মতলব দক্ষিণ উপজেলার চাপাতিয়া গ্রামের মজিবুর রহমান প্রধানের ছেলে। সে মাদ্রাসাটির নুরানি বিভাগের ২য় শ্রেণির শিক্ষার্থী। ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয় সূত্র জানায়, দুপুরে মাদ্রাসার অধিকাংশ শিক্ষার্থী ঘুমিয়ে থাকলেও ওমর ফারুক ওয়াশরুমে গিয়ে ভেন্টিলেটর দিয়ে বাইরে বের হওয়ার চেষ্টা করে। এ সময় সে জানালার রেলিংয়ের মধ্যে আটকে পড়ে। বিষয়টি দেখে স্থানীয় এক ব্যক্তি দ্রুত ফায়ার সার্ভিসে খবর দেন। খবর পেয়ে মতলব দক্ষিণ ফায়ার সার্ভিসের একটি উদ্ধারকারী দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় আটকে থাকা শিশুটিকে উদ্ধার অভিযান শুরু করে। প্রায় ১৫ মিনিটের চেষ্টায় বিশেষ কৌশলে তাকে নিচে নামিয়ে আনা হয়। তাৎক্ষণিক উদ্ধার কার্যক্রমের ফলে বড় ধরনের দুর্ঘটনা এড়ানো সম্ভব হয়েছে। শিশুটির মা ফারহানা আক্তার বলেন, বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে মাদ্রাসা থেকে বিষয়টি আমাকে জানানো হয়। এখন বাচ্চা মাদ্রাসাতেই আছে। মাদ্রাসার পরিচালক হাবিবুর রহমান বলেন, সব শিক্ষার্থী ঘুমিয়ে পড়লেও সে না ঘুমিয়ে পালানোর চেষ্টা করছিল। স্থানীয়রা বিষয়টি দেখে আমাকে জানায়। পরে ফায়ার সার্ভিস এসে তাকে উদ্ধার করে। মতলব দক্ষিণ ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার মো. মেহেদী হাসান বলেন, সংবাদ পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে আমরা দ্রুত ঘটনাস্থলে যাই। একটি ইউনিট কাজ করে প্রায় ১৫ মিনিটের মধ্যে শিশুটিকে নিরাপদে উদ্ধার করতে সক্ষম হয়।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow