মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় জয় ও পলকের বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ ১৫ জুন

ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয় এবং সাবেক তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ আহমেদ পলকের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণ পিছিয়ে আগামী ১৫ জুন দিন ধার্য করেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। সাক্ষ্যগ্রহণের নির্ধারিত দিনে বৃহস্পতিবার (৪ জুন) প্রসিকিউশন আদালতে কোনো সাক্ষী হাজির করতে না পারায় ট্রাইব্যুনাল-১ এ মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ পিছিয়ে দেওয়া হয়। পরবর্তীতে আদালত আগামী ১৫ জুন নতুন দিন ধার্য করেন বলে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন পলকের আইনজীবী লিটন আহমেদ। গত ১৮ ফেব্রুয়ারি এ মামলায় প্রসিকিউশনের পক্ষে আদালতে ওপেনিং স্টেটমেন্ট (সূচনা বক্তব্য) উপস্থাপন করা হয়। ওই সূচনা বক্তব্যে প্রসিকিউশন সজীব ওয়াজেদ জয় ও জুনায়েদ আহমেদ পলককে জুলাই গণহত্যার অন্যতম মাস্টারমাইন্ড হিসেবে উল্লেখ করে। এর আগে গত ২১ জানুয়ারি আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন আদালত। এর মধ্যদিয়ে এ মামলার আনুষ্ঠানিক বিচার কার্যক্রম শুরু হয়। প্রসিকিউশনের অভিযোগ অনুযায়ী, গণঅভ্যুত্থানের সময় ইন্টারনেট বন্ধের নির্দেশ সজীব ওয়াজেদ জয়ের কাছ থেকে আসতো এবং সেই নির্দেশ বাস্তবা

মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় জয় ও পলকের বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ ১৫ জুন

ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয় এবং সাবেক তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ আহমেদ পলকের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণ পিছিয়ে আগামী ১৫ জুন দিন ধার্য করেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।

সাক্ষ্যগ্রহণের নির্ধারিত দিনে বৃহস্পতিবার (৪ জুন) প্রসিকিউশন আদালতে কোনো সাক্ষী হাজির করতে না পারায় ট্রাইব্যুনাল-১ এ মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ পিছিয়ে দেওয়া হয়। পরবর্তীতে আদালত আগামী ১৫ জুন নতুন দিন ধার্য করেন বলে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন পলকের আইনজীবী লিটন আহমেদ।

গত ১৮ ফেব্রুয়ারি এ মামলায় প্রসিকিউশনের পক্ষে আদালতে ওপেনিং স্টেটমেন্ট (সূচনা বক্তব্য) উপস্থাপন করা হয়। ওই সূচনা বক্তব্যে প্রসিকিউশন সজীব ওয়াজেদ জয় ও জুনায়েদ আহমেদ পলককে জুলাই গণহত্যার অন্যতম মাস্টারমাইন্ড হিসেবে উল্লেখ করে। এর আগে গত ২১ জানুয়ারি আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন আদালত। এর মধ্যদিয়ে এ মামলার আনুষ্ঠানিক বিচার কার্যক্রম শুরু হয়।

প্রসিকিউশনের অভিযোগ অনুযায়ী, গণঅভ্যুত্থানের সময় ইন্টারনেট বন্ধের নির্দেশ সজীব ওয়াজেদ জয়ের কাছ থেকে আসতো এবং সেই নির্দেশ বাস্তবায়ন করতেন জুনায়েদ আহমেদ পলক। প্রসিকিউশনের দাবি, এসব কর্মকাণ্ড মানবতাবিরোধী অপরাধের আওতায় পড়ে।

আসামিপক্ষ অভিযোগ অস্বীকার করেছে। পলকের আইনজীবী আদালতে বলেন, ইন্টারনেট বন্ধের নির্দেশ পলক দেননি এবং এই সিদ্ধান্ত স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে আসতো। অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা এড়াতে এবং গুজব প্রতিরোধে আলোচনার মাধ্যমে সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করা হয়েছিল।

এ মামলার আসামি সজীব ওয়াজেদ জয় পলাতক রয়েছেন। অপর আসামি জুনায়েদ আহমেদ পলক বর্তমানে গ্রেফতার হয়ে কারাগারে আছেন। শুনানির জন্য তাকে কারাগার থেকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়। অভিযোগ গঠনের জবাবে তিনি নিজেকে নির্দোষ দাবি করেন।

গত ৪ ডিসেম্বর আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল জয় ও পলকের বিরুদ্ধে অভিযোগ আমলে নেয়। ওই দিন জয়ের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয় এবং আটক পলককে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময়কার মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে গ্রেফতার দেখানো হয়। ট্রাইব্যুনালে তাদের বিরুদ্ধে মোট তিনটি অভিযোগ আনা হয়েছে।

এফএইচ/এমএএইচ/

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow