মানবাধিকার নিশ্চিতে ইসলামই একমাত্র সমাধান : মোহাম্মদ সেলিম

একমাত্র ইসলামই পারে সত্যিকার অর্থে মানবাধিকার, বাক-স্বাধীনতা ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে, এমন মন্তব্য করেছেন অরাজনৈতিক আন্দোলন হেযবুত তওহীদের শীর্ষ নেতা এমাম হোসাইন মোহাম্মদ সেলিম। শনিবার (২৫ এপ্রিল) রাজধানীর পুরানা পল্টনে ফারস হোটেল অ্যান্ড রিসোর্টসে গণমাধ্যমকর্মীদের নিয়ে আয়োজিত এক গোলটেবিল বৈঠকে এই মন্তব্য করেন তিনি।  এসময় চলমান বিশ্বপরিস্থিতির কথা তুলে ধরে হেযবুত তওহীদের এমাম বলেন, বিশ্বজুড়ে মানবাধিকার লঙ্ঘন ও বাক-স্বাধীনতা হরণের এক পৈশাচিক উৎসব চলছে। একের পর এক মুসলিম রাষ্ট্রের উপর যুদ্ধ চাপিয়ে দেয়া হচ্ছে। জাতিসংঘ সহ আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলো এই অন্যায়ের প্রতিকারে ব্যর্থ হয়েছে। ফিলিস্তিন ও মিয়ানমারে মুসলিমদের ন্যূনতম অধিকারও তারা রক্ষা করতে পারেনি।  বাংলাদেশের প্রেক্ষাপট উল্লেখ করে হেযবুত তওহীদের এমাম বলেন, গত দুই বছরে দেশে কয়েকশ মবের ঘটনা ঘটেছে। একটি উগ্র ও সাম্প্রদায়িক গোষ্ঠী সর্বত্র অরাজকতা সৃষ্টি করে বেড়াচ্ছে। তিনি প্রচলিত সিস্টেম পরিবর্তনের প্রস্তাব তুলে ধরে বলেন, ইসলামকে বর্তমানে একটি ভীতিকর বিষয় হিসেবে উপস্থাপন করা হয়। কিন্তু এটি আল্লাহপ্রদত্ত সহজ-সরল, ভারসাম্যপূর্ণ জীবনব্যবস্

মানবাধিকার নিশ্চিতে ইসলামই একমাত্র সমাধান : মোহাম্মদ সেলিম

একমাত্র ইসলামই পারে সত্যিকার অর্থে মানবাধিকার, বাক-স্বাধীনতা ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে, এমন মন্তব্য করেছেন অরাজনৈতিক আন্দোলন হেযবুত তওহীদের শীর্ষ নেতা এমাম হোসাইন মোহাম্মদ সেলিম।

শনিবার (২৫ এপ্রিল) রাজধানীর পুরানা পল্টনে ফারস হোটেল অ্যান্ড রিসোর্টসে গণমাধ্যমকর্মীদের নিয়ে আয়োজিত এক গোলটেবিল বৈঠকে এই মন্তব্য করেন তিনি। 

এসময় চলমান বিশ্বপরিস্থিতির কথা তুলে ধরে হেযবুত তওহীদের এমাম বলেন, বিশ্বজুড়ে মানবাধিকার লঙ্ঘন ও বাক-স্বাধীনতা হরণের এক পৈশাচিক উৎসব চলছে। একের পর এক মুসলিম রাষ্ট্রের উপর যুদ্ধ চাপিয়ে দেয়া হচ্ছে। জাতিসংঘ সহ আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলো এই অন্যায়ের প্রতিকারে ব্যর্থ হয়েছে। ফিলিস্তিন ও মিয়ানমারে মুসলিমদের ন্যূনতম অধিকারও তারা রক্ষা করতে পারেনি। 

বাংলাদেশের প্রেক্ষাপট উল্লেখ করে হেযবুত তওহীদের এমাম বলেন, গত দুই বছরে দেশে কয়েকশ মবের ঘটনা ঘটেছে। একটি উগ্র ও সাম্প্রদায়িক গোষ্ঠী সর্বত্র অরাজকতা সৃষ্টি করে বেড়াচ্ছে। তিনি প্রচলিত সিস্টেম পরিবর্তনের প্রস্তাব তুলে ধরে বলেন, ইসলামকে বর্তমানে একটি ভীতিকর বিষয় হিসেবে উপস্থাপন করা হয়। কিন্তু এটি আল্লাহপ্রদত্ত সহজ-সরল, ভারসাম্যপূর্ণ জীবনব্যবস্থা। আর এই ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার মাধ্যমেই চলমান অন্যায়-অশান্তির অবসান সম্ভব।

তিনি রাষ্ট্রীয়, বিচারিক, সামরিক ও অর্থনীতিক অঙ্গন সহ সর্বত্র আল্লাহর বিধান প্রতিষ্ঠার আহ্বান জানান। পরে মুসলিম দেশগুলোর মধ্যে ঐক্য ও সমঝোতা এবং বিভিন্ন ধর্ম-সম্প্রদায়ের মধ্যে সংলাপ বৃদ্ধিসহ কিছু প্রস্তাবনা তুলে ধরেন। 

বৈঠকে আরও উপস্থিত ছিলেন হেযবুত তওহীদের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রুফায়দাহ পন্নী, ডা. মাহবুব আলম মাহফুজ ও এসএম সাসমুল হুদা, ডিইউজের সভাপতি মোহাম্মদ শহীদুল ইসলাম, দৈনিক কালবেলার হেড অব নিউজ ও বিশেষ প্রতিনিধি কবির হোসেন, এনটিভির প্রধান বার্তা সম্পাদক ফখরুল আলম খান এবং জাতীয় প্রেস ক্লাবের সাবেক যুগ্ম সম্পাদক মো. আশরাফ আলী।

এতে আরও উপস্থিত ছিলেন, গ্রিন ওয়াচের সম্পাদক মোস্তফা কামাল মজুমদার, দৈনিক মানবজমিনের নির্বাহী সম্পাদক শামীমুল হক, বাংলা ট্রিবিউনের বিশেষ প্রতিবেদক এস এম আব্বাস, দ্য ফিনান্সিয়াল পোস্টের মার্কেটিং বিভাগের ডেপুটি ম্যানেজার মেহেদী হাসান এবং হেযবুত তওহীদের গণমাধ্যম যোগাযোগ সম্পাদক শারমিন সুলতানা চৈতী প্রমুখ।
 

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow