মানিকগঞ্জে ৬ কিলোমিটার সড়ক যেন মরণফাঁদ

মানিকগঞ্জের ঘিওর উপজেলার গুরুত্বপূর্ণ বানিয়াজুরী-ঘিওর আঞ্চলিক সড়কটি এখন সাধারণ মানুষের জন্য এক আতঙ্কের নাম। সড়কের বানিয়াজুরী বাসস্ট্যান্ড থেকে বালিয়াখোড়া পর্যন্ত প্রায় ৬ কিলোমিটার অংশ জুড়ে সৃষ্টি হয়েছে অসংখ্য ছোট-বড় খানাখন্দ। সামান্য বৃষ্টিতেই এসব গর্তে পানি জমে মরণফাঁদে পরিণত হয়, যার ফলে প্রতিনিয়ত ঘটছে ছোট-বড় দুর্ঘটনা।  স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) আওতাধীন এই সড়ক দিয়ে প্রতিদিন ঘিওর, দৌলতপুরসহ পশ্চিমাঞ্চলের হাজার হাজার যানবাহন ও মানুষ চলাচল করেন। অথচ দীর্ঘকাল সংস্কারের ছোঁয়া না লাগায় সড়কের পিচ ও খোয়া উঠে গিয়ে এখন চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে।  সরেজমিনে দেখা যায়, বালিয়াখোড়া বাসস্ট্যান্ড থেকে বানিয়াজুরী পর্যন্ত সড়কের অবস্থা সবচেয়ে বেহাল। রাস্তার মাঝখানে ছোট বড় গর্তের কারণে যানবাহনগুলোকে ঝুঁকি নিয়ে হেলেদুলে চলতে হচ্ছে। বিশেষ করে ব্যাটারিচালিত রিকশা ও ইজিবাইকগুলো গর্তে পড়ে গিয়ে প্রায়ই উল্টে যাচ্ছে। এ পথে নিয়মিত চলাচলকারী অটোরিকশাচালক ইমরান মিয়া ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, বালিয়াখোড়া থেকে বানিয়াজুরী পর্যন্ত রাস্তার অবস্থা খুবই খারাপ। গাড়ি চালানোর সময় চাকা কখন গর্তে ঢুকে যায় টেরই প

মানিকগঞ্জে ৬ কিলোমিটার সড়ক যেন মরণফাঁদ

মানিকগঞ্জের ঘিওর উপজেলার গুরুত্বপূর্ণ বানিয়াজুরী-ঘিওর আঞ্চলিক সড়কটি এখন সাধারণ মানুষের জন্য এক আতঙ্কের নাম। সড়কের বানিয়াজুরী বাসস্ট্যান্ড থেকে বালিয়াখোড়া পর্যন্ত প্রায় ৬ কিলোমিটার অংশ জুড়ে সৃষ্টি হয়েছে অসংখ্য ছোট-বড় খানাখন্দ। সামান্য বৃষ্টিতেই এসব গর্তে পানি জমে মরণফাঁদে পরিণত হয়, যার ফলে প্রতিনিয়ত ঘটছে ছোট-বড় দুর্ঘটনা। 

স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) আওতাধীন এই সড়ক দিয়ে প্রতিদিন ঘিওর, দৌলতপুরসহ পশ্চিমাঞ্চলের হাজার হাজার যানবাহন ও মানুষ চলাচল করেন। অথচ দীর্ঘকাল সংস্কারের ছোঁয়া না লাগায় সড়কের পিচ ও খোয়া উঠে গিয়ে এখন চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। 

সরেজমিনে দেখা যায়, বালিয়াখোড়া বাসস্ট্যান্ড থেকে বানিয়াজুরী পর্যন্ত সড়কের অবস্থা সবচেয়ে বেহাল। রাস্তার মাঝখানে ছোট বড় গর্তের কারণে যানবাহনগুলোকে ঝুঁকি নিয়ে হেলেদুলে চলতে হচ্ছে। বিশেষ করে ব্যাটারিচালিত রিকশা ও ইজিবাইকগুলো গর্তে পড়ে গিয়ে প্রায়ই উল্টে যাচ্ছে।

এ পথে নিয়মিত চলাচলকারী অটোরিকশাচালক ইমরান মিয়া ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, বালিয়াখোড়া থেকে বানিয়াজুরী পর্যন্ত রাস্তার অবস্থা খুবই খারাপ। গাড়ি চালানোর সময় চাকা কখন গর্তে ঢুকে যায় টেরই পাওয়া যায় না। সারাক্ষণ দুর্ঘটনার ভয়ে থাকতে হয়। আমরা দ্রুত এই রাস্তা মেরামতের দাবি জানাই।

স্থানীয় একজন শিক্ষক বলেন, এই সড়কটি দিয়ে প্রতিদিন স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীসহ শত শত রোগী আনা-নেওয়া করা হয়। ভাঙা রাস্তার কারণে সময় যেমন নষ্ট হচ্ছে, তেমনি মানুষের শারীরিক কষ্টও বাড়ছে। একটি গুরুত্বপূর্ণ আঞ্চলিক সড়কের এমন দশা কর্তৃপক্ষের উদাসীনতারই বহিঃপ্রকাশ। 

অন্যদিকে ঘিওর উপজেলা সদর সংলগ্ন মডেল মসজিদ থেকে থানা মোড় পর্যন্ত রাস্তার বেহালদশা সামান্য বৃষ্টিতে তৈরী হয় জলাবদ্ধতা, জনগুরুত্বপূর্ণ উপজেলা সড়কগুলো সংস্কারের অভাবে প্রতিনিয়তই দুর্ভোগ পোহাচ্ছে স্থানীয়রা।

দ্রুত সময়ের মধ্যে এই সড়কগুলো সংস্কার করা না হলে যেকোনো সময় বড় ধরনের প্রাণহানির আশঙ্কা করছেন স্থানীয় ভুক্তভোগীরা। জনদুর্ভোগ লাঘবে কর্তৃপক্ষের পাশাপাশি স্থানীয় সংসদ সদস্যের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন যানবাহন চালক ও সাধারণ জনতা।

ঘিওর উপজেলা নির্বাহী প্রকৌশলী মোহাম্মদ আলী কালবেলাকে জানান, সড়কটির বর্তমান খারাপ অবস্থা সম্পর্কে আমরা অবগত আছি। ইতোমধ্যে স্থানীয় সংসদ সদস্যের সাথে কথা বলে ‘আমফান প্রকল্পের’ আওতায় সড়কটি সংস্কারের জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে তালিকা পাঠানো হয়েছে। অনুমোদন পেলেই মেরামতের কাজ শুরু করা হবে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow