মারা গেছেন ‘ডোরেমন’ নির্মাতা

শিশুদের জন্য বানানো ‘ডোরেমন’ কার্টুন পছন্দ করতেন বড়রাও। সেই সিরিজের নির্মাতা সুতোমু শিবায়ামা গত ৬ মার্চ মারা গেছেন। তার বয়স হয়েছিল ৮৪ বছর। তিনি দীর্ঘদিন ফুসফুসের ক্যানসারে ভুগছিলেন। সুতোমুর মৃত্যুতে জাপানের অ্যানিমেশন জগতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। তার প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে এই পরিচালকের মৃত্যুর ঘটনা নিশ্চিত করা হয়েছে। এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, জনপ্রিয় ধারাবাহিক ‘ডোরেমন’-এর পরিচালনায় তিনি অনেক বছর ধরে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। পাশাপাশি ‘নিন্তামা রান্তারো’ ধারাবাহিকের প্রধান পরিচালকের দায়িত্বও তিনি নিষ্ঠার সঙ্গে পালন করেছেন। তার অবদানের কথা স্মরণ করে গভীর শ্রদ্ধা জানিয়েছে দেশটির বিভিন্ন মহল। জাপানের অ্যানিমেশন শিল্পে সুতোমু শিবায়ামাকে অন্যতম পথপ্রদর্শক মনে করা হয়। ‘ডোরেমন’-এর মতো জনপ্রিয় ধারাবাহিককে ঘরে ঘরে পৌঁছে দেওয়ার ক্ষেত্রে তার অবদান ছিল অনন্য। নবিতা, শিজুকাদের মতো চরিত্র তার হাত ধরেই দর্শকের মনে স্থায়ী জায়গা করে নিয়েছে। তিনি এই ধারাবাহিকের ওপর ভিত্তি করে একাধিক পূর্ণদৈর্ঘ্যের চলচ্চিত্র নির্মাণ করেছেন এবং দীর্ঘদিন এর পরিচালনার দায়িত্ব পালন করেছেন। সুতোমু ১৯৬৩ সালে এক

মারা গেছেন ‘ডোরেমন’ নির্মাতা

শিশুদের জন্য বানানো ‘ডোরেমন’ কার্টুন পছন্দ করতেন বড়রাও। সেই সিরিজের নির্মাতা সুতোমু শিবায়ামা গত ৬ মার্চ মারা গেছেন। তার বয়স হয়েছিল ৮৪ বছর। তিনি দীর্ঘদিন ফুসফুসের ক্যানসারে ভুগছিলেন।

সুতোমুর মৃত্যুতে জাপানের অ্যানিমেশন জগতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। তার প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে এই পরিচালকের মৃত্যুর ঘটনা নিশ্চিত করা হয়েছে। এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, জনপ্রিয় ধারাবাহিক ‘ডোরেমন’-এর পরিচালনায় তিনি অনেক বছর ধরে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। পাশাপাশি ‘নিন্তামা রান্তারো’ ধারাবাহিকের প্রধান পরিচালকের দায়িত্বও তিনি নিষ্ঠার সঙ্গে পালন করেছেন। তার অবদানের কথা স্মরণ করে গভীর শ্রদ্ধা জানিয়েছে দেশটির বিভিন্ন মহল।

জাপানের অ্যানিমেশন শিল্পে সুতোমু শিবায়ামাকে অন্যতম পথপ্রদর্শক মনে করা হয়। ‘ডোরেমন’-এর মতো জনপ্রিয় ধারাবাহিককে ঘরে ঘরে পৌঁছে দেওয়ার ক্ষেত্রে তার অবদান ছিল অনন্য। নবিতা, শিজুকাদের মতো চরিত্র তার হাত ধরেই দর্শকের মনে স্থায়ী জায়গা করে নিয়েছে। তিনি এই ধারাবাহিকের ওপর ভিত্তি করে একাধিক পূর্ণদৈর্ঘ্যের চলচ্চিত্র নির্মাণ করেছেন এবং দীর্ঘদিন এর পরিচালনার দায়িত্ব পালন করেছেন।

সুতোমু ১৯৬৩ সালে একটি খ্যাতিমান অ্যানিমেশন প্রতিষ্ঠানে কর্মজীবন শুরু করেন। পরে কর্মস্থল বদলে বহু জনপ্রিয় কাজ দর্শকদের উপহার দেন। একপর্যায়ে নিজেই গড়ে তোলেন অ্যানিমেশন প্রতিষ্ঠান।

শুধু ‘ডোরেমন’ নয়, ‘চিবি মারুকো’, ‘নিন্তামা রান্তারো’সহ আরও বহু জনপ্রিয় ধারাবাহিক ও চলচ্চিত্রের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন তিনি। অ্যানিমেশন শিল্পে তার অসামান্য অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে ২০১২ সালে জাপান সরকারের সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে তাকে আজীবন সম্মাননা দেওয়া হয়।

আরএমডি

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow