মার্কিন আকাশে ‘প্রলয়ংকরী বিমান’, ইরানে পারমাণবিক হামলার ইঙ্গিত?

যুক্তরাষ্ট্রের আকাশে একটি ‘ডুমসডে প্লেন’ বা প্রলয়ংকরী বিমান চক্কর দিতে দেখা গেছে। ইরানকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের শান্তি চুক্তির প্রস্তাব মেনে নেওয়ার সময়সীমা শেষ হওয়ার মাত্র কয়েক ঘণ্টা আগে এ দৃশ্য দেখা গেল। এটি পারমাণবিক হামলার ইঙ্গিত কি না, তা নিয়ে চলছে নানা গুঞ্জন।  সোমবার (৬ এপ্রিল) নেব্রাস্কার একটি গুরুত্বপূর্ণ বিমানঘাঁটির ওপর আমেরিকার এ বিশেষ বিমানকে চক্কর দিতে দেখা যায়। মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে নিউইয়র্ক পোস্ট। প্রতিবেদনে বলা হয়, বোয়িং ই-৪বি নাইটওয়াচ বিমানটি মূলত পারমাণবিক যুদ্ধের সময়ে জাতীয় নিরাপত্তা কর্মকর্তাদের সুরক্ষা দিতে এবং সরকারের কার্যক্রম সচল রাখার জন্য তৈরি করা হয়েছে। ফ্লাইট ট্র্যাকারের মাধ্যমে দেখা গেছে, এটি যুক্তরাষ্ট্রের অফুট এয়ার ফোর্স বেসের ওপর উড়ছিল। এই ঘাঁটিতেই মার্কিন স্ট্র্যাটেজিক কমান্ডের সদর দপ্তর অবস্থিত। এ বিষয়ে ডেইলি মেইল জানায়, স্থানীয় সময় সকাল ১০টা ১৭ মিনিটে (ইএসটি) অফুট থেকে উড্ডয়ন করে এবং ঘাঁটিতে ফিরে অবতরণের আগে এলাকাটির চারপাশে অন্তত ছয়বার চক্কর দেয়। ব্যাপক উত্তেজনার সময় ফ্লাইট ট্র্যাকারের মাধ্যম

মার্কিন আকাশে ‘প্রলয়ংকরী বিমান’, ইরানে পারমাণবিক হামলার ইঙ্গিত?
যুক্তরাষ্ট্রের আকাশে একটি ‘ডুমসডে প্লেন’ বা প্রলয়ংকরী বিমান চক্কর দিতে দেখা গেছে। ইরানকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের শান্তি চুক্তির প্রস্তাব মেনে নেওয়ার সময়সীমা শেষ হওয়ার মাত্র কয়েক ঘণ্টা আগে এ দৃশ্য দেখা গেল। এটি পারমাণবিক হামলার ইঙ্গিত কি না, তা নিয়ে চলছে নানা গুঞ্জন।  সোমবার (৬ এপ্রিল) নেব্রাস্কার একটি গুরুত্বপূর্ণ বিমানঘাঁটির ওপর আমেরিকার এ বিশেষ বিমানকে চক্কর দিতে দেখা যায়। মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে নিউইয়র্ক পোস্ট। প্রতিবেদনে বলা হয়, বোয়িং ই-৪বি নাইটওয়াচ বিমানটি মূলত পারমাণবিক যুদ্ধের সময়ে জাতীয় নিরাপত্তা কর্মকর্তাদের সুরক্ষা দিতে এবং সরকারের কার্যক্রম সচল রাখার জন্য তৈরি করা হয়েছে। ফ্লাইট ট্র্যাকারের মাধ্যমে দেখা গেছে, এটি যুক্তরাষ্ট্রের অফুট এয়ার ফোর্স বেসের ওপর উড়ছিল। এই ঘাঁটিতেই মার্কিন স্ট্র্যাটেজিক কমান্ডের সদর দপ্তর অবস্থিত। এ বিষয়ে ডেইলি মেইল জানায়, স্থানীয় সময় সকাল ১০টা ১৭ মিনিটে (ইএসটি) অফুট থেকে উড্ডয়ন করে এবং ঘাঁটিতে ফিরে অবতরণের আগে এলাকাটির চারপাশে অন্তত ছয়বার চক্কর দেয়। ব্যাপক উত্তেজনার সময় ফ্লাইট ট্র্যাকারের মাধ্যমে বিমানটির গতিবিধি নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করা হয়। গত বছর ইরানের পারমাণবিক স্থাপনাগুলোতে বোমা হামলার সময় ১২ দিনের যুদ্ধ অভিযানে যুক্তরাষ্ট্র ইসরায়েলের সঙ্গে যোগ দেওয়ার মাত্র কয়েক দিন আগে এর একটি ফ্লাইট সবার দৃষ্টি আকর্ষণ করেছিল। যুক্তরাষ্ট্রের চারটি ই-৪বি বিমানের একটি বহর রয়েছে, সামরিক প্রস্তুতি বজায় রাখতে নিয়মিত উড্ডয়ন করে এ বিমানগুলো। এদিকে, হরমুজ প্রণালি খোলার বিষয়ে ইরানকে দেওয়া আলটিমেটামের সময় ঘনিয়ে আসার সঙ্গে সঙ্গে দেশটিকে নতুন করে হুমকি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। মঙ্গলবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে ট্রাম্প ইরানকে হুমকি দিয়ে লিখেছেন, ‘আজ রাতে একটি গোটা সভ্যতা ধ্বংস হয়ে যাবে, যা আর কখনো ফিরে আসবে না।’ ট্রাম্প বলেন, ‘আমি এটা চাই না এমনটা ঘটুক। কিন্তু সম্ভবত এমনটাই হবে। তবে এখন যেহেতু সম্পূর্ণ ও সর্বাত্মক শাসন ব্যবস্থার পরিবর্তন দেখেছি, যেখানে ভিন্ন, আরও বুদ্ধিমান এবং কম উগ্র চিন্তাধারার মানুষরা প্রাধান্য পাচ্ছে। হয়তো ভালো কিছু ঘটতে পারে।’ তিনি আরও বলেন, ‘কে জানে? আমরা আজ রাতেই জানতে পারব বিশ্বের দীর্ঘ ও জটিল ইতিহাসের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত এটি। ৪৭ বছরের অবৈধ জুলুম, দুর্নীতি এবং মৃত্যুর অবসান ঘটবে। মহান ইরানি জনগণের প্রতি ঈশ্বরের আশীর্বাদ থাকুক!’

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow