মার্কিন কংগ্রেসের প্রতি জনসমর্থন ১০ শতাংশে নেমেছে
যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেসের প্রতি জনসমর্থন হ্রাস পেয়ে মাত্র ১০ শতাংশে নেমে এসেছে। ১ এপ্রিল থেকে ১৫ এপ্রিল পর্যন্ত গ্যালাপ পরিচালিত জরিপে ১,০০১ জন প্রাপ্তবয়স্ক মার্কিন নাগরিক অংশ নেন। বুধবার (২২ এপ্রিল) গ্যালাপের জরিপে এমন তথ্য উঠে এসেছে বলে সংবাদ প্রকাশ করেছে মার্কিন সংবাদ মাধ্যম দ্য হিল। জরিপের তথ্য মতে, ৮৬ শতাংশ উত্তরদাতা ডেমোক্র্যাট ও রিপাবলিকান- উভয় দলের আইনপ্রণেতাদের কার্যক্রমে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। ১০ শতাংশ অনুমোদনের এ হার ইতিহাসের সর্বনিম্ন ৯ শতাংশের চেয়ে মাত্র ১ ভাগ বেশি। ৯ শতাংশের ওই জরিপটি ২০১৩ সালের নভেম্বরে করা হয়েছিল। এর আগে গত বছরের শাটডাউনের পর কংগ্রেসের অনুমোদন হার ১৪ শতাংশে নেমে গিয়েছিল। কয়েক মাস আগে ডিপার্টমেন্ট অব হোমল্যান্ড সিকিউরিটি (ডিএইচএস)-এর সরকার বন্ধ পরিস্থিতির পর এই জরিপটি প্রকাশিত হয়েছে । এদিকে অভিবাসন নীতি সংস্কার নিয়ে ডেমোক্র্যাট ও রিপাবলিকানদের মধ্যে তীব্র মতবিরোধ রয়েছে। চলতি বছরের শুরুতে মিনিয়াপোলিসে অভিযানের সময় ফেডারেল এজেন্টদের গুলিতে দুজন নিহত হওয়ার খবর বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে। এর পরই ডেমোক্র্যাটরা মিনেসোটা, ইলিনয় ও ক্যাল
যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেসের প্রতি জনসমর্থন হ্রাস পেয়ে মাত্র ১০ শতাংশে নেমে এসেছে। ১ এপ্রিল থেকে ১৫ এপ্রিল পর্যন্ত গ্যালাপ পরিচালিত জরিপে ১,০০১ জন প্রাপ্তবয়স্ক মার্কিন নাগরিক অংশ নেন।
বুধবার (২২ এপ্রিল) গ্যালাপের জরিপে এমন তথ্য উঠে এসেছে বলে সংবাদ প্রকাশ করেছে মার্কিন সংবাদ মাধ্যম দ্য হিল।
জরিপের তথ্য মতে, ৮৬ শতাংশ উত্তরদাতা ডেমোক্র্যাট ও রিপাবলিকান- উভয় দলের আইনপ্রণেতাদের কার্যক্রমে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন।
১০ শতাংশ অনুমোদনের এ হার ইতিহাসের সর্বনিম্ন ৯ শতাংশের চেয়ে মাত্র ১ ভাগ বেশি। ৯ শতাংশের ওই জরিপটি ২০১৩ সালের নভেম্বরে করা হয়েছিল। এর আগে গত বছরের শাটডাউনের পর কংগ্রেসের অনুমোদন হার ১৪ শতাংশে নেমে গিয়েছিল।
কয়েক মাস আগে ডিপার্টমেন্ট অব হোমল্যান্ড সিকিউরিটি (ডিএইচএস)-এর সরকার বন্ধ পরিস্থিতির পর এই জরিপটি প্রকাশিত হয়েছে । এদিকে অভিবাসন নীতি সংস্কার নিয়ে ডেমোক্র্যাট ও রিপাবলিকানদের মধ্যে তীব্র মতবিরোধ রয়েছে।
চলতি বছরের শুরুতে মিনিয়াপোলিসে অভিযানের সময় ফেডারেল এজেন্টদের গুলিতে দুজন নিহত হওয়ার খবর বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে। এর পরই ডেমোক্র্যাটরা মিনেসোটা, ইলিনয় ও ক্যালিফোর্নিয়ার মতো অঙ্গরাজ্যে ট্রাম্প প্রশাসনের কঠোর অভিবাসন অভিযান নীতি নিয়ে একাধিক সংস্কারের দাবি জানাচ্ছে।
মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) সিনেটের রিপাবলিকানরা একটি নতুন বাজেট পরিকল্পনা প্রকাশ করেছে। এই পরিকল্পনার মাধ্যমে ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদের বাকি সময়ে মার্কিন ইমিগ্রেশন এবং কাস্টমস (আইসিই) এবং বর্ডার পেট্রোলের জন্য তহবিল নিশ্চিত করা হবে । ধারণা করা হচ্ছে, এই সপ্তাহেই প্রস্তাবটি পাস হবে এবং এর মাধ্যমে ডিএইচএস-এর অর্থায়ন পুনরায় চালু করা সম্ভব হবে।
এর আগে গত বছর প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প স্বাক্ষরিত একটি আইনে সীমান্ত নিরাপত্তা ও অভিবাসন প্রয়োগে ১৭০ বিলিয়ন ডলার বরাদ্দ দেওয়া হয়েছিল।
এদিকে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান উত্তেজনা জ্বালানি দামের ঊর্ধ্বগতির কারণে আমেরিকানদের উদ্বেগ বাড়িয়ে তুলেছে। ডেমোক্র্যাটরা প্রেসিডেন্টের সামরিক পদক্ষেপ সীমিত করতে ‘ওয়ার পাওয়ারস’ প্রস্তাব আনলেও রিপাবলিকানরা তা বারবার আটকে দিয়েছে।
সোমবার (২০ এপ্রিল) প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যুদ্ধকালীন ক্ষমতা ব্যবহার করে দেশে তেল, গ্যাস ও কয়লার উৎপাদন বাড়ানোর নির্দেশ দেন। একই সময়ে অ্যাসোসিয়েট প্রেসের এনওআরসি (সেন্টার ফর পাব্লিক অ্যাফেয়ার্স) এর এক জরিপে দেখা গেছে, অর্থনীতি পরিচালনায় ট্রাম্পের অনুমোদন হার কমে ৩০ শতাংশে দাঁড়িয়েছে।
কেএম
What's Your Reaction?