মার্কিন ঘাঁটি থাকলে হামলা হবে, কুয়েতে রিফুয়েলিং বিমান বিধ্বস্ত
মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সামরিক ঘাঁটি থাকা দেশগুলোকে প্রতিশোধমূলক হামলার জন্য প্রস্তুত থাকতে সতর্কবার্তা দিয়েছে ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)। যেসব দেশ তাদের ভূখণ্ডকে ইরানের বিরুদ্ধে হামলা চালানোর জন্য মার্কিন বাহিনীর উৎক্ষেপণস্থল হিসেবে ব্যবহার করতে দিয়েছে, তারা এর দায় এড়াতে পারে না বলে জানিয়েছে আইআরজিসি। এক বিবৃতিতে যুক্তরাষ্ট্রকে যুদ্ধ পুনরায় শুরু করার জন্য দায়ী করে আইআরজিসি জানায়, ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর বিধ্বংসী জবাবের মুখে যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধক্ষেত্র থেকে পিছু হটেছিল এবং ২৮ ফেব্রুয়ারি সংঘাত শুরুর সময়ের তুলনায় বর্তমানে ইরানের সামরিক সক্ষমতা আরও শক্তিশালী। বিবৃতিতে বলা হয়, গতকাল থেকে শত্রুপক্ষ নতুন কৌশল গ্রহণ করেছে। সামরিক সংঘর্ষে নিজেদের পরাজয় আড়াল করতে তারা যুদ্ধাপরাধে লিপ্ত হয়েছে। হাসপাতাল, সেতু, রেলপথ, বিমানবন্দর, বন্দর, টেলিযোগাযোগ কেন্দ্রসহ বিভিন্ন বেসামরিক স্থাপনায় ধ্বংসাত্মক হামলা চালানো হয়েছে এবং বেসামরিক মানুষকে হত্যা করা হয়েছে। আইআরজিসি আরও দাবি করে, মার্কিন বর্বরতার বিরুদ্ধে কোনো আন্তর্জাতিক সংস্থা কার্যকর পদক্ষেপ নিতে আগ্রহী নয়। তাই, আগ্রাসনের
মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সামরিক ঘাঁটি থাকা দেশগুলোকে প্রতিশোধমূলক হামলার জন্য প্রস্তুত থাকতে সতর্কবার্তা দিয়েছে ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)। যেসব দেশ তাদের ভূখণ্ডকে ইরানের বিরুদ্ধে হামলা চালানোর জন্য মার্কিন বাহিনীর উৎক্ষেপণস্থল হিসেবে ব্যবহার করতে দিয়েছে, তারা এর দায় এড়াতে পারে না বলে জানিয়েছে আইআরজিসি।
এক বিবৃতিতে যুক্তরাষ্ট্রকে যুদ্ধ পুনরায় শুরু করার জন্য দায়ী করে আইআরজিসি জানায়, ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর বিধ্বংসী জবাবের মুখে যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধক্ষেত্র থেকে পিছু হটেছিল এবং ২৮ ফেব্রুয়ারি সংঘাত শুরুর সময়ের তুলনায় বর্তমানে ইরানের সামরিক সক্ষমতা আরও শক্তিশালী।
বিবৃতিতে বলা হয়, গতকাল থেকে শত্রুপক্ষ নতুন কৌশল গ্রহণ করেছে। সামরিক সংঘর্ষে নিজেদের পরাজয় আড়াল করতে তারা যুদ্ধাপরাধে লিপ্ত হয়েছে। হাসপাতাল, সেতু, রেলপথ, বিমানবন্দর, বন্দর, টেলিযোগাযোগ কেন্দ্রসহ বিভিন্ন বেসামরিক স্থাপনায় ধ্বংসাত্মক হামলা চালানো হয়েছে এবং বেসামরিক মানুষকে হত্যা করা হয়েছে।
আইআরজিসি আরও দাবি করে, মার্কিন বর্বরতার বিরুদ্ধে কোনো আন্তর্জাতিক সংস্থা কার্যকর পদক্ষেপ নিতে আগ্রহী নয়। তাই, আগ্রাসনের জবাব দেওয়া ছাড়া ইরানের সামনে আর কোনো বিকল্প নেই। তবে তারা জানায়, আপাতত তারা কেবল সামরিক লক্ষ্যবস্তুতেই হামলা সীমিত রেখেছে যাতে ওয়াশিংটন তার অমর্যাদাকর নীতি পরিবর্তনের সুযোগ পায়।
আইআরজিসির দাবি অনুযায়ী, রাতভর হামলায় কুয়েতের আরিফজান স্থলবাহিনীর লজিস্টিকস কেন্দ্রে যুক্তরাষ্ট্রের সেনা সমাবেশস্থল, আলি আল-সালেম বিমানঘাঁটির একটি রাডার, অস্ত্র রক্ষণাবেক্ষণ হ্যাঙ্গার এবং ড্রোন আশ্রয়কেন্দ্র ধ্বংস করা হয়েছে।
কাতারে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের আল উদেইদ বিমানঘাঁটিতে বড় ধরনের আকস্মিক হামলায় একটি দূরপাল্লার রাডার ব্যবস্থা এবং যুক্তরাষ্ট্রের বেশ কয়েকটি কৌশলগত আকাশে জ্বালানি সরবরাহকারী (রিফুয়েলিং) বিমান ধ্বংস করা হয়েছে। এছাড়া আরও কয়েকটি বিমান গুরুতরভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
শুক্রবার (১৭ জুলাই) প্রকাশিত ২৪তম বিবৃতিতে আইআরজিসি সতর্ক করে বলেছে, মার্কিন শত্রু এবং এ অঞ্চলে তাদের ঘাঁটির স্বাগতিক দেশগুলোকে জানতে হবে যে, লাল রেখা অতিক্রম করে বেসামরিক মানুষ ও অ-সামরিক অবকাঠামোর ওপর হামলার মূল্য খুবই চড়া হবে।
বিবৃতির শেষাংশে আইআরজিসি সতর্ক করে বলেছে, যেসব দেশ আগ্রাসী মার্কিন সামরিক বাহিনীকে আশ্রয় দিয়েছে এবং ইরানের বিরুদ্ধে হামলার জন্য নিজেদের ভূখণ্ড ব্যবহার করতে দিয়েছে, তাদের সমপর্যায়ের জবাবের জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে। নিজ নিজ নাগরিকদের জীবন রক্ষায় তাদের বেসামরিক প্রতিরক্ষা ইউনিট সক্রিয় করতে হবে এবং সম্ভাব্য লক্ষ্যবস্তু এলাকা থেকে মানুষকে সরিয়ে নিতে হবে।
সূত্র: ইরনা/মেহের নিউজ এজেন্সি
কেএম
What's Your Reaction?