মার্কিন হুমকির জবাবে যা বললেন ইরানের সেনাপ্রধান

ইরানের সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল আমির হাতামি সতর্ক করে বলেছেন, বাইরের শক্তির হুমকি ইরান মেনে নেবে না এবং প্রয়োজনে তার জবাব দেবে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানে সরকারবিরোধী বিক্ষোভে সমর্থন দেওয়ার প্রেক্ষাপটে তিনি এ মন্তব্য করেন। জেনারেল হাতামি বলেন, ইরানি জাতির বিরুদ্ধে শত্রুতামূলক বক্তব্যের তীব্রতা বৃদ্ধি ইরান হুমকি হিসেবে দেখছে এবং এর ধারাবাহিকতা কোনো জবাব ছাড়া সহ্য করা হবে না। তিনি আরও বলেন, শত্রু যদি কোনো ভুল করে, তাহলে ইরানের প্রতিক্রিয়া গত জুনে ইসরায়েলের সঙ্গে হওয়া ১২ দিনের যুদ্ধের চেয়েও কঠোর হবে। সাম্প্রতিক দিনগুলোতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, বিক্ষোভকারীদের হত্যা করা হলে যুক্তরাষ্ট্র হস্তক্ষেপ করতে পারে। অন্যদিকে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু ইরানের বিক্ষোভকারীদের প্রতি প্রকাশ্যে সমর্থন জানিয়েছেন। গত ২৮ ডিসেম্বর তেহরানে ব্যবসায়ীরা দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি ও রিয়ালের অবমূল্যায়নের প্রতিবাদে বিক্ষোভ শুরু করেন। এরপর বিভিন্ন শহরে একই ধরনের প্রতিবাদ ছড়িয়ে পড়ে, যার কিছুতে প্রাণহানিও ঘটে। তবে এই বিক্ষোভ এখনো ২০২২–২৩ সালের আন্দোলন ব

মার্কিন হুমকির জবাবে যা বললেন ইরানের সেনাপ্রধান

ইরানের সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল আমির হাতামি সতর্ক করে বলেছেন, বাইরের শক্তির হুমকি ইরান মেনে নেবে না এবং প্রয়োজনে তার জবাব দেবে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানে সরকারবিরোধী বিক্ষোভে সমর্থন দেওয়ার প্রেক্ষাপটে তিনি এ মন্তব্য করেন।

জেনারেল হাতামি বলেন, ইরানি জাতির বিরুদ্ধে শত্রুতামূলক বক্তব্যের তীব্রতা বৃদ্ধি ইরান হুমকি হিসেবে দেখছে এবং এর ধারাবাহিকতা কোনো জবাব ছাড়া সহ্য করা হবে না।

তিনি আরও বলেন, শত্রু যদি কোনো ভুল করে, তাহলে ইরানের প্রতিক্রিয়া গত জুনে ইসরায়েলের সঙ্গে হওয়া ১২ দিনের যুদ্ধের চেয়েও কঠোর হবে।

সাম্প্রতিক দিনগুলোতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, বিক্ষোভকারীদের হত্যা করা হলে যুক্তরাষ্ট্র হস্তক্ষেপ করতে পারে। অন্যদিকে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু ইরানের বিক্ষোভকারীদের প্রতি প্রকাশ্যে সমর্থন জানিয়েছেন।

গত ২৮ ডিসেম্বর তেহরানে ব্যবসায়ীরা দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি ও রিয়ালের অবমূল্যায়নের প্রতিবাদে বিক্ষোভ শুরু করেন। এরপর বিভিন্ন শহরে একই ধরনের প্রতিবাদ ছড়িয়ে পড়ে, যার কিছুতে প্রাণহানিও ঘটে।

তবে এই বিক্ষোভ এখনো ২০২২–২৩ সালের আন্দোলন বা ২০০৯ সালের বিতর্কিত নির্বাচনের পর হওয়া ব্যাপক গণআন্দোলনের মতো বড় আকার ধারণ করেনি।

তবুও এসব অর্থনৈতিক প্রতিবাদ আন্তর্জাতিক মনোযোগ কেড়েছে, বিশেষ করে ইরানের বিরোধী অবস্থানে থাকা দেশগুলোর নেতাদের।

ট্রাম্প বলেন, আমরা বিষয়টি খুব কাছ থেকে পর্যবেক্ষণ করছি। যদি তারা আগের মতো মানুষ হত্যা শুরু করে, তাহলে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে কঠোর জবাব আসতে পারে।

নেতানিয়াহু ইসরায়েলের মন্ত্রিসভায় বলেন, আমরা ইরানি জনগণের সংগ্রাম এবং তাদের স্বাধীনতা, মুক্তি ও ন্যায়বিচারের আকাঙ্ক্ষার প্রতি সংহতি জানাই।

এর আগে সোমবার ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ট্রাম্প ও নেতানিয়াহুকে সহিংসতা উসকে দেওয়া এবং ইরানের জাতীয় ঐক্য দুর্বল করার অভিযোগ তোলে।

গত জুনে ইসরায়েল প্রথমবারের মতো ইরানের সামরিক ও পারমাণবিক স্থাপনায় বড় ধরনের হামলা চালায়। ওই সময় যুক্তরাষ্ট্রও সংক্ষিপ্তভাবে অভিযানে অংশ নিয়ে ইরানের তিনটি প্রধান পারমাণবিক স্থাপনায় হামলা করে।

সূত্র: এএফপি

এমএসএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow