মার্টিনেজের ১০ ‘নোংরা কৌশল’ নিয়ে ‘দ্য সান’-এর তালিকা প্রকাশ
বিশ্বকাপ সেমিফাইনালের মতো মহাগুরুত্বপূর্ণ লড়াইয়ের আগে আর্জেন্টাইন গোলরক্ষক এমিলিয়ানো মার্টিনেজের ‘১০টি নোংরা কৌশলের’ একটি তালিকা প্রকাশ করেছে জনপ্রিয় ব্রিটিশ ট্যাবলয়েড ‘দ্য সান’। তালিকায় যেন চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দেওয়া হচ্ছে মার্টিনেজকে নিয়েই সব চেয়ে বেশি ভয়ে আছে ইংলিশরা।
‘দ্য সান’-এর সেই তালিকায় দেখা গেছে, পেনাল্টির সময় মার্টিনেজ প্রতিপক্ষকে ভয় দেখান, স্লেজিং করে প্রতিপক্ষ খেলোয়াড়ের মেজাজ নষ্ট করেন, কোনো কারণ ছাড়ায় বল ছাড়তে দেরি করেন, চোখে চোখ রেখে বিপরীত দলের খেলোয়াড়দের স্নায়ুচাপ বাড়িয়ে দেন এবং সচেতনভাবেই মাঠে ‘ভিলেন’ পরিচয় বহন করার মতো এমন বিষয় গুলো তুলে ধরা হয়েছে।
প্রতিপক্ষকে ভড়কে দিতে মার্টিনেজ যেসব কৌশল খাটান, দ্য সান যেন সেগুলোই রীতিমতো গবেষণা করে ছেপেছে! আর এমন নিখুঁত গবেষণা কেবল সেই গোলরক্ষকদের নিয়েই হয়, যারা সত্যিকার অর্থেই প্রতিপক্ষের বুকে কাঁপন ধরাতে পারেন।
দ্য সানের এই তালিকাটি প্রমাণ করে আর্জেন্টিনার বাজপাখি খ্যাত এই মার্টিনেজ শুধু গোলবারই সামলান না, প্রতিপক্ষের মনস্তত্ত্ব নিয়ে খেলতে পারদর্শী তিনি।
এদিকে দ্য সান যেগুলোকে ‘নোংরা কৌশল’ বলছে সেখানে মার্টিনেজ নিয়মের মধ্যে
বিশ্বকাপ সেমিফাইনালের মতো মহাগুরুত্বপূর্ণ লড়াইয়ের আগে আর্জেন্টাইন গোলরক্ষক এমিলিয়ানো মার্টিনেজের ‘১০টি নোংরা কৌশলের’ একটি তালিকা প্রকাশ করেছে জনপ্রিয় ব্রিটিশ ট্যাবলয়েড ‘দ্য সান’। তালিকায় যেন চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দেওয়া হচ্ছে মার্টিনেজকে নিয়েই সব চেয়ে বেশি ভয়ে আছে ইংলিশরা।
‘দ্য সান’-এর সেই তালিকায় দেখা গেছে, পেনাল্টির সময় মার্টিনেজ প্রতিপক্ষকে ভয় দেখান, স্লেজিং করে প্রতিপক্ষ খেলোয়াড়ের মেজাজ নষ্ট করেন, কোনো কারণ ছাড়ায় বল ছাড়তে দেরি করেন, চোখে চোখ রেখে বিপরীত দলের খেলোয়াড়দের স্নায়ুচাপ বাড়িয়ে দেন এবং সচেতনভাবেই মাঠে ‘ভিলেন’ পরিচয় বহন করার মতো এমন বিষয় গুলো তুলে ধরা হয়েছে।
প্রতিপক্ষকে ভড়কে দিতে মার্টিনেজ যেসব কৌশল খাটান, দ্য সান যেন সেগুলোই রীতিমতো গবেষণা করে ছেপেছে! আর এমন নিখুঁত গবেষণা কেবল সেই গোলরক্ষকদের নিয়েই হয়, যারা সত্যিকার অর্থেই প্রতিপক্ষের বুকে কাঁপন ধরাতে পারেন।
দ্য সানের এই তালিকাটি প্রমাণ করে আর্জেন্টিনার বাজপাখি খ্যাত এই মার্টিনেজ শুধু গোলবারই সামলান না, প্রতিপক্ষের মনস্তত্ত্ব নিয়ে খেলতে পারদর্শী তিনি।
এদিকে দ্য সান যেগুলোকে ‘নোংরা কৌশল’ বলছে সেখানে মার্টিনেজ নিয়মের মধ্যে থেকেই পেনাল্টি শুটারকে ভড়কে দেওয়া, বল ক্লিয়ার করা কঠিন করে তোলা, রেফারির কাছে বারবার অভিযোগ করে উল্টো চাপ তৈরি করা কিংবা নিখুঁত হিসেবে সময় নষ্ট করার মতো কাজ গুলো করে থাকেন।
তবে মার্টিনেজের পার্থক্য হলো, তিনি কাজগুলো করেন চরম তীব্রতা আর নাটকীয়তার সঙ্গে, যা চোখের সামনে প্রতিপক্ষের স্নায়ু পুরোপুরি ভেঙে দেয়।
এর আগে গত কাতার বিশ্বকাপের ফাইনালে ফ্রান্সের বিপক্ষে তার পারফরম্যান্সই এর সবচেয়ে বড় প্রমাণ। টাইব্রেকারে তার সেই স্নায়ুযুদ্ধ আর অতিমানবীয় সেভ তো ফুটবল ইতিহাসেরই অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে গেছে।
তবে এই বিষয়গুলো তুলে ধরে দ্য সান মার্টিনেজের বন্দনার পরিবর্তে উপকারই করেছে বলে মনে করছেন ভক্তরা। গুরুত্বপূর্ণ একটি ম্যাচ শুরু হওয়ার আগেই প্রতিপক্ষের মনে এক ধরনের শঙ্কা জেগেছে। দ্য সান দাবি করে, মার্টিনেজের এই ‘ভিলেন’ রূপ আসলে তার সবচেয়ে বড় অস্ত্র। আর ব্রিটিশ মিডিয়া বিনা পয়সায় সেই অস্ত্রকে আরও ধারালো করে দিল।