মালদ্বীপকে ২০ হাজার গাছের চারা উপহার দিচ্ছে বাংলাদেশ
জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলা, পরিবেশ সংরক্ষণ এবং টেকসই উন্নয়নে দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতাকে আরও সুসংহত করতে মালদ্বীপকে ২০ হাজার গাছের চারা উপহার দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ।
মালদ্বীপ সরকারের উচ্চাভিলাষী ‘ফাইভ মিলিয়ন ট্রি’ কর্মসূচিতে বাংলাদেশের এই সম্পৃক্ততাকে দুই দেশের কৌশলগত পরিবেশ-অংশীদারত্বের গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে দেখা হচ্ছে।
মালদ্বীপের ৬১তম স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে চার দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে থাকা বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান রোববার (২৬ জুলাই) রাজধানী মালের ঐতিহাসিক লোনুজিয়ারা পার্কে অনুষ্ঠিত বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে অংশ নেন।
অনুষ্ঠানে সৌহার্দ্য, বন্ধুত্ব ও পরিবেশগত সহযোগিতার প্রতীক হিসেবে তিনি মালদ্বীপ সরকারের কাছে ১০টি গাছের চারা হস্তান্তর করেন এবং নিজ হাতে একটি চারা রোপণ করেন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ড. খলিলুর রহমান বলেন, মালদ্বীপের ‘ফাইভ মিলিয়ন ট্রি’ কর্মসূচিকে বাস্তবসম্মত সহায়তা দিতে বাংলাদেশ সরকার ২০ হাজার গাছের চারা উপহার দেবে। তিনি বলেন, জলবায়ু সংকট এখন বৈশ্বিক বাস্তবতা। এই সংকট মোকাবিলায় বাংলাদেশ ও মালদ্বীপের মতো জলবায়ু-ঝুঁকিপূর্
জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলা, পরিবেশ সংরক্ষণ এবং টেকসই উন্নয়নে দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতাকে আরও সুসংহত করতে মালদ্বীপকে ২০ হাজার গাছের চারা উপহার দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ।
মালদ্বীপ সরকারের উচ্চাভিলাষী ‘ফাইভ মিলিয়ন ট্রি’ কর্মসূচিতে বাংলাদেশের এই সম্পৃক্ততাকে দুই দেশের কৌশলগত পরিবেশ-অংশীদারত্বের গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে দেখা হচ্ছে।
মালদ্বীপের ৬১তম স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে চার দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে থাকা বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান রোববার (২৬ জুলাই) রাজধানী মালের ঐতিহাসিক লোনুজিয়ারা পার্কে অনুষ্ঠিত বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে অংশ নেন।
অনুষ্ঠানে সৌহার্দ্য, বন্ধুত্ব ও পরিবেশগত সহযোগিতার প্রতীক হিসেবে তিনি মালদ্বীপ সরকারের কাছে ১০টি গাছের চারা হস্তান্তর করেন এবং নিজ হাতে একটি চারা রোপণ করেন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ড. খলিলুর রহমান বলেন, মালদ্বীপের ‘ফাইভ মিলিয়ন ট্রি’ কর্মসূচিকে বাস্তবসম্মত সহায়তা দিতে বাংলাদেশ সরকার ২০ হাজার গাছের চারা উপহার দেবে। তিনি বলেন, জলবায়ু সংকট এখন বৈশ্বিক বাস্তবতা। এই সংকট মোকাবিলায় বাংলাদেশ ও মালদ্বীপের মতো জলবায়ু-ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোর পারস্পরিক সহযোগিতা, অভিজ্ঞতা বিনিময় এবং যৌথ উদ্যোগই ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি নিরাপদ ও টেকসই পরিবেশ নিশ্চিত করতে পারে।
অনুষ্ঠানে মালদ্বীপের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইরুথিশাম আদাম এবং জলবায়ু পরিবর্তন, পরিবেশ ও জ্বালানি মন্ত্রী আলী শরীফ বাংলাদেশের এই উদ্যোগকে আন্তরিকভাবে স্বাগত জানান।
তারা বলেন, বাংলাদেশের এই উপহার শুধু বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির সহায়তা নয়; এটি দুই দেশের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্ব, আস্থা, বাস্তবভিত্তিক সহযোগিতা এবং জলবায়ু কূটনীতিতে যৌথ অঙ্গীকারের এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।
অনুষ্ঠানে উভয় দেশ পরিবেশ সংরক্ষণ, জীববৈচিত্র্য রক্ষা, জলবায়ু সহনশীলতা বৃদ্ধি এবং টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা আরও সম্প্রসারণে দৃঢ় প্রত্যয় পুনর্ব্যক্ত করে।
উল্লেখ্য, ২০২৩ সালে দুবাইয়ে অনুষ্ঠিত জাতিসংঘের জলবায়ু সম্মেলন কপ-২৮ (COP28)-এ মালদ্বীপের রাষ্ট্রপতি ড. মোহাম্মদ মুইজ্জু দেশব্যাপী ৫০ লাখ গাছ রোপণের অঙ্গীকার ঘোষণা করেন। পরবর্তীতে ২০২৪ সালের ৫ জুন রাজধানীর লোনুজিয়ারা পার্কে কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, এ কর্মসূচির আওতায় ইতোমধ্যে দেশটিতে ১০ লাখেরও বেশি গাছ রোপণ সম্পন্ন হয়েছে।
বাংলাদেশের ঘোষিত ২০ হাজার গাছের চারা এই কর্মসূচিতে নতুন গতি সঞ্চার করবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। একই সঙ্গে এটি জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকিতে থাকা দুই উপকূলীয় দেশের মধ্যে পরিবেশগত সহযোগিতা ও কৌশলগত সম্পর্ককে আরও গভীর করার একটি তাৎপর্যপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।