মালয়েশিয়া-থাইল্যান্ড সীমান্তে ৭৩ বাংলাদেশি আটক

চলতি বছরের প্রথম ছয় মাসে মালয়েশিয়া-থাইল্যান্ড সীমান্ত এলাকায় পরিচালিত বিশেষ অভিযানে ৬৪১ অবৈধ অভিবাসীকে আটক করেছে দেশটির জেনারেল অপারেশনস ফোর্সের (জিওএফ) সাউথইস্ট ব্রিগেড। শনিবার (১৯ জুলাই) বার্নামার এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, ‘অপ তারিং ওয়াওয়াসান কেলান্তান’ অভিযানের আওতায় জানুয়ারি থেকে জুন পর্যন্ত এসব অভিবাসীকে আটক করা হয়। আরও পড়ুন সব রোগের ওষুধ প্যারাসিটামল! মালয়েশিয়ায় ১৪০ বন্দির মৃত্যু জিওএফ সাউথইস্ট ব্রিগেডের কমান্ডার সিনিয়র অ্যাসিস্ট্যান্ট কমিশনার (এসএসি) আহমাদ রাদজি হুসেইন জানান, আটক ব্যক্তিদের মধ্যে ৫০৭ জন পুরুষ এবং ১৩৪ জন নারী রয়েছেন। তারা ১০টি দেশের নাগরিক। আটকদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি রয়েছেন মিয়ানমারের নাগরিক। তাদের সংখ্যা ৪২৮ জন, যার মধ্যে ৩২২ জন পুরুষ এবং ১০৬ জন নারী। এছাড়া আটক হয়েছেন ৭৩ জন বাংলাদেশি, ৩৯ জন ইন্দোনেশিয়ান, ৩৮ জন থাই, ২১ জন চীনা, ১৯ জন ভারতীয়, ১৬ জন নেপালি, চারজন ভিয়েতনামি, দুজন পাকিস্তানি এবং একজন নাইজেরীয় নাগরিক। আহমাদ রাদজি বলেন, সীমান্তবর্তী ঝুঁকিপূর্ণ প্রবেশপথ দিয়ে অনুপ্রবেশ ঠেকাতে ধারাবাহিক গোয়েন্দা নজরদারি ও অভিযান পরিচালনার ফলেই এই সাফল্য এসেছে। তি

মালয়েশিয়া-থাইল্যান্ড সীমান্তে ৭৩ বাংলাদেশি আটক

চলতি বছরের প্রথম ছয় মাসে মালয়েশিয়া-থাইল্যান্ড সীমান্ত এলাকায় পরিচালিত বিশেষ অভিযানে ৬৪১ অবৈধ অভিবাসীকে আটক করেছে দেশটির জেনারেল অপারেশনস ফোর্সের (জিওএফ) সাউথইস্ট ব্রিগেড।

শনিবার (১৯ জুলাই) বার্নামার এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, ‘অপ তারিং ওয়াওয়াসান কেলান্তান’ অভিযানের আওতায় জানুয়ারি থেকে জুন পর্যন্ত এসব অভিবাসীকে আটক করা হয়।

জিওএফ সাউথইস্ট ব্রিগেডের কমান্ডার সিনিয়র অ্যাসিস্ট্যান্ট কমিশনার (এসএসি) আহমাদ রাদজি হুসেইন জানান, আটক ব্যক্তিদের মধ্যে ৫০৭ জন পুরুষ এবং ১৩৪ জন নারী রয়েছেন। তারা ১০টি দেশের নাগরিক।

jagonews24

আটকদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি রয়েছেন মিয়ানমারের নাগরিক। তাদের সংখ্যা ৪২৮ জন, যার মধ্যে ৩২২ জন পুরুষ এবং ১০৬ জন নারী।

এছাড়া আটক হয়েছেন ৭৩ জন বাংলাদেশি, ৩৯ জন ইন্দোনেশিয়ান, ৩৮ জন থাই, ২১ জন চীনা, ১৯ জন ভারতীয়, ১৬ জন নেপালি, চারজন ভিয়েতনামি, দুজন পাকিস্তানি এবং একজন নাইজেরীয় নাগরিক।

আহমাদ রাদজি বলেন, সীমান্তবর্তী ঝুঁকিপূর্ণ প্রবেশপথ দিয়ে অনুপ্রবেশ ঠেকাতে ধারাবাহিক গোয়েন্দা নজরদারি ও অভিযান পরিচালনার ফলেই এই সাফল্য এসেছে।

jagonews24

তিনি জানান, মানবপাচারকারী চক্রগুলো সাধারণত দুই থেকে তিনজনের ছোট ছোট দলে অভিবাসীদের সীমান্ত পার করার চেষ্টা করে। তবে জিওএফ সদস্যদের সতর্ক নজরদারির কারণে তাদের গতিবিধি শনাক্ত করা সম্ভব হচ্ছে।

তিনি আরও জানান, দায়িত্বে থাকা সদস্যরা সন্দেহভাজন ব্যক্তিদের তাৎক্ষণিকভাবে আটক করে প্রয়োজনীয় তদন্ত পরিচালনা করেন। ছোট দলে চলাচল করলেও তাদের উপস্থিতি শনাক্ত করা সম্ভব হচ্ছে।

এমআরএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow