মালয়েশিয়াকে উড়িয়ে দিল বাংলাদেশ

মিরপুরের শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে মালয়েশিয়ার বিপক্ষে দারুণ জয় পেয়েছে বাংলাদেশ হাই পারফরম্যান্স (এইচপি) দল। দুই ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজের প্রথম ম্যাচে মালয়েশিয়াকে ৮৯ রানে হারিয়ে সিরিজে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে গেছে স্বাগতিকরা। প্রথমে ব্যাট করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ১৫৮ রান সংগ্রহ করে বাংলাদেশ এইচপি। দলের হয়ে শুরুতে জাওয়াদ আবরার এবং শেষ দিকে অধিনায়ক এস এম মেহেরব হোসেনের ব্যাটে প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ সংগ্রহ পায় বাংলাদেশ। জবাবে শুরু থেকেই চাপে পড়ে মালয়েশিয়া। ইনিংসের প্রথম বলেই নাজমুল সাকিবকে বোল্ড করে ফেরান আবু হায়দার রনি। এরপর নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকে সফরকারীরা। অন্য ওপেনার আসলাম খান বিন মালিক ৫ বল খেলে কোনো রান না করেই ফিরে যান। তিন নম্বরে নেমে কিছুটা প্রতিরোধ গড়ার চেষ্টা করেন আহমেদ আকিল ওয়াহিদ। ২৫ বলে ২৯ রান করে তিনিই হন মালয়েশিয়ার সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক। তবে তাকে সঙ্গ দেওয়ার মতো কেউ ছিলেন না। ১০ ওভার শেষে ৬ উইকেট হারিয়ে মাত্র ৪২ রান সংগ্রহ করে মালয়েশিয়া। এরপর মোহাম্মদ আমির আজিম ও বিজয় উনি কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি। ১৫ বলে ১৪ রান করা বিজয় উনিকে ফেরান

মালয়েশিয়াকে উড়িয়ে দিল বাংলাদেশ
মিরপুরের শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে মালয়েশিয়ার বিপক্ষে দারুণ জয় পেয়েছে বাংলাদেশ হাই পারফরম্যান্স (এইচপি) দল। দুই ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজের প্রথম ম্যাচে মালয়েশিয়াকে ৮৯ রানে হারিয়ে সিরিজে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে গেছে স্বাগতিকরা। প্রথমে ব্যাট করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ১৫৮ রান সংগ্রহ করে বাংলাদেশ এইচপি। দলের হয়ে শুরুতে জাওয়াদ আবরার এবং শেষ দিকে অধিনায়ক এস এম মেহেরব হোসেনের ব্যাটে প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ সংগ্রহ পায় বাংলাদেশ। জবাবে শুরু থেকেই চাপে পড়ে মালয়েশিয়া। ইনিংসের প্রথম বলেই নাজমুল সাকিবকে বোল্ড করে ফেরান আবু হায়দার রনি। এরপর নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকে সফরকারীরা। অন্য ওপেনার আসলাম খান বিন মালিক ৫ বল খেলে কোনো রান না করেই ফিরে যান। তিন নম্বরে নেমে কিছুটা প্রতিরোধ গড়ার চেষ্টা করেন আহমেদ আকিল ওয়াহিদ। ২৫ বলে ২৯ রান করে তিনিই হন মালয়েশিয়ার সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক। তবে তাকে সঙ্গ দেওয়ার মতো কেউ ছিলেন না। ১০ ওভার শেষে ৬ উইকেট হারিয়ে মাত্র ৪২ রান সংগ্রহ করে মালয়েশিয়া। এরপর মোহাম্মদ আমির আজিম ও বিজয় উনি কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি। ১৫ বলে ১৪ রান করা বিজয় উনিকে ফেরান আবদুল গাফফার সাকলাইন। এরপর ২২ বলে ১৫ রান করা আমির আজিমকে সাজঘরে পাঠান মোহাম্মদ রুবেল হাসান। ৬৩ রানের মধ্যেই ৮ উইকেট হারিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে যায় মালয়েশিয়া। শেষ পর্যন্ত ৬৯ রানেই গুটিয়ে যায় তাদের ইনিংস। ফলে ৮৯ রানের বড় জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে বাংলাদেশ এইচপি। বাংলাদেশের হয়ে রাকিবুল হাসান ও মোহাম্মদ রুবেল হাসান দুটি করে উইকেট নেন। একটি করে উইকেট পেয়েছেন আবু হায়দার রনি, মৃত্যুঞ্জয় চৌধুরী, আবদুল গাফফার সাকলাইন ও এস এম মেহেরব হোসেন। এর আগে বাংলাদেশের ইনিংসে জাওয়াদ আবরার ১৮ বলে ২৮ রান করেন। আরিফুল ইসলাম করেন ১২ বলে ১৫ রান। সাব্বির রহমান ১২ বলে ১৪ রান করেন। আবদুল গাফফার সাকলাইন ২৬ বলে ৩২ রান করে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন। শেষ দিকে অধিনায়ক মেহেরব হোসেনের ঝোড়ো ব্যাটিংয়ে বড় সংগ্রহ পায় এইচপি। ২২ বলে ৪০ রানের আগ্রাসী ইনিংস খেলেন তিনি। শেষ পর্যন্ত ২০ ওভারে ১৫৮ রানে অলআউট হয় বাংলাদেশ। মালয়েশিয়ার হয়ে বিজয় উনি ৩টি উইকেট শিকার করেন। এই জয়ে দুই ম্যাচের সিরিজে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে গেল বাংলাদেশ এইচপি। সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচে এখন সিরিজ জয়ের লক্ষ্য থাকবে স্বাগতিকদের।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow