মালয়েশিয়ায় পাঁচদিনে ৪৭১ অবৈধ অভিবাসী-৩১ নিয়োগকর্তা আটক

মালয়েশিয়ার ইমিগ্রেশন বিভাগ (জেআইএম) পাঁচদিনে (৮-১২ জুন) দেশজুড়ে বিশেষ অভিযান চালিয়ে ৪৭১ জন অবৈধ অভিবাসী (পিএটিআই) এবং ৩১ জন নিয়োগকর্তাকে আটক করেছে। শনিবার (১৩ জুন) দেশটির ইমিগ্রেশন বিভাগের মহাপরিচালক জাকারিয়া শাবান এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, এই সময়ে দেশব্যাপী পরিচালিত ১৭৯টি অভিযানে স্থানীয় ও বিদেশিসহ মোট ১ হাজার ৪৯৪ জনের পরিচয় ও কাগজপত্র যাচাই করা হয়। এর ভিত্তিতেই অবৈধভাবে অবস্থান, কাজ বা অভিবাসন আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে ৪৭১ জন বিদেশিকে আটক করা হয়েছে। তিনি বলেন, আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ১৯৫৯/৬৩ সালের ইমিগ্রেশন আইন এবং সংশ্লিষ্ট বিধিমালার বিভিন্ন ধারা লঙ্ঘনের অভিযোগ রয়েছে। একই সঙ্গে ৩১ জন নিয়োগকর্তার বিরুদ্ধে অবৈধ অভিবাসীদের কর্মসংস্থান দেওয়া বা তাদের আশ্রয় দেওয়ার অভিযোগে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। জাকারিয়া শাবান বলেন, বিদেশিদের জন্য সরকার যে ভিসা ও পাস সুবিধা প্রদান করে, তার অপব্যবহার রোধ এবং অভিবাসন আইন মেনে চলা নিশ্চিত করতে ইমিগ্রেশন বিভাগ আরও কঠোর ও ধারাবাহিক অভিযান পরিচালনা করছে। অভিযানের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, সবচেয়ে বেশি অভিযান পরিচালিত হয়েছে জোহর অঙ্গরাজ্যে, যেখানে ৫২টি অভিযান চালান

মালয়েশিয়ায় পাঁচদিনে ৪৭১ অবৈধ অভিবাসী-৩১ নিয়োগকর্তা আটক

মালয়েশিয়ার ইমিগ্রেশন বিভাগ (জেআইএম) পাঁচদিনে (৮-১২ জুন) দেশজুড়ে বিশেষ অভিযান চালিয়ে ৪৭১ জন অবৈধ অভিবাসী (পিএটিআই) এবং ৩১ জন নিয়োগকর্তাকে আটক করেছে।

শনিবার (১৩ জুন) দেশটির ইমিগ্রেশন বিভাগের মহাপরিচালক জাকারিয়া শাবান এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, এই সময়ে দেশব্যাপী পরিচালিত ১৭৯টি অভিযানে স্থানীয় ও বিদেশিসহ মোট ১ হাজার ৪৯৪ জনের পরিচয় ও কাগজপত্র যাচাই করা হয়। এর ভিত্তিতেই অবৈধভাবে অবস্থান, কাজ বা অভিবাসন আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে ৪৭১ জন বিদেশিকে আটক করা হয়েছে।

তিনি বলেন, আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ১৯৫৯/৬৩ সালের ইমিগ্রেশন আইন এবং সংশ্লিষ্ট বিধিমালার বিভিন্ন ধারা লঙ্ঘনের অভিযোগ রয়েছে। একই সঙ্গে ৩১ জন নিয়োগকর্তার বিরুদ্ধে অবৈধ অভিবাসীদের কর্মসংস্থান দেওয়া বা তাদের আশ্রয় দেওয়ার অভিযোগে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

জাকারিয়া শাবান বলেন, বিদেশিদের জন্য সরকার যে ভিসা ও পাস সুবিধা প্রদান করে, তার অপব্যবহার রোধ এবং অভিবাসন আইন মেনে চলা নিশ্চিত করতে ইমিগ্রেশন বিভাগ আরও কঠোর ও ধারাবাহিক অভিযান পরিচালনা করছে।

অভিযানের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, সবচেয়ে বেশি অভিযান পরিচালিত হয়েছে জোহর অঙ্গরাজ্যে, যেখানে ৫২টি অভিযান চালানো হয়। এরপর পেরাকে ৩৬টি, কেডাহ ২৫টি এবং পুত্রজায়ায় ২২টি অভিযান চালানো হয়।

মহাপরিচালক বলেন, অভিযানের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য ছিল বিদেশি নাগরিকরা তাদের প্রদত্ত পাসের শর্ত যথাযথভাবে পালন করছেন কি না তা নিশ্চিত করা। প্রতিটি পাস নির্দিষ্ট উদ্দেশ্য ও শর্তের ভিত্তিতে দেওয়া হয় এবং তা লঙ্ঘন করা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ।

তিনি সতর্ক করে বলেন, অনুমোদনহীন ব্যবসা পরিচালনা, পাসের অপব্যবহার বা অনুমতি ছাড়া কাজ করার মতো কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পাসের শর্ত লঙ্ঘনের ফলে সংশ্লিষ্ট পাস বাতিল হওয়ার পাশাপাশি আটক, বিচার এবং দেশ থেকে বহিষ্কারের মুখোমুখি হতে হতে পারে।

জাকারিয়া শাবান আরও বলেন, অবৈধ ব্যবসায় জড়িত বিদেশি নাগরিক, পাসের অপব্যবহারকারী এবং অনুমতি ছাড়া কর্মরত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ভবিষ্যতেও সারাদেশে জোরদার অভিযান অব্যাহত থাকবে।

সাধারণ জনগণকে সহযোগিতার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, অভিবাসন আইন লঙ্ঘনের সঙ্গে জড়িত সন্দেহভাজন বিদেশিদের বিষয়ে তথ্য প্রদান করলে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করা সম্ভব হবে।

তিনি বলেন, দেশের আইনের শাসন ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং মালয়েশিয়ার নাগরিকদের স্বার্থকে অগ্রাধিকার দিতে ধারাবাহিকভাবে এ ধরনের অভিযান পরিচালনা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

ইএ

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow