মালয়েশিয়ায় ১৪ বাংলাদেশি কর্মীর বেতন নিয়ে উধাও সুপারভাইজার
মালয়েশিয়ায় ১৪ বাংলাদেশি কর্মীর বেতনের টাকা নিয়ে উধাও হয়েছে এক বাংলাদেশি সুপারভাইজার। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী কর্মীরা বাংলাদেশ হাইকমিশন এবং স্থানীয় থানায় লিখিত অভিযোগ করেছে। ঘটনাটি কর্মীদের মধ্যে ও বাংলাদেশ কমিউনিটির মধ্যে উদ্বেগ ও ক্ষোভের সৃষ্টি করেছে। লিখিত অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, মালয়েশিয়ার একটি নির্মাণ প্রতিষ্ঠানে কর্মরত ১৪ বাংলাদেশি শ্রমিকের বেতন প্রতি ১৫ দিন অন্তর সুপারভাইজারের মাধ্যমে প্রদান করত কোম্পানি। ভুক্তভোগী কর্মীদের দাবি, চলতি মাসের ১৫ এপ্রিল বাংলাদেশি সুপারভাইজার মোহাম্মদ জাবেদ মিয়ার নির্দেশনায় তার ঘনিষ্ঠ ব্যক্তি মোহাম্মদ সহিবুর রহমানের ব্যাংক হিসাবে ১৪ শ্রমিকের ১৫ দিনের বেতন হিসেবে ৪০ হাজার রিঙ্গিত জমা দেওয়া হয়। তবে ওই দিনই জাবেদ মিয়া টাকা উত্তোলন করে শ্রমিকদের বেতন না দিয়ে আত্মগোপনে চলে যায়। এর পর থেকে তার মোবাইল নম্বর বন্ধ রয়েছে এবং তার কোনো সন্ধান পাওয়া যাচ্ছে না বলে জানান ভুক্তভোগীরা। বেতনের টাকা না পেয়ে তারা চরম অনিশ্চয়তা ও আর্থিক সংকটে পড়েছেন। সমস্যার সমাধানের আশায় মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) ভুক্তভোগী শ্রমিকরা কুয়ালালামপুরে বাংলাদেশ হাইকমিশনে গিয়ে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ করেন।
মালয়েশিয়ায় ১৪ বাংলাদেশি কর্মীর বেতনের টাকা নিয়ে উধাও হয়েছে এক বাংলাদেশি সুপারভাইজার। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী কর্মীরা বাংলাদেশ হাইকমিশন এবং স্থানীয় থানায় লিখিত অভিযোগ করেছে। ঘটনাটি কর্মীদের মধ্যে ও বাংলাদেশ কমিউনিটির মধ্যে উদ্বেগ ও ক্ষোভের সৃষ্টি করেছে।
লিখিত অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, মালয়েশিয়ার একটি নির্মাণ প্রতিষ্ঠানে কর্মরত ১৪ বাংলাদেশি শ্রমিকের বেতন প্রতি ১৫ দিন অন্তর সুপারভাইজারের মাধ্যমে প্রদান করত কোম্পানি।
ভুক্তভোগী কর্মীদের দাবি, চলতি মাসের ১৫ এপ্রিল বাংলাদেশি সুপারভাইজার মোহাম্মদ জাবেদ মিয়ার নির্দেশনায় তার ঘনিষ্ঠ ব্যক্তি মোহাম্মদ সহিবুর রহমানের ব্যাংক হিসাবে ১৪ শ্রমিকের ১৫ দিনের বেতন হিসেবে ৪০ হাজার রিঙ্গিত জমা দেওয়া হয়। তবে ওই দিনই জাবেদ মিয়া টাকা উত্তোলন করে শ্রমিকদের বেতন না দিয়ে আত্মগোপনে চলে যায়।
এর পর থেকে তার মোবাইল নম্বর বন্ধ রয়েছে এবং তার কোনো সন্ধান পাওয়া যাচ্ছে না বলে জানান ভুক্তভোগীরা। বেতনের টাকা না পেয়ে তারা চরম অনিশ্চয়তা ও আর্থিক সংকটে পড়েছেন।
সমস্যার সমাধানের আশায় মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) ভুক্তভোগী শ্রমিকরা কুয়ালালামপুরে বাংলাদেশ হাইকমিশনে গিয়ে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ করেন। তারা দ্রুত ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ দাবি করেন।
এদিকে নির্মাণ কোম্পানির মালিকপক্ষ ঘটনাটি জানার পর স্থানীয় থানায় অভিযোগ করেছে। অভিযুক্তকে আইনের আওতায় এনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে সব ধরনের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে বলে জানা গেছে।
ভুক্তভোগী শ্রমিকরা কান্নাজড়িত কণ্ঠে বাংলাদেশ কমিউনিটি, হাইকমিশন ও স্থানীয় প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন, নির্মাণ সাইটে কঠোর পরিশ্রমের এই অর্থ না পেলে তারা আর্থিক ও মানসিকভাবে মারাত্মক ক্ষতির সম্মুখীন হবেন। এতে দেশে থাকা তাদের পরিবারও ক্ষতিগ্রস্ত হবে। তাই অভিযুক্তকে দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি জানান তারা।
বাংলাদেশ কমিউনিটির নেতৃস্থানীয় ব্যক্তিরা বলেন, বাংলাদেশি কর্মীদের বেতন নিয়ে পালিয়ে যাওয়ার ঘটনা এটি প্রথম নয়; এর আগেও এমন অনেক ঘটনা ঘটেছে। দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা না নিলে প্রবাসী বাংলাদেশি শ্রমিকরা বারবার ক্ষতির মুখে পড়বেন।
What's Your Reaction?