মাহমুদুর রহমান মান্নার মনোনয়ন বাতিল

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বগুড়া-২ (শিবগঞ্জ) আসনে বড় ধাক্কা খেলেন দুই হেভিওয়েট প্রার্থী। হলফনামায় তথ্য গোপন ও নথিপত্রে অসংগতির কারণে নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না এবং জাতীয় পার্টির সাবেক সংসদ সদস্য শরিফুল ইসলাম জিন্নাহর মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে। শুক্রবার (২ জানুয়ারি) বিকেল সাড়ে তিনটার দিকে জেলা প্রশাসক ও জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. তৌফিকুর রহমান যাচাই-বাছাই শেষে এই ঘোষণা দেন। জানা গেছে, জাতীয় পার্টির সাবেক সংসদ সদস্য শরিফুল ইসলাম জিন্নাহ তার দাখিল করা হলফনামায় সম্পদের বিবরণীর নির্ধারিত ফরম সংযুক্ত করেননি। নিয়ম অনুযায়ী, সম্পদের তথ্য প্রদান বাধ্যতামূলক হলেও তা না করায় তার মনোনয়নটি বাতিল করা হয়। অন্যদিকে, নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্নার হলফনামায় দেওয়া তথ্যে বড় ধরনের গরমিল পেয়েছে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়। তথ্যে অসংগতি ও অস্পষ্টতা থাকায় তার মনোনয়নপত্রটিও বৈধ ঘোষণা করা সম্ভব হয়নি বলে জানান রিটার্নিং কর্মকর্তা। তবে নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, সংক্ষুব্ধ প্রার্থীরা এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনে আপিল করার সুযোগ পাবেন। মনোনয়নপত্র যাচাই

মাহমুদুর রহমান মান্নার মনোনয়ন বাতিল

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বগুড়া-২ (শিবগঞ্জ) আসনে বড় ধাক্কা খেলেন দুই হেভিওয়েট প্রার্থী। হলফনামায় তথ্য গোপন ও নথিপত্রে অসংগতির কারণে নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না এবং জাতীয় পার্টির সাবেক সংসদ সদস্য শরিফুল ইসলাম জিন্নাহর মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে।

শুক্রবার (২ জানুয়ারি) বিকেল সাড়ে তিনটার দিকে জেলা প্রশাসক ও জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. তৌফিকুর রহমান যাচাই-বাছাই শেষে এই ঘোষণা দেন।

জানা গেছে, জাতীয় পার্টির সাবেক সংসদ সদস্য শরিফুল ইসলাম জিন্নাহ তার দাখিল করা হলফনামায় সম্পদের বিবরণীর নির্ধারিত ফরম সংযুক্ত করেননি। নিয়ম অনুযায়ী, সম্পদের তথ্য প্রদান বাধ্যতামূলক হলেও তা না করায় তার মনোনয়নটি বাতিল করা হয়।

অন্যদিকে, নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্নার হলফনামায় দেওয়া তথ্যে বড় ধরনের গরমিল পেয়েছে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়। তথ্যে অসংগতি ও অস্পষ্টতা থাকায় তার মনোনয়নপত্রটিও বৈধ ঘোষণা করা সম্ভব হয়নি বলে জানান রিটার্নিং কর্মকর্তা।

তবে নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, সংক্ষুব্ধ প্রার্থীরা এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনে আপিল করার সুযোগ পাবেন।

মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাইয়ের সময় জেলা প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

এল.বি/কেএইচকে/এএসএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow