মিশরে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদ্‌যাপন

নীল নদ আর পিরামিডের দেশ মিশরে যথাযোগ্য মর্যাদায় মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদ্‌যাপন‌ করেছে কায়রোর বাংলাদেশ দূতাবাস।‌ বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) দূতাবাস প্রাঙ্গণে দেশটিতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত সামিনা নাজ জাতীয় সংগীতের সুরের সঙ্গে আনুষ্ঠানিকভাবে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন। এসময় দূতাবাসের কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন। এরপর জাকির হোসেনের সঞ্চালনায় দূতাবাসের সম্মেলনকক্ষে পবিত্র কোরআন তেলাওয়াতের মধ্য দিয়ে দিবসটির কার্যক্রম শুরু হয়। এসময় মহান মুক্তিযুদ্ধে আত্মোৎসর্গকারী শহীদ, নির্যাতিত মা-বোন, আহত বীর মুক্তিযোদ্ধা ও দেশের সমৃদ্ধি কামনা করে বিশেষ দোয়া করেন নোমান উদ্দিন আজহারী। দিবসটি উপলক্ষে ঢাকা থেকে দেওয়া রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর বাণী পাঠ করে শোনান যথাক্রমে দূতাবাসের চিফ অব মিশন গৌতম কুমার দে, দূতালয় প্রধান আতাউল হক ও শ্রম সচিব জাকির হোসেন। আলোচনা পর্বে প্রধান অতিথির বক্তব্যে রাষ্ট্রদূত সামিনা নাজ বীর শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন এবং সম্ভ্রমহানি হওয়া মা-বোনদের গভীর কৃতজ্ঞতায় স্মরণ করেন। তিনি বলেন, ১৯৪৭ সালের পর দীর্ঘ ২৩ ব

মিশরে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদ্‌যাপন

নীল নদ আর পিরামিডের দেশ মিশরে যথাযোগ্য মর্যাদায় মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদ্‌যাপন‌ করেছে কায়রোর বাংলাদেশ দূতাবাস।‌

বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) দূতাবাস প্রাঙ্গণে দেশটিতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত সামিনা নাজ জাতীয় সংগীতের সুরের সঙ্গে আনুষ্ঠানিকভাবে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন। এসময় দূতাবাসের কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।

এরপর জাকির হোসেনের সঞ্চালনায় দূতাবাসের সম্মেলনকক্ষে পবিত্র কোরআন তেলাওয়াতের মধ্য দিয়ে দিবসটির কার্যক্রম শুরু হয়। এসময় মহান মুক্তিযুদ্ধে আত্মোৎসর্গকারী শহীদ, নির্যাতিত মা-বোন, আহত বীর মুক্তিযোদ্ধা ও দেশের সমৃদ্ধি কামনা করে বিশেষ দোয়া করেন নোমান উদ্দিন আজহারী।

দিবসটি উপলক্ষে ঢাকা থেকে দেওয়া রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর বাণী পাঠ করে শোনান যথাক্রমে দূতাবাসের চিফ অব মিশন গৌতম কুমার দে, দূতালয় প্রধান আতাউল হক ও শ্রম সচিব জাকির হোসেন।

আলোচনা পর্বে প্রধান অতিথির বক্তব্যে রাষ্ট্রদূত সামিনা নাজ বীর শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন এবং সম্ভ্রমহানি হওয়া মা-বোনদের গভীর কৃতজ্ঞতায় স্মরণ করেন। তিনি বলেন, ১৯৪৭ সালের পর দীর্ঘ ২৩ বছরের সংগ্রাম ও আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে বাংলাদেশ অর্জন করে কাঙ্ক্ষিত স্বাধীনতা। নয় মাসব্যাপী রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের মধ্য দিয়ে অর্জিত এই বিজয় বাঙালি জাতির ইতিহাসে এক গৌরবোজ্জ্বল অধ্যায়।

মিশরে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদ্‌যাপন

রাষ্ট্রদূত ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চের নৃশংস গণহত্যার প্রসঙ্গ তুলে ধরে বলেন, এটি ছিল জাতিকে নেতৃত্বশূন্য ও মেধাশূন্য করার একটি সুপরিকল্পিত অপচেষ্টা।

তিনি বর্তমান সরকারের নেতৃত্বে বাংলাদেশের উন্নয়ন-অগ্রযাত্রার কথাও তুলে ধরেন এবং দেশকে উন্নত ও সমৃদ্ধ রাষ্ট্রে পরিণত করতে প্রবাসীসহ সব নাগরিককে নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান।

সামিনা নাজ আন্তর্জাতিক শান্তিরক্ষায় বাংলাদেশের গৌরবোজ্জ্বল অবদানের বিষয়েও আলোকপাত করে বলেন, বর্তমান মধ্যপ্রাচ্যের সংবেদনশীল পরিস্থিতি বিবেচনায় এ বছর সীমিত পরিসরে দূতাবাস প্রাঙ্গণে দিবসটি উদ্‌যাপন করা হয়।

অনুষ্ঠানের শেষ পর্বে স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে নির্মিত একটি প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয় এবং উপস্থিত অতিথিদের আপ্যায়নের মধ্য দিয়ে দিনের কর্মসূচির সমাপ্তি ঘটে।

একিউএফ/এএসএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow