মিয়ানমারের ৫৫ নাগরিককে দেশে ফেরত পাঠিয়েছে মালয়েশিয়া

মালয়েশিয়ার কেদাহ রাজ্যের ইমিগ্রেশন বিভাগ (জেআইএম) তাদের চলমান আইন প্রয়োগ কার্যক্রমের অংশ হিসেবে ৫৫ জন অবৈধ অভিবাসী (পাটি) মিয়ানমারের নাগরিককে নিজ দেশে ফেরত পাঠিয়েছে। তাদের কুয়ালালামপুর আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর (কেএলআইএ১) হয়ে নিজ দেশে পাঠানো হয়। বুধবার (২৫ মার্চ) ইমিগ্রেশন বিভাগ জানিয়েছে, ফেরত পাঠানো ব্যক্তিদের মধ্যে ৪৭ জন প্রাপ্তবয়স্ক পুরুষ এবং ৮ জন কিশোর রয়েছে। তারা পূর্বে কেদাহর সিক এলাকার বেলানতিক ইমিগ্রেশন ডিপোতে আটক ছিলেন। সাজা সম্পন্ন করার পর তাদের মালয়েশিয়া ইমিগ্রেশন বিভাগের সিস্টেমে কালো তালিকাভুক্ত (ব্ল্যাকলিস্ট) করা হয় এবং পরে নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হয়। তারা সবাই ১৯৫৯/৬৩ সালের ইমিগ্রেশন আইন (আইন ১৫৫)-এর ধারা ১৫(১)(সি) এবং ধারা ৬(১)(সি) লঙ্ঘন করেছেন। এছাড়া, তারা ১৯৬৩ সালের ইমিগ্রেশন বিধিমালা অনুযায়ী বৈধ পাসপোর্ট বা অনুমতি ছাড়া দেশে প্রবেশ করা কিংবা নির্ধারিত সময়ের বেশি অবস্থান করার অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হন। ফেরত পাঠানো ব্যক্তিদের সবার কাছেই বৈধ ভ্রমণ নথি ছিল। তবে, কিছু ক্ষেত্রে নিজ নিজ দেশের দূতাবাস কর্তৃক প্রদত্ত অস্থায়ী ভ্রমণ নথি (ইমার্জেন্সি ট্রাভেল ডকুমেন্ট) ব্যবহার করা হয়েছে,

মিয়ানমারের ৫৫ নাগরিককে দেশে ফেরত পাঠিয়েছে মালয়েশিয়া

মালয়েশিয়ার কেদাহ রাজ্যের ইমিগ্রেশন বিভাগ (জেআইএম) তাদের চলমান আইন প্রয়োগ কার্যক্রমের অংশ হিসেবে ৫৫ জন অবৈধ অভিবাসী (পাটি) মিয়ানমারের নাগরিককে নিজ দেশে ফেরত পাঠিয়েছে। তাদের কুয়ালালামপুর আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর (কেএলআইএ১) হয়ে নিজ দেশে পাঠানো হয়।

বুধবার (২৫ মার্চ) ইমিগ্রেশন বিভাগ জানিয়েছে, ফেরত পাঠানো ব্যক্তিদের মধ্যে ৪৭ জন প্রাপ্তবয়স্ক পুরুষ এবং ৮ জন কিশোর রয়েছে। তারা পূর্বে কেদাহর সিক এলাকার বেলানতিক ইমিগ্রেশন ডিপোতে আটক ছিলেন। সাজা সম্পন্ন করার পর তাদের মালয়েশিয়া ইমিগ্রেশন বিভাগের সিস্টেমে কালো তালিকাভুক্ত (ব্ল্যাকলিস্ট) করা হয় এবং পরে নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হয়।

তারা সবাই ১৯৫৯/৬৩ সালের ইমিগ্রেশন আইন (আইন ১৫৫)-এর ধারা ১৫(১)(সি) এবং ধারা ৬(১)(সি) লঙ্ঘন করেছেন।

এছাড়া, তারা ১৯৬৩ সালের ইমিগ্রেশন বিধিমালা অনুযায়ী বৈধ পাসপোর্ট বা অনুমতি ছাড়া দেশে প্রবেশ করা কিংবা নির্ধারিত সময়ের বেশি অবস্থান করার অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হন।

ফেরত পাঠানো ব্যক্তিদের সবার কাছেই বৈধ ভ্রমণ নথি ছিল। তবে, কিছু ক্ষেত্রে নিজ নিজ দেশের দূতাবাস কর্তৃক প্রদত্ত অস্থায়ী ভ্রমণ নথি (ইমার্জেন্সি ট্রাভেল ডকুমেন্ট) ব্যবহার করা হয়েছে, যাতে করে তাদের দেশে ফেরত পাঠানোর প্রক্রিয়া সহজ হয়।

কেদাহ ইমিগ্রেশন বিভাগের পক্ষ থেকে জানানো হয়, এই প্রত্যাবাসন কর্মসূচি তাদের ধারাবাহিক আইন প্রয়োগ কার্যক্রমের অংশ। দেশের ইমিগ্রেশন আইন লঙ্ঘনকারী বিদেশিদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ নিশ্চিত করতে এই অভিযান অব্যাহত থাকবে।

এএমএ/জেআইএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow