মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পর হঠাৎ সামনে এলো শুভেন্দুর ঘুষ নেওয়ার ভিডিও 

পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনে মুখ্যমন্ত্রী নির্বাচিত হওয়ার পর হঠাৎ করেই শুভেন্দু অধিকারীর ঘুষ নেওয়ার একটি পুরোনো ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। ভিডিওটি নিয়ে স্থানীয় রাজনীতিতে ব্যাপক চাঞ্চল্য দেখা দিয়েছে।  ২০১৬ সালের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের ঠিক আগে কথিত ঘুষ লেনদেনের এক স্টিং অপারেশন ঘিরে বড় রাজনৈতিক বিতর্কে জড়িয়ে পড়ে তৃণমূল কংগ্রেস। ওই ঘটনায় দলটির তিন মন্ত্রী, ছয় সাংসদ ও দুই বিধায়কের নাম সামনে আসে। তাদের মধ্যে বর্তমান পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর নামও ছিল।  সেসময় ভিডিওটি নিজেদের সামাজিক মাধ্যমে পোস্ট করে তৃণমূলের কঠোর সমালোচনা করেছিল বিজেপি। এমনকি মমতা বন্দোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ তুলে তার পদত্যাগও দাবি করা হয়েছিল। কিন্তু এরপর শুভেন্দু অধিকারী তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দেওয়ায় রাজনৈতিক সমীকরণে অনেক পরিবর্তন আসে। দলবদলের পরই নিজেদের সামাজিক মাধ্যম থেকে সেসব ভিডিও সরিয়ে নেয় বিজেপি। ভিডিওগুলো সরিয়ে নেওয়ার পরই বিরোধীদলের সমালোচনার মুখে পড়তে হচ্ছে বিজেপিকে। অনেকেই বিজেপির এই কর্মকাণ্ডকে দ্বিমুখী আচরণ বলে মন্তব্য করেছেন। অনেকেই আবার বলছেন, বিজেপির দুর

মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পর হঠাৎ সামনে এলো শুভেন্দুর ঘুষ নেওয়ার ভিডিও 

পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনে মুখ্যমন্ত্রী নির্বাচিত হওয়ার পর হঠাৎ করেই শুভেন্দু অধিকারীর ঘুষ নেওয়ার একটি পুরোনো ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। ভিডিওটি নিয়ে স্থানীয় রাজনীতিতে ব্যাপক চাঞ্চল্য দেখা দিয়েছে। 

২০১৬ সালের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের ঠিক আগে কথিত ঘুষ লেনদেনের এক স্টিং অপারেশন ঘিরে বড় রাজনৈতিক বিতর্কে জড়িয়ে পড়ে তৃণমূল কংগ্রেস। ওই ঘটনায় দলটির তিন মন্ত্রী, ছয় সাংসদ ও দুই বিধায়কের নাম সামনে আসে। তাদের মধ্যে বর্তমান পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর নামও ছিল। 

সেসময় ভিডিওটি নিজেদের সামাজিক মাধ্যমে পোস্ট করে তৃণমূলের কঠোর সমালোচনা করেছিল বিজেপি। এমনকি মমতা বন্দোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ তুলে তার পদত্যাগও দাবি করা হয়েছিল।

কিন্তু এরপর শুভেন্দু অধিকারী তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দেওয়ায় রাজনৈতিক সমীকরণে অনেক পরিবর্তন আসে। দলবদলের পরই নিজেদের সামাজিক মাধ্যম থেকে সেসব ভিডিও সরিয়ে নেয় বিজেপি।

ভিডিওগুলো সরিয়ে নেওয়ার পরই বিরোধীদলের সমালোচনার মুখে পড়তে হচ্ছে বিজেপিকে। অনেকেই বিজেপির এই কর্মকাণ্ডকে দ্বিমুখী আচরণ বলে মন্তব্য করেছেন। অনেকেই আবার বলছেন, বিজেপির দুর্নীতির বিরুদ্ধে সোচ্চার অবস্থান আসলে রাজনৈতিক সুবিধার ওপর নির্ভর করে।

ভিডিওটি এখনো সামাজিক মাধ্যমের অসংখ্য গ্রুপ ও পেজে রয়েছে। সাম্প্রতিক নির্বাচনে শুভেন্দু অধিকারী বিজেপি থেকে নির্বাচিত হওয়ার পর আবারও আলোচনায় এসেছে ভিডিওটি। অনেকেই অভিযোগ করেছেন যে, বিজেপি ভিডিওটি সরিয়ে নিয়ে নিজেদের নেতাকর্মীর দোষ ঢাকার চেষ্টা করছে। 

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow