মুগ্ধর বাবা ‘মেজর হার্ট অ্যাটাক’ করে হাসপাতালে, দোয়া চাইলেন স্নিগ্ধ

২০২৪ সালের জুলাই অভ্যুত্থানে শিক্ষার্থীদের পানি ও বিস্কুট বিতরণের সময় পুলিশের গুলিতে নিহত হওয়া শহীদ মীর মাহফুজুর রহমান মুগ্ধর বাবা মীর মুস্তাফিজুর রহমান গুরুতর অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। তিনি একটি ‘মেজর হার্ট অ্যাটাক’-এর শিকার হয়েছেন বলে জানিয়েছেন মুগ্ধর যমজ ভাই মীর মাহবুবুর রহমান স্নিগ্ধ। রোববার (২৯ মার্চ) রাত ৮টায় নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে এক আবেগঘন পোস্টে বাবার অসুস্থতার কথা জানিয়ে দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন স্নিগ্ধ। আগামীকাল সোমবার (৩০ মার্চ) তার বাবার অস্ত্রোপচার (অপারেশন) সম্পন্ন হওয়ার কথা রয়েছে। স্নিগ্ধ তার পোস্টে লিখেছেন, আমাদের আব্বু হঠাৎ করেই একটি মেজর হার্ট অ্যাটাকের শিকার হয়েছেন। এনজিওগ্রামে তার হার্টে অসংখ্য ব্লক ধরা পড়েছে। আব্বু আমাদের পরিবারের সবচেয়ে সাহসী মানুষ ছিলেন, কিন্তু মুগ্ধকে হারানোর পর থেকেই তিনি ভেতর থেকে অনেকটা ভেঙে পড়েছিলেন। আপনারা যে মানবিক মুগ্ধকে দেখেছেন, সে ছিল পুরোপুরি আব্বুরই প্রতিচ্ছবি।  মুগ্ধর বাবার রাজনৈতিক জীবনের স্মৃতিচারণ করে স্নিগ্ধ জানান, মীর মুস্তাফিজুর রহমান নব্বইয়ের দশকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। তিনি দীর্ঘদি

মুগ্ধর বাবা ‘মেজর হার্ট অ্যাটাক’ করে হাসপাতালে, দোয়া চাইলেন স্নিগ্ধ
২০২৪ সালের জুলাই অভ্যুত্থানে শিক্ষার্থীদের পানি ও বিস্কুট বিতরণের সময় পুলিশের গুলিতে নিহত হওয়া শহীদ মীর মাহফুজুর রহমান মুগ্ধর বাবা মীর মুস্তাফিজুর রহমান গুরুতর অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। তিনি একটি ‘মেজর হার্ট অ্যাটাক’-এর শিকার হয়েছেন বলে জানিয়েছেন মুগ্ধর যমজ ভাই মীর মাহবুবুর রহমান স্নিগ্ধ। রোববার (২৯ মার্চ) রাত ৮টায় নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে এক আবেগঘন পোস্টে বাবার অসুস্থতার কথা জানিয়ে দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন স্নিগ্ধ। আগামীকাল সোমবার (৩০ মার্চ) তার বাবার অস্ত্রোপচার (অপারেশন) সম্পন্ন হওয়ার কথা রয়েছে। স্নিগ্ধ তার পোস্টে লিখেছেন, আমাদের আব্বু হঠাৎ করেই একটি মেজর হার্ট অ্যাটাকের শিকার হয়েছেন। এনজিওগ্রামে তার হার্টে অসংখ্য ব্লক ধরা পড়েছে। আব্বু আমাদের পরিবারের সবচেয়ে সাহসী মানুষ ছিলেন, কিন্তু মুগ্ধকে হারানোর পর থেকেই তিনি ভেতর থেকে অনেকটা ভেঙে পড়েছিলেন। আপনারা যে মানবিক মুগ্ধকে দেখেছেন, সে ছিল পুরোপুরি আব্বুরই প্রতিচ্ছবি।  মুগ্ধর বাবার রাজনৈতিক জীবনের স্মৃতিচারণ করে স্নিগ্ধ জানান, মীর মুস্তাফিজুর রহমান নব্বইয়ের দশকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। তিনি দীর্ঘদিন ধরে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে একনিষ্ঠভাবে যুক্ত।  স্নিগ্ধ বলেন, আমার রাজনীতিতে যুক্ত হওয়ার পেছনেও আব্বুর হাতটাই সবচেয়ে বড়। তিনি এই দলটাকে (বিএনপি) অনেক বিশ্বাস করেন। জানি না, এই দলটা একজন শহীদের পিতার বিশ্বাস রাখতে পারবে কি না।  চিকিৎসকদের বরাত দিয়ে স্নিগ্ধ জানান, সোমবারের এই জটিল অস্ত্রোপচারে তিন ঘণ্টারও বেশি সময় লাগতে পারে। তিনি দেশবাসীর কাছে তার বাবার সুস্থতার জন্য আন্তরিক দোয়া কামনা করেছেন। এদিকে, মুগ্ধের বাবার অসুস্থতা এবং জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন তার নিকটাত্মীয় অ্যাডভোকেট আরিফুল কবীর চৌধুরী হীরা। উল্লেখ্য, গত ১৮ জুলাই রাজধানীর উত্তরার আজমপুরে কোটা সংস্কার আন্দোলন চলাকালে তৃষ্ণার্ত শিক্ষার্থীদের মাঝে পানি ও বিস্কুট বিতরণের সময় পুলিশের গুলিতে শহীদ হন মীর মাহফুজুর রহমান মুগ্ধ। মৃত্যুর ঠিক আগ মুহূর্তে তার বলা “পানি লাগবে কারও, পানি?” বাক্যটি জুলাই বিপ্লবের অন্যতম প্রধান প্রতীকে পরিণত হয়েছে। তিনি খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণিত বিভাগের প্রাক্তন ছাত্র ছিলেন এবং মৃত্যুর সময় বিইউপি থেকে এমবিএ করছিলেন।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow